খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

ক্রাইম রিপোর্টার।

বহুল আলোচিত ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে এই প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তার কোন হদিস নেই। তেমনি তার সহযোগী হিসেবে জায়গা দখল, চাঁদাবাজি সহ নানান অপকর্মের হোতা ভূমিদস্যু মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনীরও কোন হদিস নেইা। এরা আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পলাতক ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগী হিসেবে মানুষকে জিম্মি করে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। তেমনি গাজীপুরের কালীগঞ্জেও তাদের দাপটে আতঙ্কে ছিল সাধারণ মানুষ। এরা সবাই গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানা এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, এক সময়ে গাজীপুরে এসপি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। টানা চার বছর থাকাকালীন সময়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেন মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া। সেই সুবাধে পুরো গাজীপুরে জায়গা দখল, চাঁদাবাজি সহ নানান অপরাদ কর্মকান্ড চালিয়ে তারা। তাদের হাত থেকে অনেক মানুষ নিপিড়ীত হয়েছে এবং মানুষকে জিম্মি করে তাদের স্বার্থ হাসিল করতেন। গাজীপুর সহ বিভিন্ন থানায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও তৎকালীন ডিবি হারুনের সহযোগী হিসেবে কাজ করায় তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। টাকার জন্য এই বাহিনী দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা এমন কিছু নেই যা তা করেনি। সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও বোকা বানিয়েছেন এবং অনেকের চাকুরিও খেয়েছেন তিনি।

এছাড়াও বিএনপি এবং ব্যবসায়ীদের লিষ্ট করে ডিবি পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে তারা আবার মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিতেন।
এছাড়াও ৩শ ফিট এলাকায় জায়গা, জমি সহ প্লট বিক্রি করতে গেলেও এই বাহিনীকে চাঁদা দিয়ে কাজ করতে হতো। এসব কিছু সবই সম্ভব হয়েছে পুলিশ কর্মকর্তা ডিবি হারুনের জন্য। শুধু গাজীপুরে নয় তাদের দিয়ে ঢাকা সহ আশেপাশের এলাকাও অপর্কম করিয়েছেন।

২০২২ সালে বহুল আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনী গাজীপুরের কালিগঞ্জ থানাধীন পূর্বাচল ১৬নং সেক্টরে প্লট বাউন্ডারী নির্মাণের কাজে বাধা দিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদাদাবি করেন। দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় প্লটের বাউন্ডারী ভেঙে গুড়িয়ে দেন পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগীরা। এই ঘটনায় দবির উদ্দিন এর মেয়ে শাহ ফারহান নিশাত বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানা একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন।

অভিযুক্ত সিরাজুর ইসলাম গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার কালিকুটি এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদ এর ছেলে, একই থানা এলাকার ছানারুল ইসলাম এর ছেলে রাসেল ও বাসাবাসি এলাকার ছবদর আলী নুন্দু ছেলে শাহ জাহান। থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর থেকে পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগীরা তাঁর ভয় দেখিয়ে নানা ভাবে হুমকি ধমকি দিতে থাকেন অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী চাঁদাবাজির অভিযোগে ২০২২ সালের ৭ মার্চ কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩। এদিকে ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুন বাহিনীর সহযোগীদের নামে মামলা দায়ের করেও বিপাকে পড়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রথম থেকেই পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগী হিসেবেও গাজীপুর, ঢাকায় তাঁর এই বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। ৫ আগস্টের পূবেও ডিবি হারুনের সহযোগীতায় বিভিন্ন মানুষের নামেও একের পর মামলা করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকার পতনের পর প্রভাবশালী এই পুলিশ কর্মতর্কা সহ তাঁর বাহিনী সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনী কিছু দিন পলাতক থাকলেও পরবর্তীতে প্রকাশ্যে এসে বিএনপিতে পূর্নবাসনে চেষ্টা করে যাচ্ছে তারা। বিশেষ করে এই বাহিনী যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের হয়েও কাজ করবে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

অপর দিকে পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া সহ তাঁর বাহিনীকে গ্রেফতার করলে বেড়িয়ে আসবে এই পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের গোপন নথিপত্র সহ তাদের অপকর্মের নানান কর্মকান্ড।

