খুঁজুন
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

“বান্দরবান সুয়ালক ইউনিয়নে জনশূন্য ও তালাবদ্ধ হয়ে পড়ে আছে, বিশেষ আশ্রায়ণ প্রকল্পের নির্মিত ঘর”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
“বান্দরবান সুয়ালক ইউনিয়নে জনশূন্য ও তালাবদ্ধ হয়ে পড়ে আছে, বিশেষ আশ্রায়ণ প্রকল্পের নির্মিত ঘর”।

বান্দরবান সুয়ালক ইউনিয়নে জনশূন্য ও তালাবদ্ধ হয়ে পড়ে আছে, বিশেষ আশ্রায়ণ প্রকল্পের নির্মিত ঘর।

বান্দরবান প্রতিনিধি:

 

সাবেক সরকারের বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ঘরগুলো এখন যেন জনশূন্য ও তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ঘরগুলো হস্তান্তরের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেখানে কেউ বসবাস করছে না। ফলে অযত্ন আর অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ঘরগুলোর কাঠামো, আর চারপাশ ছেয়ে গেছে ঝোপঝাড়ে।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়: বান্দরবান সদর উপজেলাস্থ ৪নং সুয়ালক ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কদুখোলা এলাকায়- সারিবদ্ধ ঘরগুলো এখন জনশূন্য ও তালাবদ্ধ হয়ে পড়ে আছে অন্তত গ্রামের ছয় থেকে সাতটি ঘর। কোনো কোনো ঘরের জানালা ভেঙে পড়েছে, আবার কোথাও প্লাস্টার খসে পড়ছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপযুক্ত ভূমিহীন ও অসহায় ব্যক্তিদের ঘরগুলো পাওয়ার কথা থাকলেও পেয়েছেন এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যার কারণে সাবেক সরকারের আশ্রয়হীন প্রকল্পের ঘরগুলো এখন ভুতের ঘরে পরিণত হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয়রা আরো জানান: কদুখোলা এলাকায় অনেক গরিব অসহায় মানুষ রয়েছেন যাদের থাকার মতো কোনো আশ্রয় নেই।জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই জোর দাবি দ্রুত এই ঘরগুলো যেন এলাকার গরিব অসহায় মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, ঘরগুলো হওয়ার পর আমরা অনেকটাই খুশি হয়েছিলাম। দুঃখের বিষয় হলো ভূমিহীন ও অসহায় গরিবদের ঘর গুলো এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সুকৌশলে তাদের নামে বরাদ্দ করে নিয়েছেন। এই ঘরগুলো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছ থেকে নিয়ে গরিব অসহায় মানুষের কাছে হস্তান্তর করা গেলে খুবই ভালো হতো।

 

লক্ষ্য ছিল গৃহহীনদের পুনর্বাসন, কিন্তু পরিকল্পনার অভাব আর তদারকির ঘাটতিতে সেই লক্ষ্য এখন প্রশ্নের মুখে। ঘরগুলো কি শেষ পর্যন্ত প্রকৃত দুঃখী মানুষের আশ্রয়ে পরিণত হবে, নাকি এভাবেই ভুতুড়ে আবহে পড়ে থাকবে—সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

“বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
“বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই”।

বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা: যেন দেখার কেউ নেই।

ক্রাইম রিপোর্টার: শিউলি আক্তার।

 

বন্দর ঘাটে এখন বেহাল দশা দেখার মত যেন কেউ নেই। যে ঘাটে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সরকার আসে আর যায় কিন্তু

 

ইজারাদের বদল হলেও বদল হয় না শুধু বন্দর ঘাটের। উন্নয় যেখানে যাত্রীদের নিরাপত্তা ভাবার কথা সেখানে কোন নজরই পরেনা কর্তৃপক্ষের।

 

অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হচ্ছে এবং যেখানে ট্রলার বেশি থাকার কথা সেখানে অল্প স্বল্প ট্রলার দিয়ে যাত্রী যাতায়াত করছে। এই অবস্থায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

 

এরপরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে ঘাটে দখল করে বসে আছে হকাররা যেখানে যাত্রী সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা রাস্তা ঘাট সেখানে দখল করে আছে দোকানদারা। এতে করে দিন দিন বাড়ছে দোকানের সংখ্যা এবং যাত্রীদের চরম ভোগান্তি।

 

এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের যাতায়াত বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন্দরের সাধারণ মানুষ।

 

বন্দর ঘাটের পাশেই দায়িত্বে থাকেন পুলিশ অথচ পুলিশের নাকের ঢোকায় বসে এসব দোকানপাট ও হকাররা।

 

যেন দেখার মত কেউ নেই।এর নেপথ্যে ছদ্ম ছায়ায় বসে আছে হকাররা। শুধু তাই নয় যাত্রী ছাউনিগুলোতে হকারদের দখলে চলে যাওয়ার কারণে বৃষ্টি হলে আশ্রয় নিতে পারেন না যাত্রীরা। যাত্রীছাওনিতে বন্দর ঘাটের এই বেহাল দশার দেখার মতো যেন কেউ নেই। কবে মুক্তি পাবে বন্দর ঘাটের মানুষ কবে ফিরে পাবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা এমনটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।

“অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
“অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন”।

অস্ট্রেলিয়া দলের নেট বোলার হিসেবে নির্বাচিত বাঁশখালীর তানভীর, উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাঙ্গন।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের নেট বোলার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন বাঁশখালীর তরুণ ক্রিকেটার আশরাফুল আলী তানভীর। তিনি বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। তার এই অর্জনে একাডেমি পরিবারসহ পুরো বাঁশখালীবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

ক্রিকেটে নিজের দক্ষতা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক মানের একটি দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেলেন তানভীর। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ক্রিকেট দল অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের বিপক্ষে অনুশীলনে বল করার অভিজ্ঞতা তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।

বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক ও প্রধান কোচ, সাংবাদিক মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, “তানভীর শুরু থেকেই অত্যন্ত নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও একাগ্রতার সঙ্গে নিজেকে গড়ে তুলেছে। তার এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং একাডেমির অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তানভীরের এই অর্জন বাঁশখালী ক্রিকেট একাডেমির জন্য যেমন গর্বের, তেমনি পুরো বাঁশখালীর জন্যও একটি সম্মানের বিষয়। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে একাডেমি পরিবারের সদস্যরা অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

স্থানীয় ক্রীড়ামোদীরাও তানভীরের এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা তাকে আরও পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। ভবিষ্যতে জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করে দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

বাঁশখালীর এই সম্ভাবনাময় তরুণ ক্রিকেটারের সাফল্যে আজ গর্বিত পুরো জনপদ। সকলের প্রত্যাশা, কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে একদিন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন।

“রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
“রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা”।

রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে দুই মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট)। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রুহিয়া থানাধীন ৫ নং রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের রামনাথ বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, মৎস্য আইন বাস্তবায়ন ও নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধের লক্ষ্যে রামনাথ বাজারে অভিযান চালান রুহিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ খাইরুল ইসলাম। এ সময় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির অপরাধে মামলা নং ৭৮/২০২৬ ও ৭৯/২০২৬ মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০-এর ১৬ ধারায় দুই ব্যবসায়ীকে ১ হাজার টাকা করে সর্বমোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কশালগাঁও গ্রামের মৃত হালিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ আবুল হোসেন (৫৫) এবং চাপাতি (পাইকপাড়া) গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিনের ছেলে মোঃ শাহ আলম (৩০)। অভিযান শেষে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, জনস্বার্থে এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ মাছের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।