খুঁজুন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বান্দরবানের থানচিতে প্রবারণায় চালের ডিও বিক্রির টাকা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে প্রবারণায় চালের ডিও বিক্রির টাকা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

বান্দরবানের থানচিতে প্রবারণায় চালের ডিও বিক্রির টাকা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বরাদ্দকৃত চালের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিক্রি করে প্রাপ্ত নগদ টাকা বিতরণে চরম বৈষম্য ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কোনো কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের সমপরিমাণ অর্থ পেলেও অনেক বিহারকে নির্ধারিত অঙ্কের চেয়ে কম টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট বিহারের অধ্যক্ষরা। কোথাও কোথাও বরাদ্দের প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কেও পরিচালনা কমিটিকে অন্ধকারে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ও অধিবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

 

স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রবারণা পূর্ণিমা ও শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন উপলক্ষে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় থানচি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ৮১টি বৌদ্ধবিহার এবং ২টি শারদীয় দুর্গামন্দিরসহ মোট ৮৩টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৪৯ দশমিক ৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। সে হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পাওয়ার কথা ছিল ৬০০ কেজি করে চাল। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিও হস্তান্তর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. শরিফুল ও রুবেল জানান, ডিও বিতরণের দিন রেমাক্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা রনি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর প্রতিনিধি মংশৈম্রাই মারমা উপস্থিত থেকে মোট ৭৯টি ডিও নিয়ে যান। এর মধ্যে রেমাক্রী ও তিন্দু ইউনিয়নের ৩৪টি এবং থানচি সদর ও বলিপাড়া ইউনিয়নের ৪৫টি ডিও ছিল। পরে এসব ডিও ডিলারের কাছে বিক্রি করে নগদ টাকায় রূপান্তর করা হয়। তবে বাকি ৪টি ডিও মৈত্রী শিশু সদন, করুণা শিশু সদন ও ২টি দুর্গামন্দিরের প্রতিনিধিরা সরাসরি গ্রহণ করেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, ডিও বিতরণের দিন থেকে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্যগুদামের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অনুপস্থিতির কারণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি গুদাম থেকে চাল উত্তোলন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়।

 

রেমাক্রী ইউনিয়নের ক্যবু পাড়া বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ উ. অগ্রবংশ ভিক্ষু, রেমাক্রী বাজার বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ উ. সুচিত্ত্বা মহাথেরো এবং কোয়াইক্ষ্যং পাড়া বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ উ. পয়ঞাজতা ভিক্ষু জানান, চেয়ারম্যান ও মন্ত্রীর প্রতিনিধি তাঁদের জানান যে প্রতি কেজি চাল ৩৬ টাকা দরে ৬০০ কেজির ডিও বিক্রি করে মোট ২১ হাজার ৬০০ টাকা পাওয়া গেছে।

 

ক্যাং পরিচালনা কমিটির সম্মতি নিয়ে প্রশাসনিক খরচ বাবদ ১ হাজার টাকা এবং উপজেলা যুব সম্প্রদায়ের প্রবারণা উৎসব পরিচালনা কমিটির জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা কেটে রাখার কথা বলা হয়। এতে মোট আড়াই হাজার টাকা বাদ দিয়ে ১৯ হাজার ১০০ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে বিহারের অধ্যক্ষদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মাত্র ১৫ হাজার টাকা করে।

 

বিহারের অধ্যক্ষরা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও জানান, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিহারগুলোর নামে সরকারি বরাদ্দ থাকলেও তাঁরা বিষয়টি ঘুণাক্ষরেও জানতেন না। এত বছর ধরে চেয়ারম্যানরা তাঁদের নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছেন বলেই তাঁরা জেনে এসেছেন।

 

সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা গেছে, বরাদ্দের তালিকায় নাম থাকলেও রেমাক্রী ইউনিয়নের চাইহ্লাউ পাড়া, ক্রাহ্লাঅং পাড়া এবং তিন্দু ইউনিয়নের সাউপ্রু পাড়া, ওয়েলাওয়া পাড়া ও ছাংওডং পাড়াসহ কয়েকটি মারমা-অধ্যুষিত গ্রামে বাস্তবে কোনো বৌদ্ধবিহার বা ভিক্ষু নেই। বিহারহীন এসব গ্রামের নাম কীভাবে সরকারি বরাদ্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

অভিযোগের বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর প্রতিনিধি মংশৈম্রাই মারমা জানান, তিনি পিআইও কার্যালয় থেকে ৪৫টি ডিও নিয়ে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে বিক্রি করেছেন এবং প্রতিটি বিহারের অধ্যক্ষের কাছে গিয়ে উপস্থিত হয়ে টাকা বুঝিয়ে দিয়েছেন।

 

অন্যদিকে, থানচি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মসফিকুর রহমান বলেন, “ইউপি চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষর করা ১২০টি বিহারের তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের পর ৮৩টি প্রতিষ্ঠানের জন্য চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। মিলনায়তনে প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিদের কাছে ডিও হস্তান্তরের পর তারা নিজেরা কী করেছেন, তা আমাদের জানা নেই। তবে অফিস খরচের নামে কোনো টাকা কাটার সিদ্ধান্ত ছিল না। যদি কোনো কর্মচারী এ ধরনের টাকা নিয়ে থাকেন, তবে তা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং টাকা কম দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