বান্দরবান সদর রেইচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলীকে দেখতে চান স্থানীয়রা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
বান্দরবান সদর রেইচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলীকে দেখতে চান স্থানীয়রা

বান্দরবান সদর রেইচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলীকে দেখতে চান স্থানীয়রা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান সদর উপজেলার রেইচা-গোয়ালিয়াখোলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার একটি অংশ বান্দরবান জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলীকে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

 

ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন মোহাম্মদ আলী। এলাকার সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণের কারণে স্থানীয়দের মাঝে তাঁর একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ এবং স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ তাঁকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন।

 

স্থানীয় ভোটারদের প্রত্যাশা, জনসম্পৃক্ততা, এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের মানসিকতা বিবেচনায় নিয়ে মোহাম্মদ আলী যদি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবে এলাকার উন্নয়ন গতিশীল হবে।

 

তবে স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম নিয়ে আলোচনা চললেও, চূড়ান্ত প্রার্থিতা বা দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারক ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।

 

এদিকে, একজন জনপ্রিয় যুবনেতার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সামনে আসায় রেইচা-গোয়ালিয়াখোলা ইউনিয়নের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে সমীকরণ শুরু হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কোনো ঘোষণা দেন কি না। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ভোটাররা এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন।

জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ-২৬ এর ১ম সেমিফাইনাল সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ-২৬ এর ১ম সেমিফাইনাল সম্পন্ন

জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ-২৬ এর ১ম সেমিফাইনাল সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস আর ক্রীড়াপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬-এর প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচ। ওয়াই জংশন যুব সমাজের সার্বিক আয়োজনে এই টুর্নামেন্ট স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শকদের মাঝে দারুণ উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।

বুধবার (১৬ই সেপ্টেম্বর) বান্দরবান সদরের ওয়াই জংশন ১২ মাইল মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি উপভোগ করতে শত শত দর্শক মাঠে ভিড় জমান। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ এই খেলায় উভয় দলের খেলোয়াড়দের নান্দনিক ক্রীড়াশৈলী উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে বিমোহিত করে।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য এবং জেলা বিএনপির সদস্য চনুমং মার্মা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় কারবারী রেংপর ম্রো।

খেলা শুরুর পূর্বে প্রধান অতিথি খেলোয়াড়দের সাথে মাঠে পরিচিত হন এবং একটি ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য চলুমং মার্মা বলেন, মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণদের প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই সেমিফাইনালে থানচি ইয়াং ম্রো এফসি দল দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ২-১ গোলে শক্তিশালী ৯ মাইল সিনিয়র ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে। এই জয়ের সুবাদে থানচি ইয়াং ম্রো এফসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিজেদের আসন পাকা করে নেয়।

পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণদের মাঝে ক্রীড়াসচেতনতা বৃদ্ধি ও খেলাধুলার এই পরিবেশ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এমন টুর্নামেন্ট অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বান্দরবানে শিশু শ্লীলতাহানির অভিযোগে চিকিৎসক মানিক কুমার নাথ আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে শিশু শ্লীলতাহানির অভিযোগে চিকিৎসক মানিক কুমার নাথ আটক

বান্দরবানে শিশু শ্লীলতাহানির অভিযোগে চিকিৎসক মানিক কুমার নাথ আটক

বান্দরবান প্রতিনিধি:

 

বান্দরবান সদর উপজেলার রেইচা এলাকায় এক ১২ এর শিশু মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ডা. মানিক কুমার নাথ নামের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর পরই স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রেইচা এলাকার স্থানীয় একটি চেম্বারে চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশু ক্যানভাসারের মাধ্যমে ডা. মানিক কুমার নাথের নিকট পৌঁছায়। অভিযোগ ওঠে, তিনি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অজুহাতে ওই শিশুটিকে শ্লীলতাহানি করেন। শিশুটি পরবর্তীতে বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

 

খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা ডা. মানিক কুমার নাথকে ঘটনাস্থলে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং পরবর্তীতে রেইচা ক্যাম্প পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

 

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, রেইচা এলাকায় শিশু শ্লীলতাহানির একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক চিকিৎসককে পুলিশি হেফাজতে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।