খুঁজুন
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“কল্পনা চাকমা অপহরণের ৩০ বছর: বিচার ও পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
“কল্পনা চাকমা অপহরণের ৩০ বছর: বিচার ও পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন”।

filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Night; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 102.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

কল্পনা চাকমা অপহরণের ৩০ বছর: বিচার ও পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন।

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা।

 

তিন দশক বা দীর্ঘ ৩০ বছর পেরিয়ে গেলেও খোঁজ মেলেনি পার্বত্য চট্টগ্রামের সাহসী নারী নেত্রী কল্পনা চাকমার। মেলেনি এই অপহরণের কোনো সুষ্ঠু বিচারও। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির প্রতিবাদে এবং পাহাড়ি নারীদের নিরাপত্তার দাবিতে বান্দরবানে রাজপথে নেমেছেন জুম্ম নারীরা।

 

আজ: ১২ই জুন (শুক্রবার) সকালে বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন বান্দরবান জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও নারী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। জেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠ থেকে রেলির মধ্যে দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয় পরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বান্দরবান জেলা প্রেসক্লাবের সামনে সকলে মানববন্ধন কর্মসূচি তে একত্রিত হন।

 

এ সময় মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন: তিন দশকেও কল্পনা চাকমার অপহরণের রহস্য উন্মোচন না হওয়া চরম দুর্ভাগ্যজনক। একই সাথে পাহাড়ে জুম্ম নারীদের ওপর চলমান সহিংসতা ও নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান তারা।

 

বক্তারা আরও বলেন: কল্পনা চাকমা অপহরণের আজ ৩০ বছর পূর্ণ হলো, কিন্তু রাষ্ট্র এখনো এই অপহরণের কোনো সুষ্ঠু বিচার করতে পারেনি। আমরা অবিলম্বে এই ঘটনার বিচার সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রতীক ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’র পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি। এবং পার্বত্য অঞ্চলের স্থায়ী শান্তির জন্য ১৯৯৭ সালের ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির প্রতিটি ধারা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা জরুরি। চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই পাহাড়ে আদিবাসী ও জুম্ম নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির মুখোমুখি করার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন শেষ করা হয়।

“রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
“রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা”।

রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে দুই মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট)। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রুহিয়া থানাধীন ৫ নং রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের রামনাথ বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, মৎস্য আইন বাস্তবায়ন ও নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধের লক্ষ্যে রামনাথ বাজারে অভিযান চালান রুহিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ খাইরুল ইসলাম। এ সময় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির অপরাধে মামলা নং ৭৮/২০২৬ ও ৭৯/২০২৬ মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০-এর ১৬ ধারায় দুই ব্যবসায়ীকে ১ হাজার টাকা করে সর্বমোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কশালগাঁও গ্রামের মৃত হালিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ আবুল হোসেন (৫৫) এবং চাপাতি (পাইকপাড়া) গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিনের ছেলে মোঃ শাহ আলম (৩০)। অভিযান শেষে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, জনস্বার্থে এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ মাছের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

 

​রোয়াংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: চিংনুমং মারমা

 

​বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

​মঙ্গলবার ১৬ জুন সকালে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘ওয়াশ ইন এফসি পিবিআই প্রকল্পের আওতায় এ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন, যার অর্থায়নে রয়েছে ওয়ার্ল্ড ভিশন ইউএসএ।

​হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের উপজেলা ওয়াশ অফিসার মংটিংসাই মারমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও তাজনিম আলম তুলি।

​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

​মেহ্লাঅং মারমা, চেয়ারম্যান, রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ।

​উনুমং মারমা, চেয়ারম্যান, তারাছা ইউনিয়ন পরিষদ।

​বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা, চেয়ারম্যান, আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদ।

​চনুমং মারমা, চেয়ারম্যান, নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদ।

​ডা. আয়েশা, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

​সাথোয়াইঅং মারমা, সাধারণ সম্পাদক, রোয়াংছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব।

​অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের রোয়াংছড়ি এডিপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার প্রকাশ চাম্বুগং। তিনি প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, অর্জন, সফলতা এবং উপকারভোগীদের নানাবিধ ইতিবাচক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।”

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজনিম আলম তুলি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার এই সমন্বিত উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত। এ ধরনের মানবিক সহায়তা কর্মসূচি প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

​সভা শেষে প্রকল্পের আওতায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৫৫ জন দুর্দশাগ্রস্ত উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন নির্মাণ সামগ্রী এবং ঘর প্রতি নগদ ৭,৪৭৩ টাকা করে বিতরণ করা হয়।

​উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

“রোয়াংছড়িতে পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
“রোয়াংছড়িতে পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন”।

রোয়াংছড়িতে পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

রোয়াংছড়ি, বান্দরবান প্রতিনিধি: চিংনুমং মারমা।

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় পি অ্যান্ড জি (P&G) প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

গত সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) রোয়াংছড়ি উপজেলা টাউন হলরুমে এই সমাপনী ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাজনিম আলম তুলি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এথিং।

হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের রোয়াংছড়ি এডিপির প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস উসাইম্যা মার্মা অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এরপর ওয়ার্ল্ড ভিশনের রোয়াংছড়ি এডিপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার প্রকাশ চিসিম (চাম্বুগং) পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম, অর্জন, সফলতা এবং উপকারভোগীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ফিডব্যাক সবার সামনে উপস্থাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজনিম আলম তুলি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “ভবিষ্যতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও দুর্গম অঞ্চলে সম্প্রসারণ করা উচিত, যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও নিরাপদ পানির সুফল পেতে পারে।” এর পাশাপাশি তিনি উপকারভোগীদের নিয়মিত নিরাপদ পানি ব্যবহারের অভ্যাস বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং পরিবারের প্রতিটি সদস্য, বিশেষ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ পানি পানের বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামাল উদ্দীন, রোয়াংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির, ৩ নম্বর আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা এবং সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হিরণ্ময় তঞ্চঙ্গ্যা। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারী এবং প্রকল্পের আওতাধীন চারটি ইউনিয়নের উপকারভোগীরা এই সেশনে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে উপকারভোগীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধার কথা তুলে ধরেন এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। একই সাথে তারা এই ধরনের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতে প্রত্যন্ত এলাকায় অব্যাহত রাখার জোর অনুরোধ জানান।

পরিশেষে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রকল্পের সাফল্যের মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তি ঘটে।