খুঁজুন
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

সাংবাদিক নুরুজ্জামান’র বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বন্দর প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক নুরুজ্জামান’র বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বন্দর প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

সাংবাদিক নুরুজ্জামান’র বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বন্দর প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

মোঃ আবুল বাশার সাইফুল ক্রাইম রিপোর্টার

 

৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বেলা ১১টায় বন্দর প্রেসক্লাব চত্বরে বন্দর প্রেসক্লাব:রং আয়োজনে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার বন্দর প্রতিনিধি ও বন্দর প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বন্দর প্রেসক্লাব ও বন্দরের বিভিন্ন সাংবাদিক ক্লাবের নেতৃবৃন্দ ।

 

বিটিভি ও দৈনিক যুগান্তরের বন্দর প্রতিনিধি আতাউর রহমান’র সভাপিতত্বে বন্দর প্রেসক্লাবের সাবেক সহ সাধারন সম্পাদক ও দৈনিক যুগের চিন্তার বন্দর প্রতিনিধি জিএম সুমন’র সঞ্চালনায় মানববন্ধনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করেন।

 

মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদানকালে গ্রেফতারকৃত সাংবাদিক নুরুজ্জামান মোল্লার স্ত্রী রুমা বেগম ক্ষোভ ও আকুতি প্রকাশ করে বলেন, “ওসি ও এসপি সাহেবের প্রতি অনুরোধ—আপনারা বিষয়টি আগে সঠিকভাবে তদন্ত করুন, তারপর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়া অহেতুক মিথ্যা মামলায় আমার স্বামীকে কেন গ্রেপ্তারের করা হলো? প্রশাসনকে এর জবাব দিতে হবে।”

 

মানববন্ধনে প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করে বক্তব্য রাখেন, বন্দর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক নয়া দিগন্তের বন্দর প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মিয়া। তিনি বলেন, “সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতেই এই সাজানো মামলা দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে নুরুজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বন্দর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা জিএম মাসুদ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জিএম মজনু, প্রতিষ্ঠাতা দপ্তর ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক ইয়াদ বন্দর প্রতিনিধি এসএম আবদুল্লাহ, সাবেক সহ সভাপতি মেহবুব মিয়া, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ইমরান মৃধা, বন্দর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জিকে রাসেল, বন্দর থানা সাংবাদিক ক্লাবের সাধারন সম্পাদক নূর এ আজাদ, এবিএন বাংলা টিভির ক্রাইম রিপোর্টার আবুল বাসার সাইফুল।

 

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বন্দর প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি দ্বীন ইসলাম দিপু, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান রিপন, বাংলাবাজার পত্রিকা নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ইউসুফ আলী প্রধান, নাগরিক টিভির বন্দর প্রতিনিধি শাহরিয়া ইমন, দেশকন্ঠ পত্রিকার বন্দর প্রতিনিধি জিয়াবুর রহমান জিয়া, রদ্রুবার্তা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, নন্দিত টিভি বন্দর প্রতিনিধি সাজিদ হোসেন কিবরিয়া, বাংলাদেশ সমাচার বিশেষ প্রতিনিধি শেখ সুমন, আজকের নীরবাংলা ও ৭১ বাংলা টিভির বিল্লাল হোসেন, নব অভিযান স্টাফ রিপোর্টার মীর মহিউদ্দিন কাদির, সিএনএন বাংলা টিভির জিহাদ হোসেন, চ্যানেল জিরো আকরাম, আলোর ধারা মনির হোসেন ও সাংবাদিক জাহিদুল ও খোকন প্রমূখ।

 

মানববন্ধনে উপস্থিত সকল বক্তারাও অবিলম্বে সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ এবং হয়রানিমূলক মামলা থেকে সাংবাদিক নুরুজ্জামান মোল্লার মুক্তির জোর দাবি জানান।

সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাইফুদদীন (৩০) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

