খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মধু পূর্ণিমা আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মধু পূর্ণিমা আজ

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ মধু পূর্ণিমা আজ

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ মধু পূর্ণিমা’ আজ যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে সারাবিশ্বের ন্যায় দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় নানা আচার অনুষ্ঠান ও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে শুভ মধু পূর্ণিমা।

বৌদ্ধ ধর্মীয় ইতিহাস অনুযায়ী, সুদূর অতীতে বনের হাতি ও বানরের মধ্যে প্রীতি ও সেবামূলক এক অনন্য ঘটনার স্মৃতিবিজড়িত দিন এটি। কথিত আছে, গৌতম বুদ্ধ কোসাম্বী নগরের ঘোষিতা নামক আরামে অবস্থানকালে ভিক্ষু সংঘের অভ্যন্তরীণ বিবাদ মেলাতে ব্যর্থ হয়ে একা বনের গভীরে চলে যান। তখন বন্য হাতি ‘পারিলিলে্যক’ বুদ্ধের সেবায় এগিয়ে আসে এবং বানর দল ভক্তিভরে মধু সংগ্রহ করে বুদ্ধের পানে নিবেদন করে। বুদ্ধ সেই মধু গ্রহণ করায় বানরটি আনন্দে আত্মহারা হয়ে গাছে গাছে লাফালাফি করতে গিয়ে মারা যায় এবং পুণ্যফলে স্বর্গে জন্মগ্রহণ করে। এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছর এই তিথিতে বানর কর্তৃক মধু দানের কথা স্মরণ করে বুদ্ধ ও ভিক্ষু সংঘকে মধু দান করে থাকেন।

বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে দিনটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে এবং চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে‌। সকালে জাতীয় পতাকা ও বৌদ্ধ পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বুদ্ধের চরণে ফুল ও ফল নিবেদন এবং সমবেত প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পুণ্যার্থীরা বিহারে গিয়ে অষ্টশীল ও পঞ্চশীল গ্রহণ করেন এবং ভিক্ষু সংঘের কাছ থেকে মধু পূর্ণিমার ইতিহাস ও ধর্মের বাণী শ্রবণ করেন। প্রতিটি বিহারে সমবেত হয়ে পুণ্যার্থীরা ভিক্ষু সংঘের উদ্দেশ্যে মধু ও অন্যান্য দান সামগ্রী উৎসর্গ করে থাকেন।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মতে, মধু পূর্ণিমা কেবল একটি আচার-অনুষ্ঠান নয়; এটি অহিংসা, পরোপকার এবং মানবপ্রেমের শিক্ষা দেয়। সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বুদ্ধের বাণী ও এই উৎসবের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দিনটি উপলক্ষে সারাবিশ্ব ও দেশবাসীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ চার বছর ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে বাহারছড়ার প্রধান এলজিইডি সড়কটি। কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরা এই সড়কে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নারী-শিশু, বৃদ্ধসহ হাজারো সাধারণ মানুষকে। বাধ্য হয়ে অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২২ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ভোগান্তির অবসান ঘটাতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় জনজীবন একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে।

 

প্রতিদিন এই ভাঙা রাস্তা দিয়েই চলাচল করতে হয় বাহারছড়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের। ছোট-বড় নানা ধরনের যানবাহন চলাচলের সময় প্রতিনিয়ত ঝাঁকুনিতে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগীরা। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

 

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, এলজিইডি ও মেরিন ড্রাইভ রোডটি পর্যটন নগরীর ভারসাম্য বজায় রেখে যানবাহন চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধান সড়কটি ভঙ্গুর থাকায় বাধ্য হয়ে সমস্ত যানবাহন একচেটিয়াভাবে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে চলাচল করছে। এর ফলে ওই সড়কে অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচলের কারণে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে তাজা প্রাণ।

 

এছাড়া স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, এই ভাঙা রাস্তার কারণে ওই এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতিও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অপরাধমূলক কার্যক্রম দমনে খারাপ যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অবহেলার কারণে উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই জনপদের মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নির্বাচন এলেই বিভিন্ন প্রার্থীর মুখে রাস্তা সংস্কারের লম্বা ইশতেহার শোনা যায়, কিন্তু ভোটের পর কাজের কাজ কিছুই হয় না। রাস্তা সংস্কারের নামে এই টালবাহানা আর সহ্য করা হবে না।

 

জনসাধারণের এই মৌলিক ও নায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ শুরু না হলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান পৌরসভার বনরুপা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্দিক নগর এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটো চার্জিংয়ের অভিযোগে একটি গ্যারেজে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়েছে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগ। অভিযানের সময় অবৈধভাবে চার্জরত অবস্থায় থাকা ৪টি অটোরিকশা এবং চার্জিংয়ে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

 

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত প্রায় ১২টার দিকে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

