খুঁজুন
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানকে পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
বান্দরবানকে পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানকে পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত বান্দরবান পার্বত্য জেলাকে আন্তর্জাতিক মানের একটি পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বান্দরবান পৌরসভার চারপাশের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বচক্ষে পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে এক ঝটিকা পরিদর্শন পরিচালনা করেছেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি। পরিদর্শনকালে তিনি শহরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও পরিচ্ছন্নতা কাজের তাগিদ দিয়ে সংশ্লিষ্টদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

সড়ক ও অবকাঠামো মেরামত: ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল রোড সংলগ্ন সড়কের খানাখন্দ এবং ভগ্নদশা দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

 

৩ নং ওয়ার্ডের কালাঘাটা এলাকার চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় যত্রতত্র জমা হওয়া ময়লা-আবর্জনা ও আগাছা দেখে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা পরিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

 

শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং যানজট নিরসনে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে সরকারি খাসজমি ও সড়কের ওপর গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স্থাপনা দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপসারণ করে দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

রোয়াংছড়ি বাস টার্মিনাল এলাকার সুপেয় পানির সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও নিম্নমানের যাত্রীসেবা দেখে দুঃখ প্রকাশ করে মন্ত্রী যাত্রীসাধারণের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন।

 

পর্যটক ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে প্রধান ডাকঘরের নিকট থানচি বাস স্ট্যান্ড এবং রুমা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন পৃথক দুটি স্থানে অত্যাধুনিক ও পরিচ্ছন্ন ‘পাবলিক টয়লেট’ নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ সানিউল ফেরদৌস, বান্দরবান স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম মনজুরুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাতসহ জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রতিনিধিরা।

 

পরিদর্শন শেষে আশাবাদ ব্যক্ত করে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, “সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও স্থানীয় জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতায় অতি দ্রুত বান্দরবান একটি পরিচ্ছন্ন, সুসংগঠিত ও মডেল পর্যটন নগরী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।”

বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ট্রাকভর্তি ওষুধসহ ৩জন আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ট্রাকভর্তি ওষুধসহ ৩জন আটক

বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ট্রাকভর্তি ওষুধসহ ৩জন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ তুমব্রু বিওপির আভিযানিকদল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী কাস্টমস মোড় এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি ট্রাকের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বিজিবি সদস্যরা ট্রাকটি থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ জব্দ করে এবং পাচারের সাথে জড়িত ৩ জনকে আটক করে। জব্দকৃত ওষুধের আনুমানিক সিজারমূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।

 

আটক ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পুরাতন পল্লান পাড়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে মোঃ হারুন মিয়া, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার উত্তর ঘুমধুম বড়ুয়া পাড়া গ্রামের বিপন বড়ুয়ার ছেলে জিদান বড়ুয়া এবং কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার টিএনটি এলাকার মোঃ জয়নালের ছেলে মোঃ আকছার।

 

আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ জানা যায়, তারা ওষুধগুলো মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহন করে নিয়ে যাচ্ছিল। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ওষুধসহ অন্যান্য মালামালের তালিকা প্রস্তুত ও যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পাহাড়ের ৩ কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর বিবৃতির জবাবে সচেতন নাগরিক সমাজের যৌথ প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
পাহাড়ের ৩ কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর বিবৃতির জবাবে সচেতন নাগরিক সমাজের যৌথ প্রতিবাদ

পাহাড়ের ৩ কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর বিবৃতির জবাবে সচেতন নাগরিক সমাজের যৌথ প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গঠিত উচ্চপর্যায়ের তিন কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য বিবৃতি দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’। সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, নির্বাহী কমিটি ও পরামর্শক কমিটি গঠনের সরকারি প্রজ্ঞাপন ঘিরে ৫১/৫২ জন বুদ্ধিজীবী ও নাগরিকের একাংশের বিবৃতির জবাবে ১০২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই যৌথ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে আহ্বায়ক কাজী মোঃ মজিবর রহমান জানান, বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা নিরসন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বস্তরের জনগোষ্ঠীর সুষম উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অত্যন্ত গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার প্রদান করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতেই সরকার এই গঠনমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

