খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

তাকরিম একাদশের বুকভাঙ্গা হার; রোমাঞ্চকর ফাইনালে শিরোপা উল্লাস ধর্মপুর ফুটবল একাদশের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
তাকরিম একাদশের বুকভাঙ্গা হার; রোমাঞ্চকর ফাইনালে শিরোপা উল্লাস ধর্মপুর ফুটবল একাদশের

তাকরিম একাদশের বুকভাঙ্গা হার; রোমাঞ্চকর ফাইনালে শিরোপা উল্লাস ধর্মপুর ফুটবল একাদশের

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

বান্দরবান সদর উপজেলাধীন ৪নং সুয়ালক ইউনিয়নের সুয়ালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে ইয়ং স্টার ফুটবল একাডেমীর আয়োজনে জমজমাট ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হলো ‘গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ২৬ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকেলে অনুষ্ঠিত টানটান উত্তেজনার ফাইনালে তাকরিম ফুটবল একাদশকে টাইব্রেকারে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ধর্মপুর ফুটবল একাদশ।

ফাইনাল খেলার শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিরা ফিতা কেটে গ্র্যান্ড ফাইনালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর অতিথিদের ক্রেস্ট ও ফুলের তোড়া দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। বর্ণাঢ্য আয়োজনের অংশ হিসেবে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও ট্রফি উন্মোচনের মধ্য দিয়ে মাঠে গড়ায় মহারণ।

খেলার শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে মাঠে গতি ধরে রাখে। নির্ধারিত সময়ে উভয় দল গোলের দেখা পেতে মরিয়া হলেও জমাট রক্ষণভাগের কারণে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচটি গোলশূন্যভাবে ড্র হলে খেলা গড়ায় রোমাঞ্চকর পেনাল্টি শুট আউটে। সেখানে তাকরিম ফুটবল একাদশকে পেছনে ফেলে জয় নিশ্চিত করে ধর্মপুর ফুটবল একাদশ।

খেলা শেষে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা ক্রীড়া আহ্বায়ক চ নু মং মার্মা। তিনি যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে এমন আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্য ছরোয়ার জামাল এবং মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক শহিদুল ইসলাম বাবর। এছাড়া বান্দরবান জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (DFA) সদস্য মোহাম্মদ ফিরোজ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজক কমিটির সভাপতি বিপ্লব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের সার্বিক সফলতার চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য দেওয়া হয়। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি ও প্রাইজমানি এবং টুর্ণামেন্ট সেরা পারফরমারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। শত শত দর্শকের উপস্থিতিতে এই ফাইনাল খেলাটি বান্দরবান সুয়ালক এর ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে এক আনন্দঘন উৎসবের আমেজ তৈরি করে।

উল্লেখ্য: গত পহেলা আগস্ট ১৬ দল নিয়ে টুর্ণামেন্ট এর যাত্রা শুরু হয়। যেখানে নক আউট ও কোয়ার্টার ফাইনাল এবং সেমিফাইনাল শেষে আজ ২৬ই সেপ্টেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে এই জমজমাট আসরের সমাপ্তি ঘটে। পুরো টুর্ণামেন্টে যৌথভাবে খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সাতকানিয়া ও বান্দরবান রেফারি এসোসিয়েশনের রেফারি বৃন্দ।

চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

চার বছর ধরে বেহাল বাহারছড়ার প্রধান সড়ক: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ চার বছর ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে বাহারছড়ার প্রধান এলজিইডি সড়কটি। কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরা এই সড়কে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নারী-শিশু, বৃদ্ধসহ হাজারো সাধারণ মানুষকে। বাধ্য হয়ে অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২২ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ভোগান্তির অবসান ঘটাতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় জনজীবন একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে।

 

প্রতিদিন এই ভাঙা রাস্তা দিয়েই চলাচল করতে হয় বাহারছড়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের। ছোট-বড় নানা ধরনের যানবাহন চলাচলের সময় প্রতিনিয়ত ঝাঁকুনিতে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগীরা। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

 

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, এলজিইডি ও মেরিন ড্রাইভ রোডটি পর্যটন নগরীর ভারসাম্য বজায় রেখে যানবাহন চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধান সড়কটি ভঙ্গুর থাকায় বাধ্য হয়ে সমস্ত যানবাহন একচেটিয়াভাবে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে চলাচল করছে। এর ফলে ওই সড়কে অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচলের কারণে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে তাজা প্রাণ।

 

এছাড়া স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, এই ভাঙা রাস্তার কারণে ওই এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতিও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অপরাধমূলক কার্যক্রম দমনে খারাপ যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অবহেলার কারণে উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই জনপদের মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নির্বাচন এলেই বিভিন্ন প্রার্থীর মুখে রাস্তা সংস্কারের লম্বা ইশতেহার শোনা যায়, কিন্তু ভোটের পর কাজের কাজ কিছুই হয় না। রাস্তা সংস্কারের নামে এই টালবাহানা আর সহ্য করা হবে না।

 

জনসাধারণের এই মৌলিক ও নায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধান সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ শুরু না হলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

