খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

ভারতের প্রতি অভিমানে, চীনের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
ভারতের প্রতি অভিমানে, চীনের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ

ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মোক্ষম সুযোগ নিয়েছে চীন। পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আরও কাছে টানতে সক্রিয় হয়েছে দেশটি।

হয়তো এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল চীন। বিএনপির নেতৃত্বে ২২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে ১০ দিনের সফরে চীন পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন তারা। প্রতিনিধি দলে রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের কর্মী, বুদ্ধিজীবীসহ সাংবাদিকরাও রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর চীন সফর নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

চীন সফররত প্রতিনিধি দলের এক নেতা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন, সফরকালে তারা চীনের সরকারি কর্মকর্তা এবং ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে কূটনৈতিক উত্তেজনা ও দূরত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে, যার সুযোগে চীন ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার চেষ্টা করছে।

হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অন্যতম বড় বিরোধের কারণ হচ্ছে গত বছরের ৫ আগস্টের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় গ্রহণ। তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অর্থপাচারের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করলেও, দিল্লি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিএনপির সিনিয়র নেতা এবং বেইজিং সফররত প্রতিনিধি দলের প্রধান আব্দুল মঈন খান সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, এটি মূলত একটি সৌজন্যমূলক সফর, যা চীনের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবার চীন এমন একটি দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে।

বিএনপি ও ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব

প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে বিএনপি এবং তাদের মিত্র দলগুলোর নেতাদের সংখ্যা বেশি। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন এই দল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি।

এ ছাড়া, প্রতিনিধি দলে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের বেশ কয়েকজন নেতা রয়েছেন, যারা গত বছর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ শুরু করেন এবং শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সক্ষম হন।

শেখ হাসিনা ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

বিগত ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার সময় শেখ হাসিনা ভারতবান্ধব পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সঙ্গে তিনি চীনের সঙ্গেও সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। তবে তার পতনের পর চীন বাংলাদেশে নিজেদের কূটনৈতিক প্রভাব আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের আরও গভীর হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে জানুয়ারির একটি সফরে, যখন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বেইজিং গিয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।

বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও সামরিক সহযোগিতা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার, যার বেশিরভাগই চীনা রপ্তানি।

এ ছাড়া, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীও ব্যাপকভাবে চীনা অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে বাংলাদেশের সামরিক সরঞ্জামের ৭০ শতাংশের বেশি আসে চীন থেকে।

ভারতের নিষ্ক্রিয়তা ও বাংলাদেশে প্রভাব হারানোর আশঙ্কা

গত ছয় মাসে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের যোগাযোগ অনেকটাই সীমিত ছিল। অন্যদিকে, চীন বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে চলেছে।

বিএনপি গত ডিসেম্বরে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে, তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে এবং শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে।

জবাবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ কী ধরনের সম্পর্ক চায়, তা তাদেরই নির্ধারণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি নেতাদের কিছু মন্তব্য একেবারেই অযৌক্তিক।

পাল্টা জবাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টাও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায়।

আরও মজবুত হবে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের এই টানাপোড়েন ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ককে আরও মজবুত করছে। শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও নেপালের মতো বাংলাদেশও এখন ভারত-চীন কৌশলগত প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে চলে এসেছে।

বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ফেলো চীনা বিশ্লেষক ঝো বো বিবিসিকে বলেন, ভারতের উচিত পুরো উপমহাদেশকে তাদের ‘বাড়ির উঠান’ মনে না করা। এই মনোভাব ভারতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান কূটনৈতিক দূরত্ব চীনকে বাংলাদেশের ওপর আরও বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

রেমবো ত্রিপুরা,থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস (CRS) এর সহযোগিতায়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা থানচি উপজেলার সদর ও বলিপাড়া ইউনিয়নে অতি বৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ প‌রিবারকে খাদ্য সহায়তা চাল, মুসর ডাল, লবণ, তেল, আলু, বিস্কুট ও পানি বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ কার্যক্রম আয়োজন করেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল।

 

সোমবার থানচি উপজেলার সদরের ৭৭ ও বলিপাড়া ইউনিয়নের ১৬৩ পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অং প্রু ম্রো, বলিপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে ১,২,৩ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার গোপাদেবী চাকমা, বাগান পাড়ার কারবারি উশিমং মারমাসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বন্যা পরবর্তী সময়ে এ সকল নিত্য প্রয়োজণীয় উপকরণ পেয়ে উপকারভোগীরা স্বস্তি বোধ করেন এবং কারিতাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল থানচি উপজেলার মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গমেজ ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীদের সহায়তায় প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ করেছে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল।

 

দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে গবাদিপশুর খাদ্যসংকট এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার খামারি ও পশুপালকরা প্রয়োজনীয় প্রাণিখাদ্য এবং পশুর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।

 

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বন্যার কারণে অনেক খামার ও গবাদিপশুর খাদ্য মজুদ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকার কারণে পশুর বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে দাঁড়াতে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

 

এ সময় খামারিদের গবাদিপশুর সঠিক পরিচর্যা, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শও প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা। পাশাপাশি কোনো পশু অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

 

স্থানীয় উপকারভোগীরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বন্যার কারণে গবাদিপশু রক্ষা ও খাদ্য জোগান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের সহায়তা তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নির্দেশনা ও বরাদ্দের আওতায় সহায়তা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, (চট্টগ্রাম):

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ২নং সাধনপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দুর্গত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব হারুনুর রশিদ মোল্লা। তাঁর পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত বিভিন্ন পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের উদ্দেশ্যে এই সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে ওঠে।

 

সহায়তা বিতরণকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পাবে।

 

হারুনুর রশিদ মোল্লার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা তাঁর নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বন্যাদুর্গত মানুষের এই সংকটময় সময়ে সামান্য সহায়তার মাধ্যমে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনের সময়ে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

সহায়তা পাওয়া কয়েকজন উপকারভোগী জানান, বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন সময়ে পাওয়া এই সহায়তা তাদের জন্য অনেকটাই স্বস্তির এবং এটি তাদের কঠিন সময় মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

 

স্থানীয়দের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সচেতন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।