খুঁজুন
শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

লামায় ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনায় সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ কাজ মাঝপথে বন্ধ: ৬ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
লামায় ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনায় সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ কাজ মাঝপথে বন্ধ: ৬ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ।

লামায় ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনায় সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ কাজ মাঝপথে বন্ধ: ৬ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ।

 বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি :

 

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কুমারী চাক কাটা সড়কের উন্নয়ন কাজ ও ব্রিজ নির্মাণে চরম অনিয়ম ও ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (LGED) অধীনে চলমান এই সড়কের কাজ অর্ধেক করার পর ঠিকাদার মেহেদী হাসান কাজ ফেলে রেখে চলে যাওয়ায় ৬টি গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দা এখন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়ক ও ব্রিজ সংস্কারের জন্য নতুন করে দরপত্র (টেন্ডার) হওয়ার পর ঠিকাদারের লোকজন কুমারী স্কুল পাড়া এলাকার পুরনো ও সচল ব্রিজটি ভেঙে ফেলে। অভিযোগ উঠেছে, পুরাতন ব্রিজটি ভেঙে তার রড, ইট ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ঠিকাদার বিক্রি করে দিয়েছেন।

 

নতুন ব্রিজ নির্মাণ না করেই কাজ ফেলে রাখায় বর্তমানে সামান্য বৃষ্টি হলেই পাহাড়ি ঢল ও পানির তোড়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে কোনোমতে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে একটি নড়বড়ে সাঁকো তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন।

 

এলাকাবাসীর প্রশ্ন কাজ যদি নাই করা হবে, তবে সচল পুরাতন ব্রিজটি ভেঙে ফেলার কী প্রয়োজন ছিল?

 

কাদায় বেহাল সড়ক, যাতায়াত বন্ধ

 

চলমান ম্যাকাডাম (খোয়া বিছানোর) কাজ মাঝপথে বন্ধ থাকায় এবং সাম্প্রতিক বর্ষায় সড়কটি এখন সম্পূর্ণ কাদামাটিতে পরিণত হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও নালা তৈরি হয়েছে। কোনো ধরনের যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচলের উপায়ও নেই।

 

সড়ক ও ব্রিজের এই জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে এলাকার স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী ও তীব্র অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ৬টি গ্রামের কৃষিজীবী মানুষ তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিয়ে যেতে পারছেন না, যার ফলে তারা অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

 

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, ঠিকাদার মেহেদী হাসান কাজ অসমাপ্ত রেখে গায়েব হয়ে যাওয়ায় তারা বারবার যোগাযোগ করেও কোনো সুরাহা পাননি। এই বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

 

সংশ্লিষ্ট এলজিইডি (LGED) কর্তৃপক্ষ এবং ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, অতি দ্রুত এই জনগুরুত্বপূর্ণ কুমারী চাক কাটা সড়কের কাজ পুনরায় শুরু করে ব্রিজটি নির্মাণ করা হোক এবং জনভোগান্তি দূর করতে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

 

লামা উপজেলা প্রকৌশলী (LGED)আবু হানিফ জানান,বিষয় টি আমি জেনেছি ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে, জনভোগান্তি দূর করতে দ্রুত পুনরায় কাজ শুরু করে ব্রিজ ও সড়ক নির্মাণ কাজ সম্পাদন করা হবে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ।

ক্রাইম রিপোর্টার:

 

আজ ৩১ জুলাই রোজ শুক্রবার বাদ আছর নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া আল জয়নাল ফেবিক্স মার্কেটে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটো অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন নং নারায়ণগঞ্জ (৩৭) এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা করেন শ্রমিক নেতারা এ সময় নেতাকর্মীরা আরো বলেন আমাদের রেজিস্ট্রেশনকৃত সংগঠন আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করলে কোন লাভ হবে না

 

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন স্পটে যানজট নিরশনে সাধারণ জনগণের যাতায়েত নিরব ভূমিকা পালন করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটো রিক্সা অটো অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা বলেন আমাদের স্বেচ্ছা সেবার মাধ্যমে এ হবে আগামী যানজট মুক্ত সিটি কর্পোরেশন তাই আমরা সর্বদাই প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।

 

আমাদের সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন নং নারায়ণগঞ্জ (৩৭) আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে প্রত্যেক গাড়িচালকদেরকে সুন্দর একটি সিঙ্গোলার মাধ্যমে নিয়ে আসা এবং অযথা যাত্রী হয়রানি বন্ধ করা সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য।

 

একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের সংগঠনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আমাদের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তা ভিত্তিহীন বানোয়াট আমাদের রেজিস্ট্রেশনকৃত সংগঠন অটো স্ট্যান্ড টেম্পু স্ট্যান্ড বেবি স্ট্যান্ড পরিছন্নতা রাখা মালিক শ্রমিক ও যাত্রীদের সুসম্পর্ক বজায় রাখা আমাদের সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য এবং অবৈধভাবে যারা চাঁদাবাজি করে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

 

