খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনের সংঘাতময় পরিস্থিতি নিরসন, স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা জোরদার, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বান্দরবান সদর উপজেলার হিলভিউ কনভেনশন হলরুমে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ: ২২ই জুলাই বুধবার একাধিক সংবাদমাধ্যমের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং চট্টগ্রাম থেকে আগত সাংবাদিকরা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোঃ মুজিবুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াত ইসলামি বান্দরবান জেলার আমির মো আবদুল সালাম আজাদ, বান্দরবান জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক অধ্যাপক মো: ওসমান গনি, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো: মজিবুর রশিদ, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো জসিম উদ্দিন তুশার, সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিনারুল হক, বান্দরবান আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু জাফর। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ববৃন্দ এবং চট্টগ্রাম থেকে আগত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভার মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ

স্থায়ী শান্তি ও সংঘাত নিরসন: বক্তারা পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি বজায় রাখতে এবং সকল প্রকার সংঘাত দূর করতে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নিরাপত্তা জোরদার: পাহাড়ি জনপদে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করা হয়।

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা: সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং আগামী দিনে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি ও জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়।

ভূমি ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ: পাহাড়ে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অপরিকল্পিতভাবে ব্যবহার না করে এর টেকসই ও সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজক ও মিডিয়া পার্টনারবৃন্দ আয়োজক পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টাল: দৈনিক দেশ বর্তমান, জাগো জনতা, হ্যালো বাংলা, দৈনিক বান্দরবান বার্তা,

মিডিয়া পার্টনার: সকালের সময়, পার্বত্যবাদী, বার্তা টুডে, চ্যানেল সিএইচটি, চট্টগ্রাম সারাদিন, সময়ের নিউজ, লোঙ্গর।

সভা শেষে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে বান্দরবানের সার্বিক পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং শান্তি ও সম্প্রীতির ধারা বজায় থাকবে।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

রেমবো ত্রিপুরা,থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস (CRS) এর সহযোগিতায়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা থানচি উপজেলার সদর ও বলিপাড়া ইউনিয়নে অতি বৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ প‌রিবারকে খাদ্য সহায়তা চাল, মুসর ডাল, লবণ, তেল, আলু, বিস্কুট ও পানি বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ কার্যক্রম আয়োজন করেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল।

 

সোমবার থানচি উপজেলার সদরের ৭৭ ও বলিপাড়া ইউনিয়নের ১৬৩ পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অং প্রু ম্রো, বলিপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে ১,২,৩ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার গোপাদেবী চাকমা, বাগান পাড়ার কারবারি উশিমং মারমাসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বন্যা পরবর্তী সময়ে এ সকল নিত্য প্রয়োজণীয় উপকরণ পেয়ে উপকারভোগীরা স্বস্তি বোধ করেন এবং কারিতাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল থানচি উপজেলার মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গমেজ ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীদের সহায়তায় প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ করেছে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল।

 

দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে গবাদিপশুর খাদ্যসংকট এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার খামারি ও পশুপালকরা প্রয়োজনীয় প্রাণিখাদ্য এবং পশুর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।

 

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বন্যার কারণে অনেক খামার ও গবাদিপশুর খাদ্য মজুদ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকার কারণে পশুর বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে দাঁড়াতে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

 

এ সময় খামারিদের গবাদিপশুর সঠিক পরিচর্যা, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শও প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা। পাশাপাশি কোনো পশু অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

 

স্থানীয় উপকারভোগীরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বন্যার কারণে গবাদিপশু রক্ষা ও খাদ্য জোগান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের সহায়তা তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নির্দেশনা ও বরাদ্দের আওতায় সহায়তা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, (চট্টগ্রাম):

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ২নং সাধনপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দুর্গত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব হারুনুর রশিদ মোল্লা। তাঁর পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত বিভিন্ন পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের উদ্দেশ্যে এই সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে ওঠে।

 

সহায়তা বিতরণকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পাবে।

 

হারুনুর রশিদ মোল্লার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা তাঁর নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বন্যাদুর্গত মানুষের এই সংকটময় সময়ে সামান্য সহায়তার মাধ্যমে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনের সময়ে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

সহায়তা পাওয়া কয়েকজন উপকারভোগী জানান, বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন সময়ে পাওয়া এই সহায়তা তাদের জন্য অনেকটাই স্বস্তির এবং এটি তাদের কঠিন সময় মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

 

স্থানীয়দের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সচেতন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।