খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

অবহেলিত জনপথ: ভোগান্তিতে হাজারো শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
অবহেলিত জনপথ: ভোগান্তিতে হাজারো শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।

অবহেলিত জনপথ: ভোগান্তিতে হাজারো শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

 

সাতকানিয়ার গোয়াজারপাড়া টু ছৈয়দাবাদ এমদাদুল উলুম দুদু ফকির মাদ্রাসা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও সড়কটির সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। বর্তমানে সড়কটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে, এটি এখন জনচলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় চলাচলে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলে সড়কটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, যা পথচারীদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের জন্য কথা বললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। এটি যেন দেখার কেউ নেই।”

 

এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। বিশেষ করে এমদাদুল উলুম দুদু ফকির মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের এই পথে প্রতিদিন আসা-যাওয়া করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “ভাঙা ও গর্তে ভরা এই সড়ক দিয়ে নিয়মিত স্কুলে-মাদ্রাসায় যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। বিশেষ করে বর্ষাকালে আমাদের জামা-কাপড় নষ্ট হয়ে যায় এবং মাঝে মাঝেই আমরা পড়ে গিয়ে আহত হই।”

 

স্থানীয়দের দাবি, জনস্বার্থে এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হোক। সড়কটির সংস্কারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পৃথক দুটি স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার: একটি হত্যা, অন্যটি রহস্যজনক।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পৃথক দুটি স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার: একটি হত্যা, অন্যটি রহস্যজনক।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পৃথক দুটি স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার: একটি হত্যা, অন্যটি রহস্যজনক।

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় পৃথক দুটি স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার চরতী ও ছদাহা ইউনিয়ন থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং অপর ঘটনায় এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

 

নিহতরা হলেন ছদাহা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত ফজল করিমের ছেলে মো. ইউনুস এবং নলুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড মরফলা এলাকার নুরুল কবিরের ছেলে মো. হাসান।

 

সাতকানিয়ার চরতী ইউনিয়নের পানি চরতী এলাকার একটি বিদ্যুৎ খুঁটির পাশ থেকে মো. হাসান নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তার পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সাতকানিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গত কয়েক দিন ধরে নিহত ব্যক্তিকে ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিলেন।

 

নিহতের মামা সাইফুদ্দিন জানান, তার ভাগিনা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং তার বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কিছু, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে।

 

এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, চরতী ইউনিয়নের পানি চরতী এলাকা থেকে উদ্ধার করা মো. হাসানের শরীরে আঘাতের কোনো স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।

 

অপরদিকে, সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে জায়গা-জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. ইউনুস নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন সেই বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন ইউনুসের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

 

এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

 

এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ছদাহা ইউনিয়নে জায়গা-জমির বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. ইউনুস নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

উন্নয়নের প্রচারণা নয়, পুকুরিয়ার মানুষের চাই দৃশ্যমান পরিবর্তন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
উন্নয়নের প্রচারণা নয়, পুকুরিয়ার মানুষের চাই দৃশ্যমান পরিবর্তন।

উন্নয়নের প্রচারণা নয়, পুকুরিয়ার মানুষের চাই দৃশ্যমান পরিবর্তন।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।

 

পুকুরিয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা মহলে আলোচনা ও প্রশংসা শোনা যায়। তবে একজন জনপ্রতিনিধির উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রকৃত মূল্যায়ন হওয়া উচিত প্রচার-প্রচারণায় নয়; বরং বাস্তব কাজ, জনদুর্ভোগের সমাধান এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান পরিবর্তনের মাধ্যমে।

 

এই জায়গা থেকেই পুকুরিয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে কিছু স্বাভাবিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্ন সামনে আসা জরুরি।

 

দক্ষিণ হাজিগাঁওয়ের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক সিম্মির ছড়া সড়ক দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। মানুষের চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের উন্নয়ন বা সংস্কারে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—তা জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।

 