 

যৌথ বিবৃতিতে সচেতন নাগরিক সমাজ উল্লেখ করে, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তি চুক্তির পূর্ণাঙ্গ সুফল পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি-বাঙালি সকল সাধারণ মানুষ যাতে সমানভাবে ভোগ করতে পারেন, সেজন্য প্রশাসনিক দক্ষতা ও বাস্তবমুখী তদারকি জোরদার করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। সরকারের এই প্রশাসনিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি ঘটানো, গুম-খুন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ করা এবং সাধারণ নাগরিকের জীবন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় কমিটি গঠন এবং অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কাঠামোর সহায়তায় এ সংস্কার কাজ পরিচালনাকে অহেতুক “সামরিকায়ন” বা “আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ব” বলে আখ্যায়িত করা বাস্তবতার অপলাপ এবং নৈরাজ্য জিইয়ে রাখার পুরনো কৌশল মাত্র।

 

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, পার্বত্য অঞ্চলের কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রতিনিধিত্ব সংকুচিত করার দূরভিসন্ধি সরকারের নেই। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পাহাড়ের অস্থিতিশীলতা রোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি আসন থেকে প্রাপ্ত জনরায়ের ওপর ভিত্তি করেই সরকার জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে হাত দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, গঠিত পরামর্শক ও নির্বাহী কমিটি আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি, নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার নিয়ে সুপারিশ পেশ করবে।

 

সচেতন নাগকিক সমাজের প্রতিনিধিরা আরও জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র দলগুলোর অবৈধ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বহিঃশত্রুর নানাবিধ অপতৎপরতা নস্যাৎ করতেই এই সুসংহত কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণ উপজাতি কিংবা বাঙালি জনগোষ্ঠীর নাগরিক সুবিধা হরণ করার কোনো উদ্দেশ্য এতে নেই। নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘রেইনবো নেশন’ গঠনের অঙ্গিকার রক্ষায় পাহাড়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

 

স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য সমস্যা নিরসনে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, বর্তমান সরকার সকল নাগরিকের মৌলিক সমস্যা সমাধানে তার একটি গতিশীল ও বাস্তবায়নযোগ্য আধুনিক রূপরেখা দাঁড় করাতে চায়। নিরাপত্তার বিষয়টিকে কেবল ‘নিরাপত্তার চশমা’ দিয়ে না দেখে, পাহাড়ে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষের বেঁচে থাকার ন্যূনতম গ্যারান্টি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।

 

পরিশেষে, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পাহাড়ে পুনরায় অস্থিতিশীলতা তৈরি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তারা। একই সাথে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী শান্তিকামী উপজাতি ও বাঙালি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পাহাড়ের মূল সমস্যা সমাধানে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।

 

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আসিফ মিজান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. গোলাম রহমান ভূঁইয়া, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) হাসিনুর রহমান, লে: কর্নেল (অব:) খন্দকার ফরিদুল আকবর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবু তৈয়ব চৌধুরীসহ সমাজসেবী, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, উন্নয়নকর্মী ও পার্বত্য অঞ্চলের শতাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বান্দরবানে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ শুরু

বান্দরবানে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান পুলিশ লাইন্স মাঠে আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ‘প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’। যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখা এবং খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

 

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহাবুল ইসলাম খন্দকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, “যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে দূরে রাখতে এবং খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার জন্যই এই কাবাডি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ দল নির্বাচিত হবে এবং তারা পরবর্তীতে চট্টগ্রামে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা, বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু এবং জেলা ক্রীড়া অফিসার রেজাউল করিম। এছাড়া অনুষ্ঠানে পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী দর্শনার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আয়োজকরা জানান, এবারের এই প্রতিযোগিতায় বান্দরবান জেলার মোট ছয়টি পুরুষ কাবাডি দল এবং দুটি মহিলা কাবাডি দল অংশ নিচ্ছে। উদ্বোধনী দিনে দর্শকদের উপস্থিতিতে মাঠের পরিবেশ ছিল বেশ উৎসবমুখর।