খুঁজুন
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল তিতারপাড়া এলাকায় জাফর আলম বাবুল (৫০) নামে এক কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তিতারপাড়া এলাকার দুমচাই মার্মা মেম্বারের পরিত্যক্ত কেয়াং মন্দিরের সামনে থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত জাফর আলম বাবুল বাইশারী ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা ওসমান গনির ছেলে। তিনি কাঠ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে পরিত্যক্ত কেয়াং মন্দিরের সামনে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেলেও হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং জড়িতদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

এদিকে উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকায় একজন বাঙালি ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। সংগঠনের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

পিসিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. শাহজালাল এক বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা ক্রীড়া বিভাগের আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুব সমাজের উদ্যোগে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। লিটল স্টার ক্লাব-এর সার্বিক উদ্যোগে এবং এলাকার আরও তিনটি স্থানীয় ক্লাবের যৌথ অংশগ্রহণে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চনুমং মার্মাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং হাতে সম্মাননা স্বারক তুলে দেয় আয়োজক কমিটির প্রতিনিধি ও স্থানীয় যুবসমাজ।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে চনুমং মার্মা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। বান্দরবানে খেলাধুলার মান উন্নয়ন এবং তরুণদের প্রতিভা বিকাশে জেলা পরিষদ সবসময় পাশে থাকবে।

আয়োজক ক্লাবের প্রতিনিধিরা জানান, স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখা এবং যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই গুণী ব্যক্তিত্বকে সংবর্ধনা জানাতে পেরে তারা আনন্দিত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লিটল স্টার ক্লাবের সভাপতি থুইসিং প্রু লুভু, দাবা ক্লাবের সভাপতি রত্নজয় তঞ্চঙ্গ্যা, টেবিল টেনিস ক্লাবের সভাপতি মং মং প্রু মার্মা, জাদিতং ক্লাবের সভাপতি উক্যসিং মার্মা সহ বিভিন্ন ক্লাবের খেলোয়াড়, স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী এবং যুব সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় ক্রীড়া উন্নয়নে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় ছাগল আটকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াকে কেন্দ্র করে শত্রুতার জেরে এক কৃষকের ফলন্ত করলা ক্ষেত কেটে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানাধীন ৩নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ি পাথর ফাটা মন্দির এলাকায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক প্রশান্ত সেন ওই এলাকার মৃত মোহিনী সেনের ছেলে। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবেশীর একটি ছাগল করলা ক্ষেতে ঢুকে ফসল নষ্ট করায় তিনি ছাগলটি আটক করে মালিককে খবর দেন। কিন্তু ছাগলের মালিক তা ফেরত নিতে না আসায় পরে তিনি ছাগলটি স্থানীয় খোয়ারে সোপর্দ করেন। প্রশান্ত সেনের অভিযোগ, ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ছাগল খোয়ারে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ছাগলের মালিকপক্ষের লোকজন বা দুর্বৃত্তরা রাতের কোনো এক সময় তাঁর করলা ক্ষেতের গাছ কেটে ফেলে। পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে ক্ষেতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ফলন্ত করলা গাছগুলো কেটে মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, “দশ শতক জমিতে করলা চাষ করেছি। এ পর্যন্ত আমার প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু মাত্র ১ হাজার টাকার করলা বিক্রি করতে পেরেছি। ক্ষেতের গাছগুলো কেটে ফেলায় আমি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।” তিনি আরও জানান, এলাকায় কারও সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ বা শত্রুতা নেই। তবে ছাগল আটক ও খোয়ারে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে আমার ধারণা। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে রুহিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাসিরুল আলম বলেন, ক্ষেতটি পরিদর্শনের জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক লিখিত আবেদন করলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

বান্দরবান বাস স্টেশন এলাকায় সড়ক ও জনপথের জমি দখলের অভিযোগ মোঃ মহসিনের বিরুদ্ধে, পানি নিষ্কাশনে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
বান্দরবান বাস স্টেশন এলাকায় সড়ক ও জনপথের জমি দখলের অভিযোগ মোঃ মহসিনের বিরুদ্ধে, পানি নিষ্কাশনে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

বান্দরবান বাস স্টেশন এলাকায় সড়ক ও জনপথের জমি দখলের অভিযোগ মোঃ মহসিনের বিরুদ্ধে, পানি নিষ্কাশনে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান বাস স্টেশন এলাকায় সড়ক ও জনপথ সওজ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত ভূমি দখল করে অবৈধভাবে দোতলা টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মোঃ সাত্তারের ছেলে মোঃ মহসিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে। মহাসড়কের রাইট অব ওয়ে ROW এবং পার্শ্ববর্তী সংলগ্ন সড়ক বিভাগের জমিতে এই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ফলে জনসাধারণের চলাচলে ভোগান্তির পাশাপাশি মেস্কি খালের পানি নিষ্কাশন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযুক্ত মোঃ মহসিন উদ্দিনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই জায়গাটি বান্দরবান জেলা পরিষদের বাজার ফান্ড থেকে লিস নিয়েছি। কিন্তু জায়গার কাগজ আছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জায়গার কাগজ জেলা যুবদলের নেতা মোঃ মাসুম এর কাছে আছে বলে নিশ্চিত করেছেন। মোঃ মহসিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরেজমিনে বান্দরবান জেলা পরিষদের বাজার ফান্ডের দায়িত্বরত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেখানে মোঃ মহসিনের নামে কোনো ধরণের বরাদ্দ বা লিস এর দেখা মেলেনি।

এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা জানান, এভাবে যদি প্রতিনিয়ত পানি নিস্কাশনের জায়গাজমি দখল বানিজ্য চলতেই থাকে তবে পর্যটন নগরী ও পাহাড়ি কন্যা বান্দরবান বারবার বন্যায় প্লাবিত হয়ে জেলার সৌন্দর্য হুমকির মুখে পড়বে। এখনই সময় এসেছে সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের নিয়মিত তদারকি ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে জেলার সৌন্দর্য হুমকির মুখে ঠেলে না দিয়ে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল জীবনে ফিরিয়ে আনা। ইতিমধ্যে মেক্সি খাল উদ্ধারের জন্য স্থানীয় সচেতন মহলের মাধ্যমে বান্দরবান জেলা পরিষদ ও পৌর প্রশাসক বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের ২১+৬২০ মিটার চেইনেজে সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে এই পাকা ও টিনশেড দোতলা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন মহাসড়কের জায়গায় এভাবে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে স্থাপনা তৈরি করায় মহাসড়ক আইন, ২০২১-এর বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আইন অনুযায়ী, মহাসড়কের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে বা সরকারি অধিগ্রহণকৃত জমিতে পূর্বানুমতি ছাড়া যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া ঘটনাস্থল সংলগ্ন মেস্কি খালের ওপর এই অবৈধ দখলের নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা ও মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

অবৈধ এই স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মো নাজিম উদ্দীন উপ সহকারী প্রকৌশলী বান্দরবান শাখা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা না হলে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।