খুঁজুন
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

রোয়াংছড়িতে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ।

 

​রোয়াংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: চিংনুমং মারমা

 

​বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ল্যাট্রিন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

​মঙ্গলবার ১৬ জুন সকালে রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘ওয়াশ ইন এফসি পিবিআই প্রকল্পের আওতায় এ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন, যার অর্থায়নে রয়েছে ওয়ার্ল্ড ভিশন ইউএসএ।

​হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের উপজেলা ওয়াশ অফিসার মংটিংসাই মারমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও তাজনিম আলম তুলি।

​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

​মেহ্লাঅং মারমা, চেয়ারম্যান, রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদ।

​উনুমং মারমা, চেয়ারম্যান, তারাছা ইউনিয়ন পরিষদ।

​বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা, চেয়ারম্যান, আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদ।

​চনুমং মারমা, চেয়ারম্যান, নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদ।

​ডা. আয়েশা, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

​সাথোয়াইঅং মারমা, সাধারণ সম্পাদক, রোয়াংছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব।

​অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের রোয়াংছড়ি এডিপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার প্রকাশ চাম্বুগং। তিনি প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, অর্জন, সফলতা এবং উপকারভোগীদের নানাবিধ ইতিবাচক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।”

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজনিম আলম তুলি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার এই সমন্বিত উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত। এ ধরনের মানবিক সহায়তা কর্মসূচি প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

​সভা শেষে প্রকল্পের আওতায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৫৫ জন দুর্দশাগ্রস্ত উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ল্যাট্রিন নির্মাণ সামগ্রী এবং ঘর প্রতি নগদ ৭,৪৭৩ টাকা করে বিতরণ করা হয়।

​উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

“রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
“রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা”।

রুহিয়ায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির দায়ে দুই মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট)। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রুহিয়া থানাধীন ৫ নং রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের রামনাথ বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, মৎস্য আইন বাস্তবায়ন ও নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধের লক্ষ্যে রামনাথ বাজারে অভিযান চালান রুহিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ খাইরুল ইসলাম। এ সময় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির অপরাধে মামলা নং ৭৮/২০২৬ ও ৭৯/২০২৬ মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০-এর ১৬ ধারায় দুই ব্যবসায়ীকে ১ হাজার টাকা করে সর্বমোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কশালগাঁও গ্রামের মৃত হালিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ আবুল হোসেন (৫৫) এবং চাপাতি (পাইকপাড়া) গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিনের ছেলে মোঃ শাহ আলম (৩০)। অভিযান শেষে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, জনস্বার্থে এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ মাছের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

“রোয়াংছড়িতে পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
“রোয়াংছড়িতে পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন”।

রোয়াংছড়িতে পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

রোয়াংছড়ি, বান্দরবান প্রতিনিধি: চিংনুমং মারমা।

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় পি অ্যান্ড জি (P&G) প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

গত সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) রোয়াংছড়ি উপজেলা টাউন হলরুমে এই সমাপনী ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাজনিম আলম তুলি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এথিং।

হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের রোয়াংছড়ি এডিপির প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস উসাইম্যা মার্মা অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এরপর ওয়ার্ল্ড ভিশনের রোয়াংছড়ি এডিপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার প্রকাশ চিসিম (চাম্বুগং) পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম, অর্জন, সফলতা এবং উপকারভোগীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ফিডব্যাক সবার সামনে উপস্থাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজনিম আলম তুলি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “ভবিষ্যতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও দুর্গম অঞ্চলে সম্প্রসারণ করা উচিত, যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও নিরাপদ পানির সুফল পেতে পারে।” এর পাশাপাশি তিনি উপকারভোগীদের নিয়মিত নিরাপদ পানি ব্যবহারের অভ্যাস বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং পরিবারের প্রতিটি সদস্য, বিশেষ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ পানি পানের বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামাল উদ্দীন, রোয়াংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির, ৩ নম্বর আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা এবং সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হিরণ্ময় তঞ্চঙ্গ্যা। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারী এবং প্রকল্পের আওতাধীন চারটি ইউনিয়নের উপকারভোগীরা এই সেশনে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে উপকারভোগীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধার কথা তুলে ধরেন এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। একই সাথে তারা এই ধরনের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতে প্রত্যন্ত এলাকায় অব্যাহত রাখার জোর অনুরোধ জানান।

পরিশেষে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রকল্পের সাফল্যের মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সফল সমাপ্তি ঘটে।

“বদলি নীতিমালার তোয়াক্কা নেই: বান্দরবান সদরেই ২০ বছর পার করলেন এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমানুর”।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৮:০৮ পূর্বাহ্ণ
“বদলি নীতিমালার তোয়াক্কা নেই: বান্দরবান সদরেই ২০ বছর পার করলেন এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমানুর”।

বদলি নীতিমালার তোয়াক্কা নেই: বান্দরবান সদরেই ২০ বছর পার করলেন এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমানুর।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে একই জেলায় কর্মরত রয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর বান্দরবান সদর উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমানুর রহমান। এর আগে তিনি এলজিইডির জেলা কার্যালয় এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রকৌশল শাখায়ও দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও নিজের দপ্তরের ই-জিপি (E-GP) টেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস, পছন্দের ঠিকাদারদের অনলাইনে ই-জিপি ফরম পূরণে সহযোগিতা করে কাজ পাইয়ে দেওয়া, টেন্ডার সিন্ডিকেট গঠন এবং উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

এইসব বিষয়ে জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমি বান্দরবান জেলায় ২০ চাকরি করছি তাতে আপনার সমস্যা কি? আমি এই প্রসঙ্গে আপনার সাথে কথা বলতে পারবো না। আপনার বেশি সমস্যা থাকলে আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে যান বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।”

 

সম্প্রতি তার তদারকিতে বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের হলুদিয়া থেকে ভাগ্যকুল পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার এবং তিনটি গাইড ওয়াল নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় প্রায় ৩ কোটি ৮২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়ক সংস্কারকাজে নির্ধারিত মানের বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। কংকরের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে পুরোনো ও ভাঙা ঢালাইয়ের অংশ এবং নিম্নমানের ইটের খোয়া। অনেক স্থানে পুরোনো ঢালাইয়ের অংশ উঠিয়ে সরাসরি কংক্রিটের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করতে দেখা গেছে, যা নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।

 

এছাড়া গাইড ওয়াল নির্মাণকাজেও মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারে ঘাটতির অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত না করে দ্রুত প্রকল্প শেষ করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

 

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, “কাজে কোনো নিয়ম-নীতি মানা হচ্ছে না। নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ করা হচ্ছে।” তারা আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যোগসাজশেই এসব অনিয়ম চলছে।

 

এদিকে এলজিইডির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ৩ কোটি ৮২ লাখ ৮৯ হাজার টাকার এ সংস্কারকাজ তার পছন্দের ঠিকাদার শাজাহান মিয়া ও মো. ইউনুসকে পাইয়ে দেওয়া হয়। পরে তার প্রশ্রয়ে ওই দুই ঠিকাদার নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।