খুঁজুন
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

সাতকানিয়ায় হাফেজ আহমদ এগ্রো ফার্ম ডাকাতি ও দখল চেষ্টার অভিযোগ, আদালতে আইনি লড়াই অব্যাহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
সাতকানিয়ায় হাফেজ আহমদ এগ্রো ফার্ম ডাকাতি ও দখল চেষ্টার অভিযোগ, আদালতে আইনি লড়াই অব্যাহত

সাতকানিয়ায় হাফেজ আহমদ এগ্রো ফার্ম ডাকাতি ও দখল চেষ্টার অভিযোগ, আদালতে আইনি লড়াই অব্যাহত

সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মৈশামুড়া এলাকায় হাফেজ আহমদ নামের এক ব্যক্তির এগ্রো ফার্মে ডাকাতি, লুটপাট ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ মনজুরুল ইসলাম কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় আইনি লড়াইয়ের পর আদালত ফার্মটি খুলে দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। তবে এর মধ্যেও পাল্টাপাল্টি মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

জানা যায় খাগরিয়া ইউনিয়নের ৯নং মৈশামুড়া মৌজার বিএস ৪৭১ দাগের জমিতে বৈধ প্রক্রিয়ায় এগ্রো ফার্ম পরিচালনা করে আসছেন হাফেজ আহমদ। উক্ত জমির ৩ গন্ডা জায়গা হাফেজ আহমদ ও তার স্ত্রী নূরুনাহার তানিয়ার নামে রেজিস্ট্রিকৃত। এছাড়া মৃত কবির আহমদ মুন্সির ছেলে মনজুরুল ইসলামের পিতা কমির আহমদ, ও বোন কমরুনাহার, লুতফুর নাহার ও শাহানাজ পারভীনের কাছ থেকে ২০ বছরের জন্য বন্ধক নেন ১০ বছরের অগ্রিম খাজনা বাবদ ৪০ হাজার টাকা প্রদান করে এবং ৩০০ টাকার স্টাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে জমিটি বন্ধক নেন হাফেজ আহমদ ১০ বছরের অগ্রিম শেষ হলে । চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছর ৪ হাজার টাকা করে ভাড়া পরিশোধ করার কথা রয়েছে।

 

ভুক্তভোগী হাফেজ আহমদের অভিযোগ করে বলেন প্রতিপক্ষ মনজুরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা ফার্মে লুটপাট ও দখলের চেষ্টা চালিয়েছেন। শুধু তাই নয়, আমার পরিবারকে কোণঠাসা করতে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। ঢাকা স্যার সলিমুল্লা মেডিকেল কলেজের এক চিকিৎসক এবং ঢাকা এআইইউবি ও বসুন্ধরায় অধ্যয়নরত হাফেজ আহমদের ছেলে ফয়সাল ও রিয়াছকেও এসব মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

অভিযোগ রয়েছে, মনজুরুল ইসলাম প্রতারণা করে  করে হাফেজ আহমদের বিল্ডিংয়ের বিএস ৪৭৪ দাগটি নিজের নামে নামজারি (মিউটেশন) করিয়ে নেন। এর প্রতিকারে হাফেজ আহমদ সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে একটি মিস মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ২৯৭/২৪)। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সকল ডকুমেন্টস যাচাই-বাছাই করে মনজুরুল ইসলামের নামে থাকা নামজারি থেকে ৪৭৪ দাগটি বাতিল করেন এবং সঠিক কাগজপত্রের ভিত্তিতে পুনরায় হাফেজ আহমদের নামে নামজারি ও খতিয়ান সৃজন করেন।

 

এদিকে প্রতিপক্ষ মনজুরুল ইসলাম এ বিষয়ে সাতকানিয়া আদালতে একটি মিস মামলা (নং- ৭৭৪/২৪, দায়ের করেছিলেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর এএমটি কোর্ট উভয় পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে হাফেজ আহমদের এগ্রো ফার্মটি খুলে দেওয়ার আদেশ দেন।

