খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

নবরুপে ফ্যাসীবাদের জন্ম হলে এ প্রজন্ম মেনে ক্ষমা করবেনা”

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
নবরুপে ফ্যাসীবাদের জন্ম হলে এ প্রজন্ম মেনে ক্ষমা করবেনা”

“নবরুপে ফ্যাসীবাদের জন্ম হলে এ প্রজন্ম মেনে ক্ষমা করবেনা”

 

কামাল উদ্দিন জয় জেলা প্রতিনিধি।

মুহাম্মদ শাহজাহান
সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল বলেছেন, আল কুরআনকে বাদ দিয়ে মানব রচিত মতবাদে সমাজ তথা রাষ্ট্র গঠন করা হলে সে সমাজ কিংবা রাষ্ট্রে কোনোদিন শান্তি আসবে না। কারণ, মানবতার মুক্তির মহাসনদ হিসেবে মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাজিল করা হয়েছে। তাই মাহে রমজানের প্রকৃত শিক্ষা কাজে লাগে দেশকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে প্রত্যয় গ্রহণ করতে হবে। তিনি কুরআনের রাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি গতকাল এম আর কনভেনশন হলে উখিয়া উপজেলা জামায়াত আয়োজিত বিশিষ্ট ব্যাক্তবর্গের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। উপজেলা আমীর মাওলানা আবুল ফজলের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা সোলতান আহমদের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী চেয়ারম্যান। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, রমজান হলো এমন এক বরকতপূর্ণ মাস যে মাসে আল্লাহ তায়ালা মহাগ্রন্থ আল কুরআন অবতীর্ণ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘রমজান মাস হলো সে মাস, যে মাসে কুরআন নাজিল করা হয়েছে। যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ অনুসারীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশক; আর ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে এ মাসটি পাবে, সে রোজা রাখবে….। (সূরা আল বাকারাহ, আয়াত-১৮৫)। হাদিসে কুদসীতে বলা হয়েছে, আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘বান্দার সব আমল তার নিজের জন্য; কিন্তু শুধু রোজা আমার জন্য। তাই আমি নিজ হাতেই এর প্রতিদান দেব।’ (সহিহ আল বোখারি, হাদিস নং-১৯০৪)।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন হলেও ষড়যন্ত্র এখনো বন্ধ হয়নি বরং অর্জিত বিজয়কে ব্যর্থ করার জন্য নানাবিধ অপতৎপরতা শুরু করেছে। পতিত স্বৈরাচার রাষ্ট্রের সকল অঙ্গ প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনকে কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে রাষ্ট্রের প্রয়োজন সংস্কার করা জরুরি। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন ফ্যাসীবাদকে নতুন করে সুযোগ করে দিতে পারে। তাই এ প্রশ্নে আমাদেরকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অন্যথায় পতিতরা আবার ছিদ্রপথ খুঁজতে পারে।
বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা জনাব এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী, জেলা দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ শাহজাহান, জেলা সমাজসেবা সম্পাদক নুরুল হোসাইন ছিদ্দিকী,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরী,উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোলতান মাহমুদ চৌধুরী,টেকনাফ উপজেলা জামায়তের আমীর মাওলানা রফিকউল্লাহ,ইসলামী ঐক্য জোটের সভাপতি মাওলানা রিদুয়ানুল কাদিরসহ উপজেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন রাজাপালং ইমদাদুল ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসার প্রাক্তন অধ্যক্ষ মাওলানা মাওলানা একেএম আবুল হাসান আলী, বর্তমান অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক,উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর উখিয়া প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য সাংবাদিক মাওলানা নুরুল হক,সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম, উখিয়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক ও সাবেক সভাপতি সাঈদ মোহাম্মদ আনোয়ার, সদস্য সচিব মুহাম্মদ ফারুক,সাংবাদিক জাহেদ, সাংবাদিক কামাল উদ্দিন
উপজেলা জামায়তের সমাজসবা সেক্রেটারি মাওলানা আবুল হোসাইন,দপ্তর সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলম,ওলামা সম্পাদক মাওলানা আব্দুল করিম, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন উখিয়া উপজেলা সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ রিদুয়ানুল হক জিসান, শিবির সভাপতি মুহাম্মদ উসমান সরওয়ার।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

রেমবো ত্রিপুরা,থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস (CRS) এর সহযোগিতায়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা থানচি উপজেলার সদর ও বলিপাড়া ইউনিয়নে অতি বৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ প‌রিবারকে খাদ্য সহায়তা চাল, মুসর ডাল, লবণ, তেল, আলু, বিস্কুট ও পানি বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ কার্যক্রম আয়োজন করেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল।

 

সোমবার থানচি উপজেলার সদরের ৭৭ ও বলিপাড়া ইউনিয়নের ১৬৩ পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অং প্রু ম্রো, বলিপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে ১,২,৩ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার গোপাদেবী চাকমা, বাগান পাড়ার কারবারি উশিমং মারমাসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বন্যা পরবর্তী সময়ে এ সকল নিত্য প্রয়োজণীয় উপকরণ পেয়ে উপকারভোগীরা স্বস্তি বোধ করেন এবং কারিতাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল থানচি উপজেলার মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গমেজ ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীদের সহায়তায় প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ করেছে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল।

 

দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে গবাদিপশুর খাদ্যসংকট এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার খামারি ও পশুপালকরা প্রয়োজনীয় প্রাণিখাদ্য এবং পশুর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।

 

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বন্যার কারণে অনেক খামার ও গবাদিপশুর খাদ্য মজুদ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকার কারণে পশুর বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে দাঁড়াতে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

 

এ সময় খামারিদের গবাদিপশুর সঠিক পরিচর্যা, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শও প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা। পাশাপাশি কোনো পশু অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

 

স্থানীয় উপকারভোগীরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বন্যার কারণে গবাদিপশু রক্ষা ও খাদ্য জোগান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের সহায়তা তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নির্দেশনা ও বরাদ্দের আওতায় সহায়তা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, (চট্টগ্রাম):

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ২নং সাধনপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দুর্গত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব হারুনুর রশিদ মোল্লা। তাঁর পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত বিভিন্ন পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের উদ্দেশ্যে এই সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে ওঠে।

 

সহায়তা বিতরণকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পাবে।

 

হারুনুর রশিদ মোল্লার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা তাঁর নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বন্যাদুর্গত মানুষের এই সংকটময় সময়ে সামান্য সহায়তার মাধ্যমে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনের সময়ে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

সহায়তা পাওয়া কয়েকজন উপকারভোগী জানান, বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন সময়ে পাওয়া এই সহায়তা তাদের জন্য অনেকটাই স্বস্তির এবং এটি তাদের কঠিন সময় মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

 

স্থানীয়দের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সচেতন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।