খুঁজুন
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

কানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেহাল দশা: শিক্ষকদের নামেমাত্র উপস্থিতি, শিক্ষার্থীরাও বিমুখ, শিক্ষার মান তলানিতে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
কানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেহাল দশা: শিক্ষকদের নামেমাত্র উপস্থিতি, শিক্ষার্থীরাও বিমুখ, শিক্ষার মান তলানিতে।

কানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেহাল দশা: শিক্ষকদের নামেমাত্র উপস্থিতি, শিক্ষার্থীরাও বিমুখ, শিক্ষার মান তলানিতে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

 

বান্দরবান সদর উপজেলার কানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ যেন ভেঙে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষকদের নামেমাত্র উপস্থিতিতে অনিয়মিত শ্রেণী পাঠদান কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের আশঙ্কাজনক হারে কম উপস্থিতি এবং বিদ্যালয়ের চারপাশের অস্বাস্থ্যকর ও জরাজীর্ণ পরিবেশ নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকাল- বিকাল দুই শিফটে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত বিদ্যালয়টিতে  শিশু শ্রেণীতে ৭জন, ১ম-৪জন, ২য়- ৬জন, ৩য়- ৩জন, ৪র্থ- ১জন, এবং ৫ম শ্রেণীতে ৮জন সর্বমোট ২৯ জন শিক্ষার্থী আর কাগজে-কলমে শিক্ষক থাকলেও বাস্তবে এর চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। অধিকাংশ শিক্ষক নিয়মিত অফিস করলেও শ্রেণী পাঠদান কার্যক্রমে থাকেন অনিয়মিত ফলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে অনিয়মিত পাঠদানে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ওপর। একদিকে শিক্ষকদের নামেমাত্র উপস্থিতি, অন্যদিকে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তলানিতে ঠেকেছে। বহু অভিভাবক তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো কমিয়ে দিয়েছেন।

 

সরেজমিনে বিদ্যালয় চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক রাজীব চোধুরী, পর্যায়ক্রমে সহকারী শিক্ষক বিপ্লব চোধুরী, রাজতী তঞ্চঙ্গ্যা, রমাশ্রী দাশ, ক্যাসানু জ্যানি বাহাদুর সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পুরো বিদ্যালয় ভবনটি এক প্রকার জরাজীর্ণ রূপ ধারণ করেছে। বিদ্যালয়ের চারপাশ ও প্রবেশদ্বারে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা। খেলার মাঠ ও আশপাশের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ায় তা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের অবহেলার কারণেই বিদ্যালয়টির আজ এই বেহাল দশা বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

 

এ বিষয়ে বান্দরবান সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল করিম জানান: এ বিষয়ে আমি অবগত হওয়ার পর পরিদর্শনে গিয়ে প্রমাণ পেয়েছি। ফলে গত ডিসেম্বর মাসে আমি প্রধান শিক্ষক রাজীব চৌধুরী বরাবর কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছিলাম। তারপরেও কোনো লাভ হয়নি। একজন উচ্চ শিক্ষিত প্রধান শিক্ষক এর কাছ থেকে এমন অবহেলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। খুব শীঘ্রই প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রশাসনিকভাবে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

 

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নের কথা থাকলেও কানাপাড়া বিদ্যালয়ে তার কোনো বালাই নেই। শিক্ষকরা সময়মতো আসেন না, আবার ঠিকমতো শ্রেণী পাঠদান ও করান না। এতে পড়াশোনা শিকেয় উঠেছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক রাজীব চোধুরী তার নিজস্ব বাগান দেখাশোনার কাজ নিয়ে সবসময় পড়ে থাকেন যার ফলে তিনি বিদ্যালয়টিতে ঠিকমতো সময় দেন না। এমন চলতে থাকলে এলাকার শিশুদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে।

 

শিক্ষার মান ও পরিবেশ পুনরুদ্ধারে অবিলম্বে শিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী অভিভাবকররা। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক রাজীব চৌধুরী সহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

সাতকানিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার সুধীজনদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহেসান মৌলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোঁওচিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার ফরিদুল আলম, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও অভিভাবক প্রতিনিধি নাসির উদ্দীন এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ শাহাদাত। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকবৃন্দ।

 

সভায় বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি আদর্শ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। নবগঠিত এডহক কমিটি বিদ্যালয়ের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় উন্মুক্ত আলোচনায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরে এডহক কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

মোঃ আঃ লতিফ মিয়া টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

 

টাঙ্গাইলের সখিপুর ফাঁসিতে ঝুলে শাহনাজ (২৮) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়।

 

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুৃমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

 

গৃহবধূ শাহনাজ উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বানিয়ারসিট পূর্বপাড়া নুরজামাল এর স্ত্রী । নুরজামাল ওই গ্রামের মৃত সায়েম উদ্দিন এর ছেলে।