এ সময় সংগঠনের সভাপতি আরিফ হাসান বলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের চাষাড়া কালীর বাজার ২ নাম্বার গেইট সহ আরো কিছু স্পোডে আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা রয়েছে সাধারণ জনগনের সেবায় নিয়েজিত আমাদের রেজিস্ট্রেশনকৃত সংগঠন আমরা মালিক শ্রমিক ও যাত্রীদের কল্যাণে সর্বদাই প্রস্তুত আছি ইনশাআল্লাহ আমাদের সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন নং নারায়ণগঞ্জ (৩৭) এর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে তাই আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অদ্যপতি পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কোন অভিযোগ নাই আমরা সকল কিছু মোকাবেলায় সর্বদাই প্রস্তুত

 

উক্ত সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিপ্লব হোসেন তিনি বলেন আমরা সব সময় যাএীদের কল্যানে এবং চালকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরি করতে প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকি এবং মালিক শ্রমিক যাত্রীদের পারস্পরিক সম্পর্ক তৈয়ার হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা তিনি আরো বলেন আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোন লাভ হবে না কারন আমাদের নিবন্ধনকৃত সংগঠন আমরা সাধারণ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং যানজট নিরসনে কঠোর ভূমিকা পালন করে থাকি তাই একটি পক্ষ আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তাই সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি

বাঁশখালীতে রামপুর সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, বিজয়ী ৩ প্রার্থী।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
বাঁশখালীতে রামপুর সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, বিজয়ী ৩ প্রার্থী।

বাঁশখালীতে রামপুর সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, বিজয়ী ৩ প্রার্থী।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে রামপুর সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতি লিমিটেডের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল ৫টার দিকে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

 

রামপুর সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতি লিমিটেডের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩৯৯/৭২। এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন পদে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সমিতির মোট ভোটার ছিলেন ৩১৪ জন।

 

নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। একই সঙ্গে প্রার্থীদের সমর্থকরাও নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

 

প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ প্রার্থী

 

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন—

 

আলহাজ্ব মো. সরওয়ার করিম — তারা প্রতীক

 

মো. ওবাইদুল্লাহ — ফুটবল প্রতীক

 

মো. হারুন সিকদার — মোটরসাইকেল প্রতীক

 

মাওলানা মো. ইয়াসিন — কবুতর প্রতীক

 

মো. নুরুল আলম সিকদার — মাইক প্রতীক

 

মো. বাদশা মিয়া — ডাব প্রতীক

 

ভোটগ্রহণ শেষে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ভোট গণনা করা হয়। গণনা শেষে ঘোষিত ফলাফলে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে মাইক প্রতীকের মো. নুরুল আলম সিকদার বিজয়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৬৩ ভোট।

 

ফুটবল প্রতীকের মো. ওবাইদুল্লাহ পেয়েছেন ১৫৮ ভোট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে তিনিও বিজয়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

 

অন্যদিকে ডাব প্রতীকের মো. বাদশা মিয়া পেয়েছেন ১২৫ ভোট এবং তিনিও বিজয়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

 

অর্থাৎ, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ছয় প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া এই তিন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

 

ভোটকেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশ

 

নির্বাচন চলাকালে ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোটারদের উপস্থিতি, প্রার্থীদের প্রচারণা এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রমকে ঘিরে সমিতির সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যায়।

 

ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনা শেষে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কোনো প্রার্থী বা পক্ষের প্রতি অবস্থান না নিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি, ভোটগ্রহণের পরিবেশ এবং ঘোষিত ফলাফলই এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

 

ফলাফল এক নজরে

 

🥇 মো. নুরুল আলম সিকদার (মাইক) — ১৬৩ ভোট

 

🥈 মো. ওবাইদুল্লাহ (ফুটবল) — ১৫৮ ভোট

 

🥉 মো. বাদশা মিয়া (ডাব) — ১২৫ ভোট

 

উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে রামপুর সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতি লিমিটেডের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন।

বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে পর্যটক দম্পতির মৃত্যু।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে পর্যটক দম্পতির মৃত্যু।

বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে পর্যটক দম্পতির মৃত্যু।

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা।

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে এক পর্যটক দম্পতির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ৩১ জুলাই (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার বগালেক থেকে কেওক্রাডং যাওয়ার পথে পেঁপে বাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন—ভোলার মানিকারহাট এলাকার জহির উদ্দিনের ছেলে মো. জমির উদ্দিন (৩২) এবং তাঁর স্ত্রী রোকাইয়া আক্তার (৩০)।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা থেকে ১০ সদস্যের একটি পর্যটক দল বান্দরবানে ভ্রমণে আসেন। তারা রুমা উপজেলার বগালেক এলাকায় পৌঁছান। এর মধ্যে ৮ জন পর্যটক বগালেকে রাত্রিযাপন করলেও দম্পতি মো. জমির উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী রোকেয়া আক্তার প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আঁধারে কেওক্রাডংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।

 

পথিমধ্যে রুমা-কেওক্রাডং সড়কের পেঁপে বাগান এলাকায় পৌঁছালে চালক মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে গাড়িটি রাস্তার পাশের গভীর খাদে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ওই দম্পতি মারা যান।

 

খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কেওক্রাডং ও সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাতে যাতায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের বেলায় ভ্রমণের কারণেই এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।