বিহারগুলোর পরিচালনা কমিটি অবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষে চাল বরাদ্দের পূর্ণাঙ্গ হিসাব ও আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে।

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

টেকনাফে সড়কের ব্রিজ বন্ধ করে দিয়ে দোকান নির্মাণ বর্ষামৌসুমে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার আশংকা জনমনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

 নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা আলী খালী রাস্তার মাথায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সংযোগ সড়কে নির্মাণ করা একটি ব্রিজের ৩ টি মিনি ব্রিজের মধ্য থেকে ১ টি মিনি ব্রিজের  মুখ বন্ধ করে দিয়ে তার উপরে ঢালাই দিয়ে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায় আলীখালী রোডের প্রবেশদ্বার সড়কের ব্রিজটিকে বর্ষা মৌসুমের প্রবল বর্ষনের পানি চলাচলের উপযোগী করে ৩ টি মিনি ব্রিজ দিয়ে  নির্মাণ করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জনাগেছে স্থানীয় জাফর আলমের ছেলে  প্রভাবশালী আবুল হোছাইন রাতের অন্ধকারে একটি মিনি ব্রিজের মূখ ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে ব্রিজটির উপর দোকান নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

 

এতে করে আসন্ন  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসৃষ্টি করে জন দূর্ভোগ তৈরির আশংকা রয়েছে । বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে পাহাড়ী ঢলের পানি যথাযথ চলাচল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা।

 

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

 

একটি বাস্তবমূখী ব্রিজের মূখ বন্ধ করে দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের পাশে দোকান নির্মাণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহল কে। এই বিষয়ে তদন্ত পূর্বক  দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রুকুনুজ্জামান বলেছেন এ বিষয়টি দেখার জন্য আগামীকাল অফিস থেকে লোক যাবে যদি কোন অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অভিযুক্ত আবুল হোছাইনের সাথে  যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ব্রিজের মূখ বন্ধ করে নাই বলে জানালে ও পরে  যদি বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে খুলেদেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।###

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

বান্দরবানের থানচিতে মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা: মাদক ও অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই—পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের মাদকের নেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ যুগাচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বাড়িয়ে ছেলেমেয়েদের সুস্থতা রক্ষায় পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

 

আজ সন্ধ্যায় বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল থানচি উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ‘থানচি মহিলা ফুটবল দলের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গণে তরুণদের পাশাপাশি মহিলা খেলোয়াড়রাও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা ক্রীড়াবিদরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ফুটবল খেলায় তাদের দারুন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছে। মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও বলেন, তরুণসমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। স্কুল পর্যায় থেকে যদি নিয়মিত ক্রীড়াচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তবে এই নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে নেতৃত্ব গুণাবলী, শৃঙ্খলাপরায়ণতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির মানসিকতা গড়ে উঠবে। এভাবেই দেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলায় আরও দক্ষ করে গড়ে তুলে বাংলাদেশের কৃতিত্ব অর্জনের পথকে আরও সুগম করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে থানচি মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রী সাচিং প্রু বিজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধিত করেন এবং তাদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মমচিং, থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল রুবায়েত জামিল, বলিপাড়া বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়ান এর সিও ইয়াসিন আরাফাত, রুমা বিজিবির অধিনায়ক হাসান শাহরিয়ার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, সাবেক থানচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খামলাই ম্রোসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নাছির, সম্পাদক জাকির

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

উৎসবমুখর পরিবেশে, সাংবাদিকদের সরব উপস্থিতি ও আনন্দঘন আবহে সম্পন্ন হয়েছে বান্দরবান প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন (২০২৬-২০২৮)। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দিনভর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বিরাজ করছিল এক জমকালো ও উৎসবের আমেজ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে প্রেসক্লাবের সাংবাদিক সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য তাঁদের যোগ্য নেতৃত্ব ও পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করেন।

ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে গঠিত নতুন নির্বাহী কমিটির বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফলাফলে— সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাছিরুল আলম। সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন এন এ জাকির। যুগ্ম সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছেন রিজভী রাহাত। কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ইসহাক। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল ২৮ই অক্টোবর (বুধবার)।

নির্বাচন শেষে বিজয়ী প্রার্থীরা প্রেসক্লাবের সব সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি, বান্দরবানের বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

উৎসবমুখর এ নির্বাচনে সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন ও প্রশংসার জোয়ারে ভেসেছেন সদ্য নির্বাচিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

 

উল্লেখ্য: বান্দরবান প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৬-২৮ এর ৫টি পদের জন্য প্রার্থী হিসেবে ১৫জন প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন। যথাক্রমে: সভাপতি পদ (৩ জন): নাছিরুল আলম, ফরিদুল আলম সুমন এবং অধ্যাপক মোঃ ওসমান গনি। সহ-সভাপতি পদ (৪ জন): মোঃ মোজাম্মেল হক, মিনারুল হক, মোঃ হোসাইন সম্রাট এবং এম এ হাকিম চৌধুরী। সাধারণ সম্পাদক পদ (২ জন): টিংশৈপ্রু মংটিং মার্মা এবং এন এ জাকির। যুগ্ম সম্পাদক পদ (৪ জন): মোঃ নুরুল কবির, মংখিং মার্মা, রিজভী রাহাত এবং মোহাম্মদ আলী। কোষাধ্যক্ষ পদ (২ জন): কৌশিক দাশ গুপ্ত এবং মোঃ ইসহাক।