খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

সাতকানিয়ায় ইউএনওকে ঘিরে অপপ্রচার, নেপথ্যে কি সুবিধা না পাওয়ার ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় ইউএনওকে ঘিরে অপপ্রচার, নেপথ্যে কি সুবিধা না পাওয়ার ক্ষোভ

সাতকানিয়ায় ইউএনওকে ঘিরে অপপ্রচার, নেপথ্যে কি সুবিধা না পাওয়ার ক্ষোভ

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের দায়িত্ব পালনকাল নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রচারণা ও অভিযোগ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কাঙ্ক্ষিত সুবিধা বা তদবির রক্ষা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই স্বার্থান্বেষী মহল এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্ন এখন জোরালোভাবে সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র ও সাবেক প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্রই পাওয়া গেছে।

 

একজন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে সমালোচনা বা ভিন্নমত থাকতেই পারে। তবে নিয়মনীতি ও সরকারি বিধিবিধানের কারণে কোনো প্রভাবশালী মহলের আবদার বা সুপারিশ প্রত্যাখ্যাত হলে তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে নানা ধরনের প্রচারণা তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। সাতকানিয়ায় দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রভাবশালী মহল থেকে নানা সুপারিশ এলেও ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান তা সব সময় গ্রহণ করেননি। বিশেষ করে বন্যা মোকাবিলা, ত্রাণ বিতরণ, উপজেলা ক্রীড়া কমিটি গঠন, উন্নয়ন প্রকল্প এবং টিউবওয়েল বরাদ্দের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা দলীয় সুপারিশের চেয়ে প্রশাসনিক নিয়মকে প্রাধান্য দেওয়ায় একটি সুবিধাভোগী মহলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়।

 

সাতকানিয়ায় ভয়াবহ বন্যার সময় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমেও বিভিন্ন পক্ষের চাপ ছিল। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নিয়ম অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণের অবস্থান নেওয়ায় প্রশাসন কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর দলীয় কর্মীদের মধ্যে তা সীমাবদ্ধ রাখেনি। ফলে কাঙ্ক্ষিত সুবিধা না পেয়ে একটি পক্ষ প্রশাসনের ওপর অসন্তুষ্ট হয়। এছাড়া স্থানীয় এক সাংবাদিক সংগঠনের সভাপতি পরিচয়ে দুই ধাপে ৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও চাল নেওয়ার পর আরও ত্রাণের বাড়তি চাহিদা প্রশাসন প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে এসব ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে ত্রাণ বিতরণের রেজিস্টার ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা জরুরি।

 

উপজেলা ক্রীড়া কমিটি গঠন নিয়েও স্থানীয় মহলের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিরোধ দেখা দেয়। একটি বিতর্কিত ব্যক্তিকে কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনয়নের প্রস্তাব প্রশাসন কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় অসন্তোষ আরও বাড়ে। পাশাপাশি, অবৈধ মাটি-বালু ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক তদবির উপেক্ষা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ায় স্বার্থান্বেষী মহলটি আরও বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

 

সাবেক প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তিতে লিপ্ত কিছু ব্যক্তি ও নামধারী সাংবাদিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব গুজব ও অপপ্রচারে অংশ নিয়েছেন। তবে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও লেনদেনের তথ্য ছাড়া এ ধরনের গুরুতর অভিযোগকে একপেশেভাবে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া সমীচীন নয়।

 

সাতকানিয়ায় ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতির জটিল সময়ে ইউএনও এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে খোন্দকার মাহমুদুল হাসানকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলা, ভূমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁর মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। বিদায়লগ্নে তাঁর একটি বক্তব্য—“আমি যদি সাতকানিয়ায় না আসতাম, অনেক কিছুই আমার অজানা থেকে যেত। এমনকি একটি গোষ্ঠীর চেহারা সম্পর্কেও অজানা থেকে যেতাম”—নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা চললেও একে কেবল ব্যক্তিগত বিরোধ হিসেবে দেখা যায় না।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এই ধারাবাহিক প্রচারণা কি গঠনমূলক সমালোচনা, নাকি সুবিধা না পাওয়ার ক্ষোভ—সেটি স্পষ্ট হওয়া দরকার। প্রশাসনের কোনো কার্যক্রমে অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ যেমন প্রমাণের সাপেক্ষে খতিয়ে দেখা উচিত, তেমনি ব্যক্তিগত আক্রোশ বা স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হলেও তা জনস্বার্থেই উন্মোচন করা প্রয়োজন।

