খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানে রাজ পরিবারের সদস্যদের বসতঘরে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে রাজ পরিবারের সদস্যদের বসতঘরে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন।

বান্দরবানে রাজ পরিবারের সদস্যদের বসতঘরে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন।

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি।

রাজ পরিবারের সদস্য ১৩তম বোমাং রাজা ক্যজসাই চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ পুত্রের তৃতীয় স্ত্রীর ২য় সন্তান এবং বর্তমান বোমাং রাজা উচপ্রু এর ছোট ভাই এবং সাবেক সরকারি কর্মকর্তা মংসাপ্রু চৌধুরীর বসত ঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।
আজ মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল ১১টায় বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন রাজ পরিবারের সদস্যরা। এই সময় মংসাপ্রু চৌধুরী লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন বান্দরবান সদরে পৌর এলাকায় ২৩০নং খতিয়ানের ৯ একর ৩৮ শতক পরিমাণ জায়গা আছে যা দলিলে “ফ্যামিলি কমন” প্রপার্টি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। প্রয়াত ১৪তম বোমাং রাজা উ মংশৈত্রু চৌধুরী বেঁচে থাকাকালীন সময়ে ১৯৮০/৮১সালে স্পষ্টভাবে লিখে গেছেন যে, বোমাং রাজ পরিবারের ওয়ারিশগণ এই জায়গায় বসবাস করতে পারবে। উক্ত জায়গায় উপর ইতিমধ্যে বহিরাগত অজিত দাশের পরিবার এবং রাজ পরিবারের কিছু সদস্য বসত বাড়ি নির্মাণ করে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছে। আমি সরকারি চাকুরি করে গত ২৫শে জুলাই ২০২৪ সালে অবসর গ্রহণ করি। বান্দরবানে আমার নিজস্ব কোন ঘর বাড়ি না থাকায় বোমাং সার্কেল চিফ রাজ পরিবারের উত্তরাধিকারী হিসেবে পরিত্যক্ত জায়গায় বসবাসের জন্য একটি কাঁচা টিন সেডের ঘর নির্মাণ করি। ঘর নির্মাণের পর হতে আমাকে আমার চাচা, চাচাতো ভাই, মামাতো ভাইরা আমার নামে রাজার কাছে ও থানায় অভিযোগ করে এবং হুমকি প্রদান করে আসছেন। এর প্রেক্ষিতে সমস্যা সমাধানের জন্য বান্দরবান সদর থানার ওসি সাহেবের কক্ষে সালিশ বসা হয় সেখানে রাজ পরিবারের উত্তরাধিকারীর যে কয়জন উপস্থিত ছিলেন জনাব হ্লাপ্রু জেমি, জনাব মংঙে, জনাব সাশৈত্রু, জনাব সাচক্র (মংনু), জনাব টিমংপ্রু ও রাজা অফিস সহকারী অংজাই খ্যাং। সালিশে উপস্থিত সকলের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত হয় যে, রাজার উপস্থিতিতে এবং প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রাজ পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই এই সমস্যার সমাধান ও মীমাংসা করা হবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় গত ১০-০৩-২০২৫ইং তারিখ রাতের অন্ধকারে আনুমানিক ২:৩০ ঘটিকায় আনুমানিক ৪০-৫০জন বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী দা, করাত, রদ, লাঠি নিয়ে আমার নির্মিত বসত ঘরটিকে ভাঙচুর করে তছনছ করে ফেলে যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল এবং ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ আছে। আমি এই হামলাকে নিন্দা জানাই এবং এর সুষ্ঠু বিচার চাই। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতার ভুগছি। গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে জানাতে চাই আমি আমার নিরাপত্তাসহ ও এই ঘটনার সাথে যারা সম্পৃক্ত আছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার জন্য আইন-শৃঙ্খলা ও প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ ও বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধকরণে রোয়াংছড়িতে উঠান বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

 

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং ইউনিয়নের নাছালং পাড়ায় তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ এবং তামাকের বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ সুমন কুমার বসাক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব চনুমং মারমা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রোয়াংছড়ি উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ এহসানুল হক।

 

এ সময় এলাকার তামাক চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। বক্তারা তামাক চাষের ফলে মাটি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব এবং তামাক চাষে কৃষকের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তামাকের পরিবর্তে ধান, শাকসবজি, ফলমূলসহ বিভিন্ন লাভজনক ও পুষ্টিকর ফসল চাষের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাহাড়ি এলাকার মাটি ও জলবায়ু উপযোগী বিকল্প ফসল চাষের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে এগিয়ে আসার জন্য কৃষকদের আহ্বান জানানো হয়।

 

উঠান বৈঠকে স্থানীয় তামাক চাষিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা তামাক চাষ থেকে বেরিয়ে এসে বিকল্প ও লাভজনক ফসল চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তার বিষয়ে কৃষকদের আশ্বস্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে চারজন গণমাধ্যমকর্মী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

উঠান বৈঠক শেষে নাছালং পাড়ায় ঝুম ধানের নমুনা শস্য কর্তন করা হয়। এ সময় পাহাড়ি কৃষির সম্ভাবনা, ঝুম চাষের আধুনিকায়ন এবং কৃষকের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।

 

তামাক চাষের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং কৃষকদের বিকল্প ফসল চাষে উৎসাহিত করার মাধ্যমে রোয়াংছড়ির পাহাড়ি কৃষিতে নিরাপদ, টেকসই ও লাভজনক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

রুহিয়ায় প্যারাগন ফার্মের বর্জ্যরে কারণে কৃষকদের ফসল নষ্টের অভিযোগ স্থায়ী সমাধানের দাবি

‎মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় প্যারাগন শালবাহান লিমিটেডের বর্জ্য পদার্থ কৃষিজমিতে ছড়িয়ে পড়ার কারণে একাধিক কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রুহিয়া উপজেলার ৩ নম্বর রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ী শালবাহান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, পূর্বে এই মিলের আশেপাশের জমিতে ফসলের তেমন কোনো ক্ষতি না হলেও, সম্প্রতি ফার্মটিতে নতুন একটি জৈব সার কারখানা চালুর পর থেকেই এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর আগে গত বছর বা তারও আগের ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মতে, সাময়িক ক্ষতিপূরণ দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, এর একটি স্থায়ী ও কার্যকর প্রতিকার প্রয়োজন। ভুক্তভোগী কৃষক মোস্তাফিজুর, গুলজার, নাসিরুল, রুহুল আমিন ও হেলাল জানান, বর্জ্য পদার্থের প্রভাবে বর্তমানে তাদের প্রায় ৩ একর জমির করলা খেত নষ্ট হওয়ার পথে। এ বিষয়ে প্যারাগন শালবাহান ফার্মের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম বলেন, কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে একজন কৃষি কর্মকর্তা ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন। তিনি পরিদর্শনের বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিলে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি, এই সমস্যা সমাধানে কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যায় কি না, সেটিও তাদের বিবেচনায় রয়েছে।

বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বমুবিলছড়ি হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি

 

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হেব্রন খ্রিস্টান স্কুল মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে বালক ও বালিকা দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি, মালুমঘাট, চকরিয়ার সভাপতি মনতাজন ত্রিপুরা; বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন; উপদেষ্টা মো. নুরুল আবছার; শহীদ আবদুল হামিদ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল মোস্তফা; লামা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব চৌধুরী মো. সুজন; বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুল হক; ৪ নম্বর বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুর রহমান এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুপ্রভাত ত্রিপুরা।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হেব্রন খ্রিস্টান স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা স্মীতা ত্রিপুরা।

 

ফাইনাল খেলাকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।