খুঁজুন
শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

থানচিতে হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি, দুর্ঘটনার শঙ্কায় আতঙ্কে এলাকাবাসী।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
থানচিতে হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি, দুর্ঘটনার শঙ্কায় আতঙ্কে এলাকাবাসী।

থানচিতে হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি, দুর্ঘটনার শঙ্কায় আতঙ্কে এলাকাবাসী।

রেমবো ত্রিপুরা, থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলিপাড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে অবস্থিত কমলা বাগান ত্রিপুরা পাড়া যাওয়ার পথে দীর্ঘদিন ধরে তিনটা বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়া অবস্থায় রয়েছে। এতে করে যেকোনো সময় কালবৈশাখী ঝড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

স্থানীয়রা জানান, খুঁটিটি ধীরে ধীরে আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। ঝড়-বৃষ্টি বা দমকা হাওয়ার সময় এটি ভেঙে পড়ে সড়কে চলাচলকারী মানুষ কিংবা পাশের বসতঘরে আঘাত হানতে পারে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

 

কমলা বাগান ত্রিপুরা পাড়া কারবারি প্রেমুজ ত্রিপুরা বলেন, অনেক দিন ধরে খুঁটি তিনটা এভাবে হেলে আছে। আমরা বারবার বিষয়টি জানালেও এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগে। পাড়ার

 

আরেক বাসিন্দা রোজী ত্রিপুরা বলেন, শিশুরা স্কুলে যাওয়া-আসার সময় একমাত্র পথ হওয়ায় এই পথ ব্যবহার করে যেতে হয়। যে কোনো সময় খুঁটি পড়ে বড় দুর্ঘটনা হতে পারে। আমরা দ্রুত এটি মেরামত বা নতুন খুঁটি স্থাপনের দাবি জানাচ্ছি।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে এবং আমরাও দেখছি। তবে আমাদের স্যারকে জানালে ভালো হয়।

 

এই নিয়ে থানচি উপজেলায় দায়িত্বরত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা সবুজ ঘোষ বলেন, হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটির বিষয়টি এর আগে কেউ আমাকে অবগত করেননি। আমি আজকেই দেখার জন্য লোক পাঠাবো। দ্রুত সময়ের মধ্যে খুঁটিটি মেরামত বা প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

 

স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং এলাকাবাসীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ।

ক্রাইম রিপোর্টার:

 

আজ ৩১ জুলাই রোজ শুক্রবার বাদ আছর নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া আল জয়নাল ফেবিক্স মার্কেটে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটো অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন নং নারায়ণগঞ্জ (৩৭) এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা করেন শ্রমিক নেতারা এ সময় নেতাকর্মীরা আরো বলেন আমাদের রেজিস্ট্রেশনকৃত সংগঠন আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করলে কোন লাভ হবে না

 

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন স্পটে যানজট নিরশনে সাধারণ জনগণের যাতায়েত নিরব ভূমিকা পালন করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটো রিক্সা অটো অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা বলেন আমাদের স্বেচ্ছা সেবার মাধ্যমে এ হবে আগামী যানজট মুক্ত সিটি কর্পোরেশন তাই আমরা সর্বদাই প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।

 

আমাদের সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন নং নারায়ণগঞ্জ (৩৭) আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে প্রত্যেক গাড়িচালকদেরকে সুন্দর একটি সিঙ্গোলার মাধ্যমে নিয়ে আসা এবং অযথা যাত্রী হয়রানি বন্ধ করা সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য।

 

একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের সংগঠনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আমাদের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তা ভিত্তিহীন বানোয়াট আমাদের রেজিস্ট্রেশনকৃত সংগঠন অটো স্ট্যান্ড টেম্পু স্ট্যান্ড বেবি স্ট্যান্ড পরিছন্নতা রাখা মালিক শ্রমিক ও যাত্রীদের সুসম্পর্ক বজায় রাখা আমাদের সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য এবং অবৈধভাবে যারা চাঁদাবাজি করে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

 

এ সময় সংগঠনের সভাপতি আরিফ হাসান বলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের চাষাড়া কালীর বাজার ২ নাম্বার গেইট সহ আরো কিছু স্পোডে আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা রয়েছে সাধারণ জনগনের সেবায় নিয়েজিত আমাদের রেজিস্ট্রেশনকৃত সংগঠন আমরা মালিক শ্রমিক ও যাত্রীদের কল্যাণে সর্বদাই প্রস্তুত আছি ইনশাআল্লাহ আমাদের সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন নং নারায়ণগঞ্জ (৩৭) এর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে তাই আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অদ্যপতি পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কোন অভিযোগ নাই আমরা সকল কিছু মোকাবেলায় সর্বদাই প্রস্তুত