একইভাবে বরপোরা সড়ক এলাকাবাসীর যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এই সড়কের উন্নয়ন ও সংস্কারের বর্তমান অবস্থা কী, ইতোমধ্যে কী কাজ হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কী পরিকল্পনা রয়েছে—এসব বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট তথ্য থাকা প্রয়োজন।

 

অন্যদিকে, বাঁশখালী প্রধান সড়ক থেকে হাজিগাঁও-বরুমচড়া পর্যন্ত সংযোগকারী ওহাব মিয়া সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তায় রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এই সড়ককে উন্নয়নের অগ্রাধিকারে আনা হবে কি না, সেটিও এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

 

পুকুরিয়ার বিভিন্ন পুরোনো সড়ক নিয়েও একই ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। কোনো একটি সড়ক যদি দীর্ঘ ২০–২৫ বছরেও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বা উন্নয়ন না পায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই জানতে হয়—প্রকল্প নির্বাচনে অগ্রাধিকার কীভাবে নির্ধারণ করা হয়, কোন ভিত্তিতে একটি সড়ক আগে এবং অন্যটি পরে উন্নয়ন পায়, এবং দীর্ঘদিনের প্রয়োজনগুলো কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়।

 

উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও তদারকিতেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তা, কালভার্ট কিংবা অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও প্রশাসনের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় এবং নিয়মিত তদারকি থাকলে কাজের মান নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারও নিশ্চিত করা সম্ভব।

 

উন্নয়ন মানে শুধু দৃশ্যমান কিছু কাজ নয়

 

উন্নয়ন মানে শুধু কয়েকটি রাস্তা, কালভার্ট কিংবা অবকাঠামো নির্মাণ নয়। উন্নয়ন মানে মানুষের দুর্ভোগ কমানো, যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা, প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার।

 

কোনো এলাকার মানুষ যদি দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা, ড্রেনেজ, কালভার্ট কিংবা যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ করে, তাহলে সেই অভিযোগকে রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে না দেখে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াই দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয়।

 

পুকুরিয়ার মানুষ কারও বিরুদ্ধে নয়; তারা পুকুরিয়ার উন্নয়নের পক্ষে। তারা গালভরা প্রচারণা নয়, চায় বাস্তব উন্নয়ন, সমান সুযোগ, স্বচ্ছতা এবং কার্যকর জনসেবা।

 

কে কতটা প্রচারণা করলেন—তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, মাঠে বাস্তবে কী কাজ হয়েছে এবং সেই কাজের সুফল সাধারণ মানুষ কতটা পেয়েছে।

 

তাই রাজনৈতিক বিভাজন, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা পারস্পরিক দোষারোপ নয়—

 

পুকুরিয়ার উন্নয়নে আসুন, বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করি, প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিই এবং জনস্বার্থকে সবার আগে রাখি।

 

কারণ শেষ পর্যন্ত জনগণ প্রচারণা নয়—উন্নয়নের বাস্তব ফলাফলই মনে রাখে।

বান্দরবানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন।

বান্দরবানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বান্দরবানে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। আজ: ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবান জেলা প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্‌যাপিত হয়।

মাছরাঙা টেলিভিশনের বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি কৈশিক দাশের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস,

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা, বান্দরবান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ নুরুল আবছার চৌধুরী, বান্দরবান জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, বান্দরবান জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিল্টন মহুরী, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকির এবং জেলা তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুদক ) বান্দরবান জেলার সভাপতি অং চ মং মারমা, জেলা সদর সমাজসেবা কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার সহ জেলার কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ রা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাছরাঙা টেলিভিশন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার ও সৃজনশীল অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে দেশের মানুষের মন জয় করেছে। বিশেষ করে বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলের নানা সমস্যা, সম্ভাবনা, সংস্কৃতি ও পর্যটনের চিত্র জাতীয় গণমাধ্যমে তুলে ধরে এই চ্যানেলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আগামী দিনেও সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে মাছরাঙা টেলিভিশন গণমানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে পথচলা অব্যাহত রাখবে বলে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন।

আলোচনা সভা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে নিয়ে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তির কেক কাটার মধ্য দিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘটে।