খুঁজুন
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

দুর্গম এলাকায় চিকিৎসাসেবার অভাবে: বান্দরবানের রুমায় হামের উপসর্গে এক মাসে ৬ আদিবাসী খুমী শিশুর মৃত্যু।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
দুর্গম এলাকায় চিকিৎসাসেবার অভাবে: বান্দরবানের রুমায় হামের উপসর্গে এক মাসে ৬ আদিবাসী খুমী শিশুর মৃত্যু।

দুর্গম এলাকায় চিকিৎসাসেবার অভাবে: বান্দরবানের রুমায় হামের উপসর্গে এক মাসে ৬ আদিবাসী খুমী শিশুর মৃত্যু।

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা।

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত এক মাসে ছয় জুম্ম খুমী শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক এবং দুর্গম হওয়ায় ওই এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত ও জরুরি চিকিৎসাসেবা পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুমা সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের লিতন পাড়ায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

 

সর্বশেষ গত কয়েক দিনে হামের উপসর্গ তীব্র আকার ধারণ করায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রেটেমএং খুমী নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়।

 

এর আগে একই এলাকায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুরা হলো- ১.ফ্রেলেএং খুমী, ২.খ্রেপা খুমী (মেয়ে শিশু), ৩.শইফ্রা খুমী, ৪.খ্রেটেমএং খুমী, ৫.পলিএং খুমী, ৬.প্রেটেমএং খুমী।

 

গ্রামবাসীদের সূত্রে জানা যায়, লিতন পাড়ায় বর্তমানে আরও বেশ কয়েকজন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। পাহাড়ি অঞ্চলের বেশিরভাগ পরিবারই অত্যন্ত দরিদ্র হওয়ায় নিজ উদ্যোগে সময়মতো রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছে না।

 

স্থানীয়দের ক্ষোভ, দুর্গম এই জনপদে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জরুরি মেডিকেল টিম বা প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সময়মতো না পৌঁছানোর কারণেই একের পর এক শিশুর প্রাণ ঝরে পড়ছে।

 

জরুরি ভিত্তিতে লিতন পাড়াসহ আশপাশের দুর্গম এলাকাগুলোতে স্বাস্থ্য বিভাগের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম পাঠানো এবং আক্রান্ত শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও স্বজনরা। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

মোহাম্মদ আলমগীর লামা (বান্দরবান ) প্রতিনিধি

বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাইনঝিরিতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হইয়াছে। ফাইনাল ম্যাচে প্রতিপক্ষ দলকে পরাজিত করিয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করিয়াছে স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় স্থানীয় লাইনঝিরি মাঠে বহুল প্রতীক্ষিত এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। লাইনঝিরি ক্রীড়া ও সমাজ উন্নয়ন ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলাকে কেন্দ্র করিয়া স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, যুবসমাজ ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।

 

ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আরিফ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউসুফ আলী।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ করিম এলএলবি, লামাসাধারণ সম্পাদক আমিনুর ইসলাম খন্দকার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক চান মিয়া, লামা পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুমন, সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. জামাল।

 

খেলার শুরু হইতেই উভয় দলের খেলোয়াড়েরা জয়ের লক্ষ্যে প্রাণপণ চেষ্টা চালান। মাঠজুড়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে ফাইনাল ম্যাচটি প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য হইয়া ওঠে। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে পরাজিত করিয়া স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ বিজয়ের মুকুট অর্জন করে।

 

আয়োজকেরা জানান, যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় হইতে দূরে রাখিয়া সুস্থ বিনোদন, শারীরিক সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়িয়া তুলিবার লক্ষ্যেই এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হইয়াছে।

 

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করেন, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করিবার পাশাপাশি এলাকায় সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় করিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখিবে।

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

নিউজ ডেস্ক

পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)। সংগঠনটির অভিযোগ, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে অনুমোদনহীনভাবে জমি কেনাবেচা ও প্লট বরাদ্দের ফলে সাধারণ ক্রেতারা আর্থিক ও আইনি ঝুঁকিতে পড়ছেন। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ।

 

গত ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বাচল ও এর আশপাশে পরিচালিত চারটি আবাসন প্রকল্পকে অনুমোদনহীন ও অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো—ওয়েল কেয়ার হাউজিং, লন্ডন হাউজিং, এলেস্ট টাউন ও আনন্দ হাউজিং।

 

বিএলডিএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যথাযথ অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই এসব এলাকায় কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রকল্পে নিয়মবহির্ভূতভাবে জমি কেনাবেচা, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।

 

সংগঠনটির মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী বৈধ ও নিবন্ধিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে এবং তাদের প্রতি ক্রেতাদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং প্রশাসনের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বিএলডিএ।

 

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধভাবে প্লট বিক্রি ও বরাদ্দ বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈধ আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি এবং পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আবাসন খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন মেনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ দুটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

 

বিএলডিএ জানায়, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা দিতে সংগঠনটি প্রস্তুত রয়েছে।

রুহিয়ায় এইচএসসি ফলাফলে শীর্ষে গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় এইচএসসি ফলাফলে শীর্ষে গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়

রুহিয়ায় এইচএসসি ফলাফলে শীর্ষে গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি -২০২৬) ও সমমানের পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনে এবারও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে রুহিয়া গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, রুহিয়া গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাসের হার ৭৩.২৮ শতাংশ এবং সর্বমোট ৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। অঞ্চলের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ফলাফলে দেখা যায়, রুহিয়া টেকনিক্যাল বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজে পাসের হার ৫৪.৪১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ঢোলারহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজে পাসের হার ৪৭.৮৪ শতাংশ, রুহিয়া সালেহিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় পাসের হার ৩৬.৬৭ শতাংশ এবং রুহিয়া ডিগ্রি কলেজে পাসের হার ১৭.৪২ শতাংশ (যেখানে ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন)। এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রসঙ্গে রুহিয়া গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক পাঠদান, নিয়মিত তদারকি এবং শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকবৃন্দের সহযোগিতা ও সার্বিক শৃঙ্খলার কারণে প্রতিষ্ঠানটি রুহিয়া অঞ্চলে শীর্ষ স্থান বজায় রাখতে পেরেছে। আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে আমরা আশাবাদী। এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন বলেন, রুহিয়া গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়টি শুরু থেকেই শিক্ষার মান বজায় রেখে আসছে। প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করার জোরালো দাবি জানাচ্ছি।