খুঁজুন
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি চনুমং মারমা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি চনুমং মারমা।

বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি চনুমং মারমা।

বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি চনুমং মারমা।

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি।

বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের নানা ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বান্দরবানে উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন চনুমং মারমা।

সোমবার সকালে মাষ্টার গেষ্ট হাউজ সভা কক্ষে এক জরুরি সভায় এই দ্বায়িত্ব দেয়া হয়।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকালে উজানী পাড়া উপজাতীয় নবোদয় সংঘ (উনস) হল রুমে এক জরুরি সভায় উৎসব উদযাপন পরিষদের বর্তমান সভাপতি অংচমং মারমা স্বেচ্ছায় কমিটি থেকে অব্যাহতি নেন। একই দিনে উৎসব উদযাপন পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানানো হয়।

 

আগামী এপ্রিল মাসে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান মাহা:সাংগ্রাই পোয়ে: জলকেলী উৎসব উদযাপনকে ঘিরে উদযাপন পরিষদের সভাপতি পদটি শুন্যতা দেখা দেয়। পরে কমিটি সদস্যরা এক জরুরি বৈঠকের আলোচনা সভায় সহ-সভাপতি চনুমং মারমাকে কমিটি সদস্যদের সিদ্ধান্তনুযায়ী উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচিত করা হয় ও সেদিনে চনুমং মারমা নিজ দ্বায়িত্ব গ্রহন করেন তিনি

এছাড়াও কার্যনির্বাহী পরিষদের পদে রদলবদল ও শুন্যস্থান পূরণে লক্ষ্যে সহ-সভাপতি পদে ৩ জন, যুগ্ম সম্পাদক পদে ২ জন, অর্থ সম্পাদক পদে ১জন ও কার্য নির্বাহী সদস্য ৩ জন সহ ২১ জন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়।

এবিষয়ে উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি চনুমং মারমা বলেন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মাহা সাংগ্রাই পোয়েঃ উদযাপন উপলক্ষ্যে বান্দরবানে উৎসব উদযাপন পরিষদ জনসাধারণের আলোচনা মাধ্যমে সকল কর্মসূচি গ্রহন করা হবে, যাতে করে এই উৎসবটি সুষ্ঠুভাবে সমাপ্তি ঘটবে।

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে সুধীজনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

সাতকানিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কোঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সাথে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার সুধীজনদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহেসান মৌলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোঁওচিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার ফরিদুল আলম, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও অভিভাবক প্রতিনিধি নাসির উদ্দীন এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ শাহাদাত। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকবৃন্দ।

 

সভায় বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি আদর্শ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। নবগঠিত এডহক কমিটি বিদ্যালয়ের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় উন্মুক্ত আলোচনায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরে এডহক কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

সখিপুরে শাহনাজ নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু, বাবার দাবী হত্যা, স্বামী বলছে আত্মহত্যা, থানায় অপমৃত্যু মামলা

মোঃ আঃ লতিফ মিয়া টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

 

টাঙ্গাইলের সখিপুর ফাঁসিতে ঝুলে শাহনাজ (২৮) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়।

 

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুৃমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

 

গৃহবধূ শাহনাজ উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বানিয়ারসিট পূর্বপাড়া নুরজামাল এর স্ত্রী । নুরজামাল ওই গ্রামের মৃত সায়েম উদ্দিন এর ছেলে।

 

শাহনাজ উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের চকচকিয়া শ্রীপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার দিন শাহনাজের স্বামীর পরিবার সখিপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানা যায়।

 

আরো জানা যায়, স্ত্রী শাহানাজের আকস্মিক এরকম মৃত্যুর পর স্বামী নুরজামালের আচরণে-অনুভূতিতে বিশেষ কোনো অনুশোচনার চিহ্ন পাওয়া যায় নাই। ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করার পর লাশটি পুলিশ আসার পূর্বেই স্বামীর পরিবারের সদস্যরা ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে ছিল বলে জানা যায়।

 

