খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসলে ও বালু উত্তোলন বন্ধ হবে না!কক্সবাজার শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমে: লামার ফাঁসিয়াখালীর ফেতাইন্যাছড়া এলাকা যেন আরেক সলিমপুর:যেখানে পুলিশ যেতে ভয় পায়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসলে ও বালু উত্তোলন বন্ধ হবে না!কক্সবাজার শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমে: লামার ফাঁসিয়াখালীর ফেতাইন্যাছড়া এলাকা যেন আরেক সলিমপুর:যেখানে পুলিশ যেতে ভয় পায়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসলে ও বালু উত্তোলন বন্ধ হবে না!কক্সবাজার শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমে: লামার ফাঁসিয়াখালীর ফেতাইন্যাছড়া এলাকা যেন আরেক সলিমপুর:যেখানে পুলিশ যেতে ভয় পায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

 

বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কুমারী এলাকাটি যেন এক অবিকল ‘সলিমপুর’যেখানে আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অপরাধের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির ঠিক পেছনের ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণে প্রশাসন কার্যত অসহায় বা নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। এই এলাকায় অবাধে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারের মহোৎসব, যার ফলে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে সাধারণ মানুষের বসতভিটা ও চাষের জমি।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির একদম নাকের ডগায় এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চললেও কোনো এক অদৃশ্য ইশারায় পুলিশ সেখানে অভিযানে যেতে ‘ভয় পায়’ কিংবা রহস্যজনক কারণে এড়িয়ে যায়। দুর্গম এবং অপরাধপ্রবণ চট্টগ্রামের ‘সলিমপুর’ অঞ্চলের মতোই কুমারী এলাকার এই ফেতাইন্যাছড়া অংশটি এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়,স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সদস্যরা ফেতাইন্যাছড়া খাল ও এর আশপাশের কৃষিজমি থেকে শক্তিশালী ড্রেজার ও স্যালো মেশিন বসিয়ে দিন-রাত সমানতালে বালু উত্তোলন করছে। প্রতিদিন শত শত ট্রাক ও ডাম্পার বোঝাই করে এই বালু পাচার করা হচ্ছে বিভিন্ন স্থানে। অতিরিক্ত বালু উত্তোলনের ফলে নদীর পাড় ও কৃষিজমিতে বড় বড় ধস নেমেছে। এলাকার বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি যেকোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।একটি পুকুর খননের অনুমতি নিয়ে এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন বলে জানা যায়।

 

কক্সবাজার শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি সরওয়ার আলম, শ্রমিক দল সভাপতি নাজিম উদ্দীন, কুমারী এলাকার বিএনপি নেতা আবুল হোসেন এবং কুমারী তৃণমূল যুবদল নেতা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অবৈধ বালুর ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ছড়া ও ফসলি জমির বুক চিরে বালু লুটে নিচ্ছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,ফাঁড়ির পুলিশ সব দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। সিন্ডিকেটের ক্ষমতার দাপটে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। পুলিশ যেখানে অপরাধ দমনে কাজ করার কথা, সেখানে ফাঁড়ির পেছনে এই অবৈধ বালুর মেলা চললেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কুমারী এলাকা এখন অপরাধীদের জন্য আরেক সলিমপুর হয়ে উঠেছে।

লামায় ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
লামায় ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ।

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

লামায় ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ।

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের ‘তথ্য সংগ্রহকারী’ ও ‘সুপারভাইজার’ পদের নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম, স্থগিত নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অগ্রাধিকার প্রদান এবং একই পরিবার থেকে একাধিক সদস্যকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করার অভিযোগ উঠেছে।

 

বুধবার(২৯ জুলাই) এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফল স্থগিতের দাবি জানিয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। লামা উপজেলার সাধারণ বাসিন্দাদের পক্ষে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তথ্য সংগ্রহকারী ও ছাত্রদল নেতা ইমন শরীফ এ অভিযোগপত্রটি জমা দেন।

 

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির আলোকে ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে উক্ত পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার পর ইউএনও কার্যালয় থেকে প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একাধিক নেতাকর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

প্রকাশিত তালিকায় অর্ধেকেরও বেশি সদস্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সাথে সরাসরি যুক্ত বা তাদের পরিবারের সদস্য।

চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া বিতর্কিত ব্যক্তিবর্গ বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি ও ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে অপপ্রচার চালিয়েছিল এবং বিরোধিতা করেছিল। এ ধরনের বিতর্কিত নিয়োগের খবরে লামার স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

 