 

আবেগ বা সামাজিক মাধ্যমের গুজবের ওপর নির্ভর না করে ত্রাণ বিতরণের তালিকা, উন্নয়ন প্রকল্পের কাগজপত্র, ক্রীড়া কমিটির প্রস্তাব এবং প্রশাসনিক আদেশের মতো দালিলিক প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে সত্য উদঘাটন করাই এখন সবচেয়ে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।

পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

‎পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

।শহিদুল ইসলাম পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ছয় পেশাদার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা নিজ উদ্যেগে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বাদী নুর হোসেন। ‎

 

রোববার (১ নভেম্বর) সকালে পটিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন তিনি। পরে আদালতের বিচারক আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

 

‎মামলার আসামিরা হলেন পটিয়ায় প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দৈনিক যুগান্তরের ও বাংলা টিভির প্রতিনিধি আবেদুজ্জমান আমিরী, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি রবিউল হোসেন, অর্থ সম্পাদক দৈনিক জনকণ্ঠ ও সুপ্রভাতের প্রতিনিধি বিকাশ চৌধুরী,

 

চট্টগ্রাম মঞ্চের প্রতিনিধি সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম কাদের,আপ্যায়ন সম্পাদক দেশ টিভির প্রতিনিধি মহিউদ্দিন চৌধুরী, সদস্য দৈনিক দেশ রূপান্তরের ও আনন্দ টিভির দক্ষিন জেলা প্রতিনিধি আ.ন.ম. সেলিম চৌধুরী।

 

‎জানা যায়, চলতি বছরের ১১ জুন সাংবাদিক নুর হোসেন বাদী হয়ে ১৭/২৬ নম্বর মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে কয়েকজনের প্ররোচনায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল বলে উপলব্ধি করেন তিনি। সাংবাদিকদের মধ্যে বিভেদ ও ঐক্যে ফাটল ধরানোর আশঙ্কা থেকে মামলাটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ‎ আদালতের মাধ্যমে মামলাটি প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অবসান ঘটল।

 

শুনানীতে অংশ নেয়া অ্যাডভোকেট শাহীনা আকতার জানান, মামলা প্রত্যাহারের আবেদন আদালত গ্রহণ করে পটিয়া থানা পুলিশকে বিনা মন্তব্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশনা দেন।

 

পটিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন জানান, পেশাগত ঐক্য ধরে রাখতে সবপক্ষ যেন দায়িত্বশীল আচরণ করেন সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। পটিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কমিটি ১জুন থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছে বলে জানান।

লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি:

‘দক্ষ যুব গড়বো দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামা উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে যুব র‍্যালি, যুব ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

রোববার (১ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, লামার যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আলী হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা নাদিম এবং লামা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ করিম (এল.এল.বি)।

 

সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খন্দকার আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন আরো উপস্থিত ছিলেন অশ্বিনী কুমার নন্দী

 

দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথমে একটি বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক পরিবর্তনে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুবকদের শুধু শিক্ষিত করলেই হবে না, বরং সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ, কর্মমুখী ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

 

বক্তারা আরও বলেন, বেকারত্ব দূরীকরণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও ঋণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ সময় ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার করে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য যুবকদের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

 

আলোচনা সভা শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও উদ্যোগী যুবকদের মাঝে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় উন্নয়নে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়

 

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন এলাকার যুবক-যুবতীরা উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান:

বান্দরবানের আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ই অক্টোবর (শনিবার) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজ ম্যা মা চিং-এর পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের সদস্য চ নু মং মার্মা।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সম্মানিত প্রতিনিধিরা এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক মানোন্নয়নে জেলা পরিষদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পরিষদের বক্তারা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং সামাজিক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের এ ধরণের সহায়ক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চনুমং মার্মা এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উদ্বোধন শেষে বিহারের সার্বিক সাফল্য এবং এলাকাবাসীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।