খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ চার বছর ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে বাহারছড়ার প্রধান এলজিইডি সড়কটি। কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরা এই সড়কে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নারী-শিশু, বৃদ্ধসহ হাজারো সাধারণ মানুষকে। বাধ্য হয়ে অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২২ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ভোগান্তির অবসান ঘটাতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় জনজীবন একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে।

 

প্রতিদিন এই ভাঙা রাস্তা দিয়েই চলাচল করতে হয় বাহারছড়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের। ছোট-বড় নানা ধরনের যানবাহন চলাচলের সময় প্রতিনিয়ত ঝাঁকুনিতে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগীরা। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

 

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, এলজিইডি ও মেরিন ড্রাইভ রোডটি পর্যটন নগরীর ভারসাম্য বজায় রেখে যানবাহন চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধান সড়কটি ভঙ্গুর থাকায় বাধ্য হয়ে সমস্ত যানবাহন একচেটিয়াভাবে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে চলাচল করছে। এর ফলে ওই সড়কে অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচলের কারণে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে তাজা প্রাণ।

 

এছাড়া স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, এই ভাঙা রাস্তার কারণে ওই এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতিও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অপরাধমূলক কার্যক্রম দমনে খারাপ যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অবহেলার কারণে উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই জনপদের মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নির্বাচন এলেই বিভিন্ন প্রার্থীর মুখে রাস্তা সংস্কারের লম্বা ইশতেহার শোনা যায়, কিন্তু ভোটের পর কাজের কাজ কিছুই হয় না। রাস্তা সংস্কারের নামে এই টালবাহানা আর সহ্য করা হবে না।

 

জনসাধারণের এই মৌলিক ও নায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ শুরু না হলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর হত্যা: ৪ বছরের ভাতিজিকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ ফুফুর বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর হত্যা: ৪ বছরের ভাতিজিকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ ফুফুর বিরুদ্ধে

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর হত্যা: ৪ বছরের ভাতিজিকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ ফুফুর বিরুদ্ধে

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালকে চার বছরের এক শিশুকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ফুফুর বিরুদ্ধে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুয়ালক এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত শিশুটির নাম তাইফা সুলতানা (৪)। সে সুয়ালক এলাকার বাসিন্দা টিপু খানের কন্যা। অভিযুক্ত ফুফুর নাম নারগিছ সুলতানা কচি (৫২)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল থেকেই শিশু তাইফাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবার ও আত্মীয়স্বজন সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে বান্দরবান সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

বিকেলে বাড়ির আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার সময় শিশুটির ফুফু নারগিছ সুলতানা কচির ঘরের ভেতর তাইফার নিথর দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তথ্য ও প্রতিবেশীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত নারী কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং তিনি শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং অভিযুক্ত নারগিছ সুলতানা কচির ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, আটককৃত নারী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া ও পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ম্যারাথন আয়োজন নিয়ে চনুমং মারমার সঙ্গে হিল রানার্স কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
ম্যারাথন আয়োজন নিয়ে চনুমং মারমার সঙ্গে হিল রানার্স কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

ম্যারাথন আয়োজন নিয়ে চনুমং মারমার সঙ্গে হিল রানার্স কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

বান্দরবান প্রতিনিধি;

বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মারমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বান্দরবান হিল রানার্স কমিউনিটির একটি প্রতিনিধি দল।

 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টায় ৩০ মিনিটে বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য চনুমং মারমা নিজ কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তাকে বান্দরবান হিল রার্নার পক্ষ থেকে জার্সি ও অভিনন্দন জানানো হয়।

 

সাক্ষাৎকালে বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং মাদক থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রমের আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান হিল রানা কমিটি প্রতিনিধি সা অং প্রু মারমা(ক্যক্য) ডা.শান্তানু দাশ, মো.আরিফ হিল রানার কমিটি সদস্য জসিং থোয়াইসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

 

এ সময় জেলা ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মারমা বলেন, বান্দরবানের যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন।

 

তিনি আগামী দিনগুলোতে বান্দরবানে ম্যারাথনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের আয়োজনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

 

হিল রানার্স কমিউনিটির প্রতিনিধিরা বান্দরবানে নিয়মিত ম্যারাথন ও দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও খেলাধুলায় উৎসাহিত করার বিষয়ে তাদের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

 

সাক্ষাৎকালে বান্দরবান হিল রানার্স কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য স্বীকৃতি পেলেন অংচিংনু মারমা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ণ
মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য স্বীকৃতি পেলেন অংচিংনু মারমা

মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য স্বীকৃতি পেলেন অংচিংনু মারমা

মো. আরিফ, বান্দরবান প্রতিনিধি;

পার্বত্য চট্রগ্রাম মারমা জনগোষ্ঠীর পরিচিত মুখ, লেখক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সংগঠক অংচিংনু মারমাকে আন্তর্জাতিক সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য কাব্য পরিষদের পক্ষ থেকে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

 

অংচিংনু মারমা বিশ্ব গণমানুষের সেবা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

 

দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো, সহায়তা করা এবং মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করে আসছেন তিনি।

 

তার এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মানবতার প্রতি দায়বদ্ধতার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে বলে আয়োজকেরা জানান।

 

মানবিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে অংচিংনু মারমা বলেন, মানুষের পাশে দাড়ানোর মধ্যেই মানবতার সবচেয়ে বড় পরিচয়। সমাজের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চান তিনি।

 

আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য কাব্য পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে আন্তর্জাতিক সম্মাননা স্মারক-২০২৬ তুলে দেওয়া হয়।