খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বমু রিজার্ভ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মুরশিদা বেগম: সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে হুমকি দিলেন সাংবাদিকদের।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
বমু রিজার্ভ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মুরশিদা বেগম: সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে হুমকি দিলেন সাংবাদিকদের।

বমু রিজার্ভ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মুরশিদা বেগম: সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে হুমকি দিলেন সাংবাদিকদের।

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি:

 

বান্দরবানের লামা বন বিভাগের অধীন বমু বিট রিজার্ভ বনাঞ্চলের সংরক্ষিত জমি দখল করে পাকা ভবন ও নতুন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংরক্ষিত ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেত্রী মুরশিদার বিরুদ্ধে। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

 

উল্লেখ, যেখানে সাধারণ মানুষ রিজার্ভ বনভূমিতে ছোট একটি ঘর নির্মাণ করলেই বন বিভাগের মামলার মুখে পড়েন এবং অনেক ক্ষেত্রে স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়, সেখানে প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে মুরশিদার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

 

সাংবাদিকদের হাতে থাকা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সংবাদ সংগ্রহে গেলে মুরশিদা উত্তেজিত আচরণ করেন এবং সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিভিন্ন হুমকিমূলক বক্তব্য দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তিনি সাংবাদিকদের ‘বেঁধে রাখার’ ও ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “কার অনুমতি নিয়ে এখানে ঢুকছেন?” এবং দাবি করেন, “ফরেস্টরও এখানে আসতে হলে আমার অনুমতি নিয়ে আসে।”

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট বমু বিট কর্মকর্তা রনি পারভেজ এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান প্রয়োজনীয় লোক বলের অভাবে রিজার্ভ খেকো আওয়ামী ফ্যাসিস্ট মহিলা মেম্বারের অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ করা সম্ভব হচ্ছে না।তিনি আরও বলেন এ কার্যক্রম চালাতে হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা প্রয়োজন।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, রিজার্ভ বনাঞ্চলের ভেতরে একটি পাকা ভবনের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া আরেকটি নতুন ঘরের নির্মাণকাজও চলমান। ভবন নির্মাণের জন্য মাটি কাটার চিত্রও স্থানীয়দের কাছে রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, বিষয়টি শুধু বনভূমি দখলের অভিযোগ নয়; বরং এটি প্রভাব খাটিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারের প্রশ্নও। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

রেমবো ত্রিপুরা,থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস (CRS) এর সহযোগিতায়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা থানচি উপজেলার সদর ও বলিপাড়া ইউনিয়নে অতি বৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ প‌রিবারকে খাদ্য সহায়তা চাল, মুসর ডাল, লবণ, তেল, আলু, বিস্কুট ও পানি বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ কার্যক্রম আয়োজন করেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল।

 

সোমবার থানচি উপজেলার সদরের ৭৭ ও বলিপাড়া ইউনিয়নের ১৬৩ পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অং প্রু ম্রো, বলিপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে ১,২,৩ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার গোপাদেবী চাকমা, বাগান পাড়ার কারবারি উশিমং মারমাসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বন্যা পরবর্তী সময়ে এ সকল নিত্য প্রয়োজণীয় উপকরণ পেয়ে উপকারভোগীরা স্বস্তি বোধ করেন এবং কারিতাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল থানচি উপজেলার মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গমেজ ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীদের সহায়তায় প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ করেছে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল।

 

দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে গবাদিপশুর খাদ্যসংকট এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার খামারি ও পশুপালকরা প্রয়োজনীয় প্রাণিখাদ্য এবং পশুর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।

 

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বন্যার কারণে অনেক খামার ও গবাদিপশুর খাদ্য মজুদ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকার কারণে পশুর বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে দাঁড়াতে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

 

এ সময় খামারিদের গবাদিপশুর সঠিক পরিচর্যা, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শও প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা। পাশাপাশি কোনো পশু অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

 

স্থানীয় উপকারভোগীরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বন্যার কারণে গবাদিপশু রক্ষা ও খাদ্য জোগান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের সহায়তা তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নির্দেশনা ও বরাদ্দের আওতায় সহায়তা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, (চট্টগ্রাম):

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ২নং সাধনপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দুর্গত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব হারুনুর রশিদ মোল্লা। তাঁর পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত বিভিন্ন পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের উদ্দেশ্যে এই সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে ওঠে।

 

সহায়তা বিতরণকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পাবে।

 

হারুনুর রশিদ মোল্লার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা তাঁর নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বন্যাদুর্গত মানুষের এই সংকটময় সময়ে সামান্য সহায়তার মাধ্যমে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনের সময়ে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

সহায়তা পাওয়া কয়েকজন উপকারভোগী জানান, বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন সময়ে পাওয়া এই সহায়তা তাদের জন্য অনেকটাই স্বস্তির এবং এটি তাদের কঠিন সময় মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

 

স্থানীয়দের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সচেতন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।