এদিকে এ বিষয়ে মৃত শাহনাজের বাবা আব্দুল আজিজ  জানান, গত প্রায় ১২ বছর পূর্বে  নূরজামালের সাথে আমার মেয়ের বিবাহ হয়। মাঝে মধ্যেই তাদের সাথে ঝগড়া বিবাদ হতো বলে আমার মেয়ে জানাত। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে সে সব বিষয় নিয়ে অনেক সালিশি বৈঠক হয়।

 

তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে খুবই শান্ত স্বভাবের ছিল। ছোটখাটো অনেক ঘটনাই ঘটছে, কিন্তু আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জানাইতো না। আমার মেয়ে সারাদিন কাজ করতো , স্বামীর গরু ও মুরগির খামার আমার মেয়েই সামলাতো। কাজ করতে করতে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলো। আমার মেয়ে সংসারী ছিল। তার দুটি শিশু বাচ্চা রেখে সে কখনো আত্মহত্যা করতে পারে না।

 

শাহনাজের বাবা আরো বলেন, সাংসারিক বিষয়ের ভালো-মন্দ কোন বিষয়েই মেয়ের জামাই কোনো সংবাদ আমাদের জানাতোনা। এমনকি মেয়েকে আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগও করতে দিত না।

 

মেয়ের জামাই ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়ে সুস্থ -সবল শাহনাজের মাথায় সমস্যা এমন মিথ্যা অপবাদও দিচ্ছে। আমার মেয়েকে তারা হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।

 

নিহত শাহনাজের স্বামী নুর জামাল ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে বলেন, শাহনাজের মাথায় সমস্যা ছিল। গত বৃহস্পতিবার শাহানাজ ঘরের ভেতর দড়ি দিয়ে ঝুলে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

এ বিষয়ে সখিপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,  থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

রুমায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত: বিচার চেয়ে চার যুবকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলার ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের -১ নং ওয়ার্ডের তংমক পাড়া এলাকায় এক মারমা কিশোরীকে একই সম্প্রদায়ের চার যুবক মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে জোরপূর্বক ওষুধ সেবন করিয়ে গর্ভপাত করানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযুক্তরা হলেন- ক্যহ্লাচিং মারমা-র ছেলে ক্যসিংনু মারমা, ঞোচিংঅং মারমা-র ছেলে উহাইমং মারমা, মংচ মারমা-র ছেলে সিংহ্লা মারমা ও মৃত মংচহ্লা মারমা-র ছেলে উশৈনু মারমা।

 

ভুক্তভোগী কিশোরীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে ক্যহ্লাচিং মারমার ছেলে ক্যসিং নু মারমা তাকে ধর্ষণ করেন। পরদিন উহাইমং মারমা ও সিংহ্লা মারমা এবং পরবর্তীতে উশৈনু মারমা নামে এক যুবকও তাকে ধর্ষণ করেছেন বলে ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, উশৈনু মারমা একজন সন্তানের বাবা।

 

ভুক্তভোগী কিশোরীর বক্তব্য অনুজায়ি ঘটনার প্রায় চার মাস পর উহাইমং মারমা তাকে এক পাতা গর্ভপাতের ট্যাবলেট দেন। ওই ট্যাবলেট খাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে বিষয়টি তার মা-বাবার কাছে প্রকাশ পেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বান্দরবানে পাঠানো হয়।

 

পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন থাকার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে কিশোরীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসার মাধ্যমে তার গর্ভধারণ ও পরবর্তী জটিলতার বিষয়টি পরিবারের কাছে প্রকাশ পায় বলে তারা দাবি করেছেন। পাড়াবাসীর কাছ থেকেও বিষয়টি সম্পর্কে তারা জানতে পেরেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি ওয়ার্ড সদস্য মংছো মারমার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ স্থাপনে সমস্যার কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

অন্যদিকে, পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে তিনি অবগত তবে ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার বা স্বজনদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত তাকে কিছুই জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

এদিকে, ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কিশোরীর বাবা গত -১২ সেপ্টেম্বর রুমা থানায় গিয়ে মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

এ বিষয়ে রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস বড়ুয়াকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রায় দুই দিন আগে রুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি তাকে ফোনে অবহিত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি। মামলা বা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।