বিদ্যুৎ বিভাগের সূত্র জানায়, সিদ্দিক নগর এলাকার শাহ আলম নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটো চার্জিংয়ের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্যারেজে চার্জরত অবস্থায় ৪টি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।অভিযান চলাকালে শাহ আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। পরে তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কক্সবাজারে অবস্থান করছেন বলে জানান। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, তাদের নিজস্ব সূত্রে জানা গেছে তিনি এলাকাতেই আশপাশে অবস্থান করছিলেন।

 

অভিযান শেষে নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেন বলেন, “অবৈধভাবে অটো চার্জ দেওয়ার কারণে বিদ্যুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এতে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। যারা এ ধরনের অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ চুরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ চুরি রোধে বান্দরবান জেলাজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ছাড় দেওয়া হবে না।

 

এদিকে, মধ্যরাতের এ অভিযানে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে অটো চার্জ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এবার বিদ্যুৎ বিভাগের সরাসরি অভিযানে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

রুহিয়ায় ধ্বংসের মুখে ৭ বিঘা ধানক্ষেত দোকানদারের পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৬ পূর্বাহ্ণ
রুহিয়ায় ধ্বংসের মুখে ৭ বিঘা ধানক্ষেত দোকানদারের পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ

রুহিয়ায় ধ্বংসের মুখে ৭ বিঘা ধানক্ষেত দোকানদারের পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় কীটনাশক বিক্রেতা ও বেসরকারি একটি পেস্টিসাইড কোম্পানির কর্মীর পরামর্শে ক্ষেতে ওষুধ প্রয়োগ করে ৭ বিঘা জমির ধান হারানোর উপক্রম হয়েছে তৈয়ব আলী নামে এক কৃষকের । সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে পুরো ক্ষেতের ধান লাল-ধূসর হয়ে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুহিয়া ইউনিয়নের মধুপুর কাকলী স্কুলসংলগ্ন এলাকার আনোয়ার মুন্সীর ছেলে তৈয়ব আলী মধুপুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবুর কাছ থেকে ৭ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে ধানের আবাদ করেন। সম্প্রতি ধানের রোগবালাই রোধে পরামর্শের জন্য তিনি রুহিয়া ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে কালীতলা বাজারের ‘হবিবর ট্রেডার্স’ এর স্বত্বাধিকারী হবিবরের দ্বারস্থ হন। অভিযোগ রয়েছে, হবিবর ‘মিম প্লেক্স এগ্রো কোম্পানি লিমিটেড’ এর এক প্রতিনিধিকে দিয়ে ক্ষেত পরিদর্শন করান এবং তাঁরই পরামর্শে কৃষককে সেতারা, এমিস্কোর, কোটান ও ভ্যালেন্ট টেক লিঃ-এর লুপিন প্লাস নামক কীটনাশক মিশ্রণ স্প্রে করার পরমর্শ দেন। গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তৈয়ব আলী ওই কীটনাশক স্প্রে করার পরদিন থেকেই পুরো ক্ষেতের ধান লাল ও ধূসর রঙ ধারণ করে পচতে শুরু করে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তৈয়ব আলী বলেন, কৃষি কর্মকর্তাকে সময়মতো না পেয়ে বাধ্য হয়ে দোকানদার ও কোম্পানির লোকজনের কথায় ওষুধ দিয়েছিলাম। বর্গা নেওয়া ৭ বিঘা জমির ধান এভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমি এখন নিঃস্ব। পরিবার নিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হবিবর ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী হবিবর বলেন, এই ওষুধ অন্য কৃষকদেরও দেওয়া হয়েছে, তবে তাঁদের কোনো অভিযোগ আসেনি। যেহেতু তৈয়ব আলীর ক্ষেতে ক্ষতি হয়েছে, তাই একজন কৃষিবিদ এনে ওষুধ পরিদর্শনের মাধ্যমে তাঁকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। এই বিষয়ে রুহিয়া ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জুয়েল ইসলাম উক্ত ক্ষেত পরিদর্শনপূর্বক বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এই ধানক্ষেতটিতে একসাথে কয়েক প্রকার কীটনাশক সংমিশ্রণে দুপুর সময়ে স্প্রে করার ফলে এমনটি হতে পারে। আমরা এই ধানক্ষেত টি ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। বিষয়টি দৃষ্টিগোচর করা হলে রুহিয়া উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল আলম জানান, তিনি দ্রুতই সরজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শন করবেন এবং কৃষককে সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এদিকে স্থানীয় কৃষক শাহা আলম ও এনামুল হক (খাটাস) ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পাওয়া যায় না। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক ও সরকারি পরামর্শ সেবা সচল থাকলে কৃষকদের অদক্ষ দোকানদার বা কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের ওপর নির্ভর করতে হতো না এবং এমন আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না।