খুঁজুন
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

রোয়াংছড়িতে বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম ও শিশু অপুষ্টিমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে আলোচনা সভা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
রোয়াংছড়িতে বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম ও শিশু অপুষ্টিমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে আলোচনা সভা

রোয়াংছড়িতে বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম ও শিশু অপুষ্টিমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে আলোচনা সভা

চিংনুমং মারমা, রোয়াংছড়ি (বান্দরবান):

 

বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে পর্যায়ক্রমে বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম ও শিশু অপুষ্টিমুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণার লক্ষ্যে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের অংশগ্রহণে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের ‘রোয়াংছড়ি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’-এর আওতায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।

 

হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার উসাইম্যা মারমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ম্যানেজার চাংম্বুগং।

 

প্রধান অতিথি: তাজমিন আলম তুলি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), রোয়াংছড়ি।

 

বিশেষ অতিথি: রোয়াংছড়ি সদর ইউপি সদস্য উসাইচিং মারমা (৩ নং ওয়ার্ড), তারাছা ইউপি সদস্য উমংসিং মারমা (৩ নং ওয়ার্ড), আলেক্ষ্যং ইউপি সদস্য ভারতসেন তঞ্চঙ্গ্যা (৯ নং ওয়ার্ড) এবং নোয়াপতং ইউপি সদস্য ক্যনুপ্রু মারমা (৫ নং ওয়ার্ড)।

 

এছাড়াও রোয়াংছড়ি সদর, তারাছা, আলেক্ষ্যং ও নোয়াপতং ইউনিয়নের স্থানীয় কারবারি, ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। সভার শুরুতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ম্যানেজার চাংম্বুগং স্বাগত বক্তব্য দেন এবং প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও কৌশল তুলে ধরেন। সভায় আলোচকগণ পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, কারবারি ও হেডম্যানরা স্থানীয় জনগণের সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে চিহ্নিতকরণ ও সচেতন করতে তাঁদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

 

শিশু অপুষ্টি দূরীকরণ ও বাল্যবিবাহ রোধে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, সামাজিক নেতৃত্ব এবং প্রশাসনের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাজমিন আলম তুলি বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। একটি কিশোরীর বাল্যবিবাহ হলে সে অনেক সময় প্রয়োজনীয় যত্ন ও পুষ্টিকর খাবার থেকে বঞ্চিত হয়। এটি রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সমাজ ও পরিবারের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। স্থানীয় নেতৃত্বকে সম্পৃক্ত করে গ্রামভিত্তিক পদক্ষেপ নিলে টেকসই ফলাফল মিলবে। সভায় স্থানীয় পর্যায়ে বাল্যবিবাহের সামাজিক ঝুঁকি হ্রাস ও অপুষ্টি নিরসনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার রূপরেখা তৈরি করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং নিজ নিজ এলাকাকে ‘বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম’ হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয়ে অংশগ্রহণকারীরা একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন।

লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা ক্রীড়া বিভাগের আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুব সমাজের উদ্যোগে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। লিটল স্টার ক্লাব-এর সার্বিক উদ্যোগে এবং এলাকার আরও তিনটি স্থানীয় ক্লাবের যৌথ অংশগ্রহণে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চনুমং মার্মাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং হাতে সম্মাননা স্বারক তুলে দেয় আয়োজক কমিটির প্রতিনিধি ও স্থানীয় যুবসমাজ।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে চনুমং মার্মা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। বান্দরবানে খেলাধুলার মান উন্নয়ন এবং তরুণদের প্রতিভা বিকাশে জেলা পরিষদ সবসময় পাশে থাকবে।

আয়োজক ক্লাবের প্রতিনিধিরা জানান, স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখা এবং যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই গুণী ব্যক্তিত্বকে সংবর্ধনা জানাতে পেরে তারা আনন্দিত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লিটল স্টার ক্লাবের সভাপতি থুইসিং প্রু লুভু, দাবা ক্লাবের সভাপতি রত্নজয় তঞ্চঙ্গ্যা, টেবিল টেনিস ক্লাবের সভাপতি মং মং প্রু মার্মা, জাদিতং ক্লাবের সভাপতি উক্যসিং মার্মা সহ বিভিন্ন ক্লাবের খেলোয়াড়, স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী এবং যুব সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় ক্রীড়া উন্নয়নে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় ছাগল আটকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াকে কেন্দ্র করে শত্রুতার জেরে এক কৃষকের ফলন্ত করলা ক্ষেত কেটে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানাধীন ৩নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ি পাথর ফাটা মন্দির এলাকায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক প্রশান্ত সেন ওই এলাকার মৃত মোহিনী সেনের ছেলে। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবেশীর একটি ছাগল করলা ক্ষেতে ঢুকে ফসল নষ্ট করায় তিনি ছাগলটি আটক করে মালিককে খবর দেন। কিন্তু ছাগলের মালিক তা ফেরত নিতে না আসায় পরে তিনি ছাগলটি স্থানীয় খোয়ারে সোপর্দ করেন। প্রশান্ত সেনের অভিযোগ, ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ছাগল খোয়ারে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ছাগলের মালিকপক্ষের লোকজন বা দুর্বৃত্তরা রাতের কোনো এক সময় তাঁর করলা ক্ষেতের গাছ কেটে ফেলে। পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে ক্ষেতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ফলন্ত করলা গাছগুলো কেটে মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, “দশ শতক জমিতে করলা চাষ করেছি। এ পর্যন্ত আমার প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু মাত্র ১ হাজার টাকার করলা বিক্রি করতে পেরেছি। ক্ষেতের গাছগুলো কেটে ফেলায় আমি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।” তিনি আরও জানান, এলাকায় কারও সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ বা শত্রুতা নেই। তবে ছাগল আটক ও খোয়ারে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে আমার ধারণা। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে রুহিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাসিরুল আলম বলেন, ক্ষেতটি পরিদর্শনের জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক লিখিত আবেদন করলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল তিতারপাড়া এলাকায় জাফর আলম বাবুল (৫০) নামে এক কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তিতারপাড়া এলাকার দুমচাই মার্মা মেম্বারের পরিত্যক্ত কেয়াং মন্দিরের সামনে থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত জাফর আলম বাবুল বাইশারী ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা ওসমান গনির ছেলে। তিনি কাঠ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে পরিত্যক্ত কেয়াং মন্দিরের সামনে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেলেও হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং জড়িতদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

এদিকে উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকায় একজন বাঙালি ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। সংগঠনের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

পিসিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. শাহজালাল এক বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।