নিহত সাইফুদদীন সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মলেয়াবাদ এলাকার ফজল করিম সওদাগরের ছেলে এবং কালিয়াইশ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহমদ কবিরের ভাতিজা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ছাত্রদলনেতা ইলিয়াস সানির সাথে সাইফুদদীনের দীর্ঘদিন ধরে পূর্ববিরোধ চলে আসছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর কালিয়াইশ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কাঠগড় এলাকার শফি ড্রাইভারের ছেলে ও ছাত্রদলনেতা ইলিয়াস সানির নেতৃত্বে সাইফুদদীনের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় হামলায় আব্দুল জব্বার মানিক, হাসান, কায়েফ ও আসিফসহ ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত অংশ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় সাইফুদদীন গুরুতর জখম হন।

 

এদিকে হামলা ও আহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে একটি আর্থিক দফারফার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠলেও নিহতের স্বজনরা তা অস্বীকার করেছেন। নিহতের আত্মীয় মিজান জানান, ঘটনার পর আহত সাইফুদদীন বাড়ি ফিরে এসেছিলেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়। আপোষ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেন।

 

নিহতের বড় ভাই জসিম বলেন, “আমার ভাই মারধরের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মারা গেছে। আমি এখন মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত ও টেনশনে আছি, এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।”

 

ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

সাতকানিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার সুধীজনদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহেসান মৌলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোঁওচিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার ফরিদুল আলম, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও অভিভাবক প্রতিনিধি নাসির উদ্দীন এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ শাহাদাত। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকবৃন্দ।

 

সভায় বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি আদর্শ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। নবগঠিত এডহক কমিটি বিদ্যালয়ের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় উন্মুক্ত আলোচনায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরে এডহক কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

মোঃ আঃ লতিফ মিয়া টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

 

টাঙ্গাইলের সখিপুর ফাঁসিতে ঝুলে শাহনাজ (২৮) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়।

 

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুৃমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

 

গৃহবধূ শাহনাজ উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বানিয়ারসিট পূর্বপাড়া নুরজামাল এর স্ত্রী । নুরজামাল ওই গ্রামের মৃত সায়েম উদ্দিন এর ছেলে।

 

শাহনাজ উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের চকচকিয়া শ্রীপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার দিন শাহনাজের স্বামীর পরিবার সখিপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানা যায়।

 

আরো জানা যায়, স্ত্রী শাহানাজের আকস্মিক এরকম মৃত্যুর পর স্বামী নুরজামালের আচরণে-অনুভূতিতে বিশেষ কোনো অনুশোচনার চিহ্ন পাওয়া যায় নাই। ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করার পর লাশটি পুলিশ আসার পূর্বেই স্বামীর পরিবারের সদস্যরা ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে ছিল বলে জানা যায়।

 

এদিকে এ বিষয়ে মৃত শাহনাজের বাবা আব্দুল আজিজ  জানান, গত প্রায় ১২ বছর পূর্বে  নূরজামালের সাথে আমার মেয়ের বিবাহ হয়। মাঝে মধ্যেই তাদের সাথে ঝগড়া বিবাদ হতো বলে আমার মেয়ে জানাত। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে সে সব বিষয় নিয়ে অনেক সালিশি বৈঠক হয়।

 

তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে খুবই শান্ত স্বভাবের ছিল। ছোটখাটো অনেক ঘটনাই ঘটছে, কিন্তু আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জানাইতো না। আমার মেয়ে সারাদিন কাজ করতো , স্বামীর গরু ও মুরগির খামার আমার মেয়েই সামলাতো। কাজ করতে করতে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলো। আমার মেয়ে সংসারী ছিল। তার দুটি শিশু বাচ্চা রেখে সে কখনো আত্মহত্যা করতে পারে না।

 

শাহনাজের বাবা আরো বলেন, সাংসারিক বিষয়ের ভালো-মন্দ কোন বিষয়েই মেয়ের জামাই কোনো সংবাদ আমাদের জানাতোনা। এমনকি মেয়েকে আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগও করতে দিত না।

 

মেয়ের জামাই ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়ে সুস্থ -সবল শাহনাজের মাথায় সমস্যা এমন মিথ্যা অপবাদও দিচ্ছে। আমার মেয়েকে তারা হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।

 

নিহত শাহনাজের স্বামী নুর জামাল ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে বলেন, শাহনাজের মাথায় সমস্যা ছিল। গত বৃহস্পতিবার শাহানাজ ঘরের ভেতর দড়ি দিয়ে ঝুলে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

এ বিষয়ে সখিপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,  থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।