 

শাহনাজ উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের চকচকিয়া শ্রীপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার দিন শাহনাজের স্বামীর পরিবার সখিপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানা যায়।

 

আরো জানা যায়, স্ত্রী শাহানাজের আকস্মিক এরকম মৃত্যুর পর স্বামী নুরজামালের আচরণে-অনুভূতিতে বিশেষ কোনো অনুশোচনার চিহ্ন পাওয়া যায় নাই। ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করার পর লাশটি পুলিশ আসার পূর্বেই স্বামীর পরিবারের সদস্যরা ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে ছিল বলে জানা যায়।

 

এদিকে এ বিষয়ে মৃত শাহনাজের বাবা আব্দুল আজিজ  জানান, গত প্রায় ১২ বছর পূর্বে  নূরজামালের সাথে আমার মেয়ের বিবাহ হয়। মাঝে মধ্যেই তাদের সাথে ঝগড়া বিবাদ হতো বলে আমার মেয়ে জানাত। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে সে সব বিষয় নিয়ে অনেক সালিশি বৈঠক হয়।

 

তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে খুবই শান্ত স্বভাবের ছিল। ছোটখাটো অনেক ঘটনাই ঘটছে, কিন্তু আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জানাইতো না। আমার মেয়ে সারাদিন কাজ করতো , স্বামীর গরু ও মুরগির খামার আমার মেয়েই সামলাতো। কাজ করতে করতে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলো। আমার মেয়ে সংসারী ছিল। তার দুটি শিশু বাচ্চা রেখে সে কখনো আত্মহত্যা করতে পারে না।

 

শাহনাজের বাবা আরো বলেন, সাংসারিক বিষয়ের ভালো-মন্দ কোন বিষয়েই মেয়ের জামাই কোনো সংবাদ আমাদের জানাতোনা। এমনকি মেয়েকে আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগও করতে দিত না।

 

মেয়ের জামাই ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়ে সুস্থ -সবল শাহনাজের মাথায় সমস্যা এমন মিথ্যা অপবাদও দিচ্ছে। আমার মেয়েকে তারা হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।

 

নিহত শাহনাজের স্বামী নুর জামাল ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে বলেন, শাহনাজের মাথায় সমস্যা ছিল। গত বৃহস্পতিবার শাহানাজ ঘরের ভেতর দড়ি দিয়ে ঝুলে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

এ বিষয়ে সখিপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,  থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলার ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের -১ নং ওয়ার্ডের তংমক পাড়া এলাকায় এক মারমা কিশোরীকে একই সম্প্রদায়ের চার যুবক মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে জোরপূর্বক ওষুধ সেবন করিয়ে গর্ভপাত করানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযুক্তরা হলেন- ক্যহ্লাচিং মারমা-র ছেলে ক্যসিংনু মারমা, ঞোচিংঅং মারমা-র ছেলে উহাইমং মারমা, মংচ মারমা-র ছেলে সিংহ্লা মারমা ও মৃত মংচহ্লা মারমা-র ছেলে উশৈনু মারমা।

 

ভুক্তভোগী কিশোরীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে ক্যহ্লাচিং মারমার ছেলে ক্যসিং নু মারমা তাকে ধর্ষণ করেন। পরদিন উহাইমং মারমা ও সিংহ্লা মারমা এবং পরবর্তীতে উশৈনু মারমা নামে এক যুবকও তাকে ধর্ষণ করেছেন বলে ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, উশৈনু মারমা একজন সন্তানের বাবা।

 

ভুক্তভোগী কিশোরীর বক্তব্য অনুজায়ি ঘটনার প্রায় চার মাস পর উহাইমং মারমা তাকে এক পাতা গর্ভপাতের ট্যাবলেট দেন। ওই ট্যাবলেট খাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে বিষয়টি তার মা-বাবার কাছে প্রকাশ পেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বান্দরবানে পাঠানো হয়।

 

পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন থাকার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে কিশোরীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসার মাধ্যমে তার গর্ভধারণ ও পরবর্তী জটিলতার বিষয়টি পরিবারের কাছে প্রকাশ পায় বলে তারা দাবি করেছেন। পাড়াবাসীর কাছ থেকেও বিষয়টি সম্পর্কে তারা জানতে পেরেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি ওয়ার্ড সদস্য মংছো মারমার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ স্থাপনে সমস্যার কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

অন্যদিকে, পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে তিনি অবগত তবে ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার বা স্বজনদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত তাকে কিছুই জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

এদিকে, ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কিশোরীর বাবা গত -১২ সেপ্টেম্বর রুমা থানায় গিয়ে মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

এ বিষয়ে রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস বড়ুয়াকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রায় দুই দিন আগে রুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি তাকে ফোনে অবহিত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি। মামলা বা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।