অভিযোগকারী ইমন শরীফ প্রকাশিত বিতর্কিত নিয়োগ তালিকাটি অবিলম্বে স্থগিত করার জোর দাবি জানান। তিনি বলেন, “বিতর্কিত ও একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে বাদ দিয়ে মেধাবী ও ফ্যামিলি কার্ডের যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া জরুরি।”

উক্ত লিখিত অভিযোগ পত্রটির অনুলিপি প্রয়োজনীয় অবগতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা/মন্ত্রী, ৩০০ নং বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য জনাব সাচিং প্রু জেরী এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।

 

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)অতিরিক্ত দায়িত্ব মনজুর আলম জানান,অভিযোগের বিষয়ে আমি এখনো অবগত নই,অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে শুক নদীকে ঘিরে ভুমিহীন রবিউলের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে শুক নদীকে ঘিরে ভুমিহীন রবিউলের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন।

ঠাকুরগাঁওয়ে শুক নদীকে ঘিরে ভুমিহীন রবিউলের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার ৪নং ঢোলার হাট ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ‘শুক নদী’। নদীর বুকে সমন্বিত হাঁস ও সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন বুনছেন ভূমিহীন কৃষক রবিউল ইসলাম (৪৮)। রবিউল ইসলাম ৪নং ঢোলার হাট ইউনিয়নের উত্তর বোয়ালিয়া গ্রামের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রবিউল ইসলাম শুক নদীর কোল ঘেঁষে ২ বিঘা জমি বর্গা নিয়েছেন। সেখানে তিনি ধুন্দুল, বাঁধাকপি, ফুলকপি, করলা ও কলাসহ বিভিন্ন ধরণের সবজির চাষ করেছেন। পাশাপাশি নদীর তীরেই গড়ে তুলেছেন একটি হাঁসের খামার। জানা গেছে, নিজস্ব সঞ্চয় ও কিছু ধারদেনা মিলিয়ে এই উদ্যোগে রবিউলের সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা। তাঁর আশা, বছর শেষে এই হাঁসের খামার ও সবজি বাগান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা আয় হবে। নিজের এই উদ্যোগ সম্পর্কে রবিউল ইসলাম বলেন, “নদী শুকিয়ে গেলে অনেকেই হতাশ হন, কিন্তু আমি একে একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছি। ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে ২০০টি হাঁসের বাচ্চা নিয়ে আমার এই যাত্রা শুরু করি। নদীর স্বাভাবিক পানি ব্যবহার করায় হাঁস পালনের খরচ যেমন কম হয়, তেমনি পলিযুক্ত উর্বর বালুমাটিতে সবজির ফলনও মেলে চমৎকার।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা বা কৃষি বিভাগের পরামর্শ না পেলেও, ভবিষ্যতে নদীর ওপর ভাসমান শেড তৈরি করে বৃহৎ পরিসরে হাঁস পালনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, শুক নদীকে কাজে লাগিয়ে রবিউল যেভাবে নিজের ভাগ্য বদলানোর চেষ্টা করছেন, তা আশপাশের অনেক বেকার যুবকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। নদীর বুকে গড়ে তোলা এই সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ কেবল তাঁর নিজের সংসারেই সচ্ছলতা আনবে না, বরং স্থানীয় বাজারে শাকসবজির চাহিদাও অনেকাংশে মেটাবে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের টেকসই পরামর্শ পেলে রবিউল ইসলামের এই উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারবে বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন মহল। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাসিরুল আলম বলেন, “বর্তমানে অনেক বেকার যুবককে চাকরির পেছনে হন্যে হয়ে ঘুরতে দেখা যায়। আমরা তাঁদের চাকরির পেছনে সময় নষ্ট না করে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। এ ক্ষেত্রে রবিউল ইসলাম একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারেন। তাছাড়া আমাদের মাননীয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিবও এ বিষয়ে যুবকদের স্বাবলম্বী হতে নিরন্তর উৎসাহ জুগিয়ে যাচ্ছেন।

টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার।

টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান এবং পরোয়ানাভুক্ত পলাতক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে র‌্যাব অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

 

এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প)-এর একটি চৌকস দল কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানাধীন হ্নীলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডস্থ মোচনী বাজার এলাকায় গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৬:৪০ ঘটিকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১ জন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামি নুরুল হাকিম (৩৮)। সে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রংগীখালী গ্রামের বাসিন্দা আমির হোসেন এর ছেলে।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামি নুরুল হাকিম চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া থানার মাদকদ্রব্য মামলার এজাহারনামীয় আসামি। উক্ত অপরাধে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক তাকে ০৫ (পাঁচ) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। রায় ঘোষণার পর থেকেই সে আসামি দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিল।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

অপরাধ দমন ও এলাকাকে নিরাপদ রাখতে র‌্যাব-১৫ এর এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।