 

উক্ত সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিপ্লব হোসেন তিনি বলেন আমরা সব সময় যাএীদের কল্যানে এবং চালকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরি করতে প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকি এবং মালিক শ্রমিক যাত্রীদের পারস্পরিক সম্পর্ক তৈয়ার হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা তিনি আরো বলেন আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোন লাভ হবে না কারন আমাদের নিবন্ধনকৃত সংগঠন আমরা সাধারণ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং যানজট নিরসনে কঠোর ভূমিকা পালন করে থাকি তাই একটি পক্ষ আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তাই সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি

বাঁশখালীতে রামপুর সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, বিজয়ী ৩ প্রার্থী।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
বাঁশখালীতে রামপুর সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, বিজয়ী ৩ প্রার্থী।

বাঁশখালীতে রামপুর সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, বিজয়ী ৩ প্রার্থী।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে রামপুর সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতি লিমিটেডের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল ৫টার দিকে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

 

রামপুর সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতি লিমিটেডের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩৯৯/৭২। এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন পদে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সমিতির মোট ভোটার ছিলেন ৩১৪ জন।

 

নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। একই সঙ্গে প্রার্থীদের সমর্থকরাও নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

 

প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ প্রার্থী

 

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন—

 

আলহাজ্ব মো. সরওয়ার করিম — তারা প্রতীক

 

মো. ওবাইদুল্লাহ — ফুটবল প্রতীক

 

মো. হারুন সিকদার — মোটরসাইকেল প্রতীক

 

মাওলানা মো. ইয়াসিন — কবুতর প্রতীক

 

মো. নুরুল আলম সিকদার — মাইক প্রতীক

 

মো. বাদশা মিয়া — ডাব প্রতীক

 

ভোটগ্রহণ শেষে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ভোট গণনা করা হয়। গণনা শেষে ঘোষিত ফলাফলে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে মাইক প্রতীকের মো. নুরুল আলম সিকদার বিজয়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৬৩ ভোট।

 

ফুটবল প্রতীকের মো. ওবাইদুল্লাহ পেয়েছেন ১৫৮ ভোট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে তিনিও বিজয়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

 

অন্যদিকে ডাব প্রতীকের মো. বাদশা মিয়া পেয়েছেন ১২৫ ভোট এবং তিনিও বিজয়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

 

অর্থাৎ, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ছয় প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া এই তিন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

 

ভোটকেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশ

 

নির্বাচন চলাকালে ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোটারদের উপস্থিতি, প্রার্থীদের প্রচারণা এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রমকে ঘিরে সমিতির সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যায়।

 

ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনা শেষে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কোনো প্রার্থী বা পক্ষের প্রতি অবস্থান না নিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি, ভোটগ্রহণের পরিবেশ এবং ঘোষিত ফলাফলই এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

 

ফলাফল এক নজরে

 

🥇 মো. নুরুল আলম সিকদার (মাইক) — ১৬৩ ভোট

 

🥈 মো. ওবাইদুল্লাহ (ফুটবল) — ১৫৮ ভোট

 

🥉 মো. বাদশা মিয়া (ডাব) — ১২৫ ভোট

 

উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে রামপুর সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতি লিমিটেডের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন।

বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু।

বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু।

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা।

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে দুই পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ৩১ জুলাই (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার বগালেক থেকে কেওক্রাডং যাওয়ার পথে পেঁপে বাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন—ভোলার মানিকারহাট এলাকার জহির উদ্দিনের ছেলে মো. জমির উদ্দিন (৩২) এবং রোকাইয়া আক্তার (৩০)।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা থেকে ১০ সদস্যের একটি পর্যটক দল বান্দরবানে ভ্রমণে আসেন। তারা রুমা উপজেলার বগালেক এলাকায় পৌঁছান। এর মধ্যে ৮ জন পর্যটক বগালেকে রাত্রিযাপন করলেও মোঃ. জমির উদ্দিন ও রোকাইয়া আক্তার প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আঁধারে কেওক্রাডংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।

 

পথিমধ্যে রুমা-কেওক্রাডং সড়কের পেঁপে বাগান এলাকায় পৌঁছালে চালক মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে গাড়িটি রাস্তার পাশের গভীর খাদে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ওই দুই পর্যটক মারা যান।

 

খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কেওক্রাডং ও সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাতে যাতায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের বেলায় ভ্রমণের কারণেই এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।