খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

রুহিয়ায় চিহ্নিত মাদক কারবারিদের ছবিসহ ব্যানার টাঙিয়ে যুবসমাজের প্রতিবাদ সভা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় চিহ্নিত মাদক কারবারিদের ছবিসহ ব্যানার টাঙিয়ে যুবসমাজের প্রতিবাদ সভা।

রুহিয়ায় চিহ্নিত মাদক কারবারিদের ছবিসহ ব্যানার টাঙিয়ে যুবসমাজের প্রতিবাদ সভা।

মোঃ আনোয়ার হোসেন রুহিয়া ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদক কারবারিরা। তাদের থাবায় ধ্বংসের মুখে পড়ছে স্থানীয় তরুণ ও যুবসমাজ। এই অবস্থায় যুবসমাজ ও এলাকাকে মাদকের মরণকামড় থেকে রক্ষা করতে এবং চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে এই আলোচনা সভার আয়োজন করেছে যুব সমাজ। স্থানীয়রা বলেন হয় মাদকের ব্যাবসা ছারতে হবে অন্যথায় মাদক ব্যবসায়ীদের এই নবগঠিত রুহুয়া উপজেলা ছেড়ে অন্য স্থানে চলে যাওয়ার জন্য অভিনব এক প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ১নং রুহিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ঘনিবিষ্ণুপুর বাঁশবাড়ী এলাকায় ‘মাদক নিয়ন্ত্রণ কমিটি ও বাঁশবাড়ী এলাকাবাসী’র যৌথ উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাবাসীর এই প্রতিবাদ সভায় মূল আকর্ষণ ছিল একটি বিশালাকার ব্যানার, যেখানে এলাকার চিহ্নিত চার মাদক কারবারির নাম ও ছবি প্রকাশ্য টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যানারে উল্লিখিত ব্যক্তিরা হলেন তথাকথিত ‘মাদক সম্রাট’ লাল মিঞা, ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ রেনু আক্তার, আমেনা খাতুন এবং ফাইমা আক্তার। প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই চক্রটি দীর্ঘ দিন ধরে অত্র এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে ভয়াবহ মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে। তাদের এই অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার যুবসমাজ সর্বনাশা মাদকের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং ধ্বংসের মুখে পড়ছে। এতে করে স্থানীয় পরিবারগুলোতে বাড়ছে অশান্তি, সেই সাথে এলাকায় চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, মাদক কারবারিদের এই সিন্ডিকেট অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পেত। কিন্তু এখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাওয়ায় যুবসমাজ ও এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছে। তারা অবিলম্বে এই চার মাদক কারবারিসহ তাদের পুরো চক্রটিকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এসময় উক্ত প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ বদিউজ্জামান, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ কমিটির সভাপতি আব্দুল মালেক মানিক, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রিপন, রুহিয়া উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ও যুবসমাজের প্রতিনিধি বক্তারা বলেন রহিয়া এলাকায় কোন মাদক কারবারি এবং মাদক সেবনকারী থাকবে না থাকতে দেওয়া হবেনা। এই মাদকের কারনে যুবসমাজ আজ ধংশের পথে। এ যুবসমাজকে রক্ষা করতে আমাদের যা যা করা দরকার আমরা করবো। এসময় বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অতি দ্রুত এই চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে না আনলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জামান বলেন রুহিয়া উপজেলাকে মাদক মুক্ত করতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা সবাই মিলেমিশে রুহিয়া উপজেলাকে মাদক মুক্ত করবো। এই ব্যানারের ছবি ও প্রতিবাদ সভার বিষয়টি এখন পুরো রুহিয়া জুড়েই বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষ একে মাদকের বিরুদ্ধে একটি সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

রেমবো ত্রিপুরা,থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস (CRS) এর সহযোগিতায়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা থানচি উপজেলার সদর ও বলিপাড়া ইউনিয়নে অতি বৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ প‌রিবারকে খাদ্য সহায়তা চাল, মুসর ডাল, লবণ, তেল, আলু, বিস্কুট ও পানি বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ কার্যক্রম আয়োজন করেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল।

 

সোমবার থানচি উপজেলার সদরের ৭৭ ও বলিপাড়া ইউনিয়নের ১৬৩ পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অং প্রু ম্রো, বলিপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে ১,২,৩ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার গোপাদেবী চাকমা, বাগান পাড়ার কারবারি উশিমং মারমাসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বন্যা পরবর্তী সময়ে এ সকল নিত্য প্রয়োজণীয় উপকরণ পেয়ে উপকারভোগীরা স্বস্তি বোধ করেন এবং কারিতাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল থানচি উপজেলার মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গমেজ ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীদের সহায়তায় প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ করেছে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল।

 

দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে গবাদিপশুর খাদ্যসংকট এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার খামারি ও পশুপালকরা প্রয়োজনীয় প্রাণিখাদ্য এবং পশুর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।

 

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বন্যার কারণে অনেক খামার ও গবাদিপশুর খাদ্য মজুদ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকার কারণে পশুর বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে দাঁড়াতে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

 

এ সময় খামারিদের গবাদিপশুর সঠিক পরিচর্যা, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শও প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা। পাশাপাশি কোনো পশু অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

 

স্থানীয় উপকারভোগীরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বন্যার কারণে গবাদিপশু রক্ষা ও খাদ্য জোগান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের সহায়তা তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নির্দেশনা ও বরাদ্দের আওতায় সহায়তা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, (চট্টগ্রাম):

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ২নং সাধনপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দুর্গত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব হারুনুর রশিদ মোল্লা। তাঁর পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত বিভিন্ন পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের উদ্দেশ্যে এই সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে ওঠে।

 

সহায়তা বিতরণকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পাবে।

 

হারুনুর রশিদ মোল্লার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা তাঁর নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বন্যাদুর্গত মানুষের এই সংকটময় সময়ে সামান্য সহায়তার মাধ্যমে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনের সময়ে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

সহায়তা পাওয়া কয়েকজন উপকারভোগী জানান, বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন সময়ে পাওয়া এই সহায়তা তাদের জন্য অনেকটাই স্বস্তির এবং এটি তাদের কঠিন সময় মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

 

স্থানীয়দের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সচেতন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।