খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

হলদিয়ায় বিধবা মহিলার স্বামীর জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ, থানায় অভিযোগ করেও আইনের প্রতি অবজ্ঞা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
হলদিয়ায় বিধবা মহিলার স্বামীর জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ, থানায় অভিযোগ করেও আইনের প্রতি অবজ্ঞা।

হলদিয়ায় বিধবা মহিলার স্বামীর জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ, থানায় অভিযোগ করেও আইনের প্রতি অবজ্ঞা।

হলদিয়ায় বিধবা মহিলার স্বামীর জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ, থানায় অভিযোগ করেও আইনের প্রতি অবজ্ঞা।

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

উখিয়া হলদিয়ায় পাতাবাড়ী মরুহুম উলা মিয়ার মালিকাদিন শতবছর বসবাস করে আচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
বিগত আওমীলীগে দাপট দেখিয়ে অন্যায় ভাবে কিছুজমি দখল করেছিলো দখল বাজ সুজিনা ও আলাম
পুনরায় আরো বৃহত্তম জমি দখল করে বহুতল বাড়ি নির্মাণ করে যাচ্ছে নাজুর ছেলে মাহম্মদ আমল ও তার স্ত্রী সুজিনা

স্থানীয় থানায় একাধিক অভিযোগের পরও একটি বিধবা মহিলার জমি দখল করে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইয়াবা ব্যবসায়ী আলমের স্ত্রী সুজিনা ও তার পিতা মোহাম্মদ আলীসহ একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বাধা সত্ত্বেও ওই জমিতে বাড়ি নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। থানা পুলিশের কাছে বিচার চাওয়া হলেও, অভিযুক্তরা জানান, নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পুলিশের কর্মকর্তা এসআই ইলিয়াস তাদের জমিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য অনুমতি দিয়েছেন এমন কথা বলেছে অবৈধ দখলদারিরা, অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এমন কোন অনুমতি দেননি বলে জানিয়েছেন পলিশ কর্মকর্তা ইলিয়াস ।

সরজমিনে সাংবাদিকের,প্রশ্নের জবাবে থানায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেন জমি দখল করে চলাচল রাস্তা বন্ধ করে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে জবাবে থানায় অনুমতি দিয়েছে বলে জানান অবৈধ দখলকারী সুজিনা ও তার পিতা মাহমুদ। এবিষয়ে থানার কর্মকর্তা এসআই ইলিয়াসের সাথে কথা হলে অনুমতির বিষয়টি অশিকার করেন এবং তিনি উক্ত বিষয় কঠোর পদক্ষেপ নিবে বলে আশ্বাস দেন।
এলাবাসীর পক্ষে মোস্তাক আহমেদ বলেন আমার চাচার ভিটা-জমি সুজিনা ও তার স্বামী আলম অবৈধভাবে দখল করে বসবাস করেন। অত্র এলাকার বাসিন্দারা বলেন জমির ওয়ারিশগন জমির অধিকার হবে,কিন্তু আলম ও সুজিনা জমি দখল করে বাড়ি করা কোন কাম্য নই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিটি বিধবা মহিলার স্বামী মরুহুম উলামিয়ার পৈতৃক মালিকানাধীন জমি ছিল এবং তার বৈধ উত্তরাধিকারীদের অধিকার রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি আলম, সুজিনা ও মোহাম্মদ আলীসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জমিটি জোরপূর্বক দখল করে, যার ফলে জমির মালিক ও তার উত্তরাধিকারীরা বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ থানায় অভিযোগ অবগত করা হলেও, পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ইলিয়া বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে একটি পক্ষের সাথে সমঝোতা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। উক্ত পুলিশ বলেছে, তারা গৃহ নির্মাণের জন্য “অনুমতি” দিয়েছে বলে ছড়াচ্ছে তবে এটি একটি বিভ্রান্তিকর বক্তব্য।

জমির ওয়ারিশগনের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ইলিয়াস তাদের আইনগত সাহায্য প্রদান না করে অন্যভাবে পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে।
জমির মালিকদের পক্ষ থেকে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, এখনও কোনো কার্যকরী সমাধান আসেনি। তারা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সরকারের কাছ থেকে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।
এই ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ এবং উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা আশা করছেন, স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ নেবে, যাতে বিধবা মহিলা ও ওয়ারিশগন জমির অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব প্রয়োগ করে আইনের প্রতি অবজ্ঞা করতে না পারে।
এদিকে, এই ঘটনায় যথাযথ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ।

রেমবো ত্রিপুরা,থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস (CRS) এর সহযোগিতায়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা থানচি উপজেলার সদর ও বলিপাড়া ইউনিয়নে অতি বৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ প‌রিবারকে খাদ্য সহায়তা চাল, মুসর ডাল, লবণ, তেল, আলু, বিস্কুট ও পানি বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ কার্যক্রম আয়োজন করেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল।

 

সোমবার থানচি উপজেলার সদরের ৭৭ ও বলিপাড়া ইউনিয়নের ১৬৩ পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অং প্রু ম্রো, বলিপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে ১,২,৩ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার গোপাদেবী চাকমা, বাগান পাড়ার কারবারি উশিমং মারমাসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বন্যা পরবর্তী সময়ে এ সকল নিত্য প্রয়োজণীয় উপকরণ পেয়ে উপকারভোগীরা স্বস্তি বোধ করেন এবং কারিতাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চল থানচি উপজেলার মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গমেজ ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

বন্যাকবলিত কাথরিয়া ইউনিয়নে প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের খামারি ও গবাদিপশু পালনকারীদের সহায়তায় প্রাণিখাদ্য ও ভেটেরিনারি ওষুধ বিতরণ করেছে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল।

 

দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে গবাদিপশুর খাদ্যসংকট এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার খামারি ও পশুপালকরা প্রয়োজনীয় প্রাণিখাদ্য এবং পশুর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।

 

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বন্যার কারণে অনেক খামার ও গবাদিপশুর খাদ্য মজুদ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকার কারণে পশুর বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে দাঁড়াতে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

 

এ সময় খামারিদের গবাদিপশুর সঠিক পরিচর্যা, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শও প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা। পাশাপাশি কোনো পশু অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

 

স্থানীয় উপকারভোগীরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বন্যার কারণে গবাদিপশু রক্ষা ও খাদ্য জোগান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের সহায়তা তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল জানিয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নির্দেশনা ও বরাদ্দের আওতায় সহায়তা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

বন্যার দুর্দিনে সাধনপুরের অসহায় মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারুনুর রশিদ মোল্লা।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, (চট্টগ্রাম):

 

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ২নং সাধনপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দুর্গত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব হারুনুর রশিদ মোল্লা। তাঁর পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত বিভিন্ন পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের উদ্দেশ্যে এই সহায়তা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে ওঠে।

 

সহায়তা বিতরণকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পাবে।

 

হারুনুর রশিদ মোল্লার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা তাঁর নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বন্যাদুর্গত মানুষের এই সংকটময় সময়ে সামান্য সহায়তার মাধ্যমে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনের সময়ে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

সহায়তা পাওয়া কয়েকজন উপকারভোগী জানান, বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন সময়ে পাওয়া এই সহায়তা তাদের জন্য অনেকটাই স্বস্তির এবং এটি তাদের কঠিন সময় মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

 

স্থানীয়দের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সচেতন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।