বান্দরবানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অটো চার্জিং গ্যারেজে মধ্যরাতের অভিযান, ৪ অটো জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান পৌরসভার বনরুপা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্দিক নগর এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটো চার্জিংয়ের অভিযোগে একটি গ্যারেজে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়েছে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগ। অভিযানের সময় অবৈধভাবে চার্জরত অবস্থায় থাকা ৪টি অটোরিকশা এবং চার্জিংয়ে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

 

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত প্রায় ১২টার দিকে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

বিদ্যুৎ বিভাগের সূত্র জানায়, সিদ্দিক নগর এলাকার শাহ আলম নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে অটো চার্জিংয়ের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্যারেজে চার্জরত অবস্থায় ৪টি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।অভিযান চলাকালে শাহ আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। পরে তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কক্সবাজারে অবস্থান করছেন বলে জানান। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, তাদের নিজস্ব সূত্রে জানা গেছে তিনি এলাকাতেই আশপাশে অবস্থান করছিলেন।

 

অভিযান শেষে নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেন বলেন, “অবৈধভাবে অটো চার্জ দেওয়ার কারণে বিদ্যুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এতে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। যারা এ ধরনের অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ চুরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ চুরি রোধে বান্দরবান জেলাজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ছাড় দেওয়া হবে না।

 

এদিকে, মধ্যরাতের এ অভিযানে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে অটো চার্জ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এবার বিদ্যুৎ বিভাগের সরাসরি অভিযানে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

রুহিয়ায় ধ্বংসের মুখে ৭ বিঘা ধানক্ষেত দোকানদারের পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৬ পূর্বাহ্ণ
রুহিয়ায় ধ্বংসের মুখে ৭ বিঘা ধানক্ষেত দোকানদারের পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ

রুহিয়ায় ধ্বংসের মুখে ৭ বিঘা ধানক্ষেত দোকানদারের পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় কীটনাশক বিক্রেতা ও বেসরকারি একটি পেস্টিসাইড কোম্পানির কর্মীর পরামর্শে ক্ষেতে ওষুধ প্রয়োগ করে ৭ বিঘা জমির ধান হারানোর উপক্রম হয়েছে তৈয়ব আলী নামে এক কৃষকের । সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে পুরো ক্ষেতের ধান লাল-ধূসর হয়ে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুহিয়া ইউনিয়নের মধুপুর কাকলী স্কুলসংলগ্ন এলাকার আনোয়ার মুন্সীর ছেলে তৈয়ব আলী মধুপুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবুর কাছ থেকে ৭ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে ধানের আবাদ করেন। সম্প্রতি ধানের রোগবালাই রোধে পরামর্শের জন্য তিনি রুহিয়া ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে কালীতলা বাজারের ‘হবিবর ট্রেডার্স’ এর স্বত্বাধিকারী হবিবরের দ্বারস্থ হন। অভিযোগ রয়েছে, হবিবর ‘মিম প্লেক্স এগ্রো কোম্পানি লিমিটেড’ এর এক প্রতিনিধিকে দিয়ে ক্ষেত পরিদর্শন করান এবং তাঁরই পরামর্শে কৃষককে সেতারা, এমিস্কোর, কোটান ও ভ্যালেন্ট টেক লিঃ-এর লুপিন প্লাস নামক কীটনাশক মিশ্রণ স্প্রে করার পরমর্শ দেন। গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তৈয়ব আলী ওই কীটনাশক স্প্রে করার পরদিন থেকেই পুরো ক্ষেতের ধান লাল ও ধূসর রঙ ধারণ করে পচতে শুরু করে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তৈয়ব আলী বলেন, কৃষি কর্মকর্তাকে সময়মতো না পেয়ে বাধ্য হয়ে দোকানদার ও কোম্পানির লোকজনের কথায় ওষুধ দিয়েছিলাম। বর্গা নেওয়া ৭ বিঘা জমির ধান এভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমি এখন নিঃস্ব। পরিবার নিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হবিবর ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী হবিবর বলেন, এই ওষুধ অন্য কৃষকদেরও দেওয়া হয়েছে, তবে তাঁদের কোনো অভিযোগ আসেনি। যেহেতু তৈয়ব আলীর ক্ষেতে ক্ষতি হয়েছে, তাই একজন কৃষিবিদ এনে ওষুধ পরিদর্শনের মাধ্যমে তাঁকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। এই বিষয়ে রুহিয়া ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জুয়েল ইসলাম উক্ত ক্ষেত পরিদর্শনপূর্বক বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এই ধানক্ষেতটিতে একসাথে কয়েক প্রকার কীটনাশক সংমিশ্রণে দুপুর সময়ে স্প্রে করার ফলে এমনটি হতে পারে। আমরা এই ধানক্ষেত টি ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। বিষয়টি দৃষ্টিগোচর করা হলে রুহিয়া উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল আলম জানান, তিনি দ্রুতই সরজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শন করবেন এবং কৃষককে সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এদিকে স্থানীয় কৃষক শাহা আলম ও এনামুল হক (খাটাস) ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পাওয়া যায় না। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠক ও সরকারি পরামর্শ সেবা সচল থাকলে কৃষকদের অদক্ষ দোকানদার বা কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের ওপর নির্ভর করতে হতো না এবং এমন আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না।