 

পরবর্তীতে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাফেজ আহমদ চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারী রিভিশন মামলা (নং- ৮৭৬/২৬, মিছ মামলা নং- ৭৭৪/২৪, সাতকানিয়া) দায়ের করেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর মাননীয় জজকোর্ট আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উক্ত মামলার কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আদেশ প্রদান করেছেন। বর্তমানে উভয় পক্ষের আইনি লড়াই ও টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে।

লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

লিটল স্টার ক্লাবের উদ্যোগে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও ক্রীড়া আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান:

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা ক্রীড়া বিভাগের আহ্বায়ক চনুমং মার্মাকে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুব সমাজের উদ্যোগে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। লিটল স্টার ক্লাব-এর সার্বিক উদ্যোগে এবং এলাকার আরও তিনটি স্থানীয় ক্লাবের যৌথ অংশগ্রহণে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চনুমং মার্মাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং হাতে সম্মাননা স্বারক তুলে দেয় আয়োজক কমিটির প্রতিনিধি ও স্থানীয় যুবসমাজ।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে চনুমং মার্মা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। বান্দরবানে খেলাধুলার মান উন্নয়ন এবং তরুণদের প্রতিভা বিকাশে জেলা পরিষদ সবসময় পাশে থাকবে।

আয়োজক ক্লাবের প্রতিনিধিরা জানান, স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখা এবং যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই গুণী ব্যক্তিত্বকে সংবর্ধনা জানাতে পেরে তারা আনন্দিত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লিটল স্টার ক্লাবের সভাপতি থুইসিং প্রু লুভু, দাবা ক্লাবের সভাপতি রত্নজয় তঞ্চঙ্গ্যা, টেবিল টেনিস ক্লাবের সভাপতি মং মং প্রু মার্মা, জাদিতং ক্লাবের সভাপতি উক্যসিং মার্মা সহ বিভিন্ন ক্লাবের খেলোয়াড়, স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী এবং যুব সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় ক্রীড়া উন্নয়নে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় ছাগল খোয়ারে দেওয়ার জেরে করলা ক্ষেত কেটে ফেলার অভিযোগ কৃষকের

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় ছাগল আটকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াকে কেন্দ্র করে শত্রুতার জেরে এক কৃষকের ফলন্ত করলা ক্ষেত কেটে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রুহিয়া থানাধীন ৩নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ি পাথর ফাটা মন্দির এলাকায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক প্রশান্ত সেন ওই এলাকার মৃত মোহিনী সেনের ছেলে। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবেশীর একটি ছাগল করলা ক্ষেতে ঢুকে ফসল নষ্ট করায় তিনি ছাগলটি আটক করে মালিককে খবর দেন। কিন্তু ছাগলের মালিক তা ফেরত নিতে না আসায় পরে তিনি ছাগলটি স্থানীয় খোয়ারে সোপর্দ করেন। প্রশান্ত সেনের অভিযোগ, ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ছাগল খোয়ারে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ছাগলের মালিকপক্ষের লোকজন বা দুর্বৃত্তরা রাতের কোনো এক সময় তাঁর করলা ক্ষেতের গাছ কেটে ফেলে। পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে ক্ষেতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ফলন্ত করলা গাছগুলো কেটে মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক বলেন, “দশ শতক জমিতে করলা চাষ করেছি। এ পর্যন্ত আমার প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু মাত্র ১ হাজার টাকার করলা বিক্রি করতে পেরেছি। ক্ষেতের গাছগুলো কেটে ফেলায় আমি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।” তিনি আরও জানান, এলাকায় কারও সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ বা শত্রুতা নেই। তবে ছাগল আটক ও খোয়ারে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে আমার ধারণা। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে রুহিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাসিরুল আলম বলেন, ক্ষেতটি পরিদর্শনের জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক লিখিত আবেদন করলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পিসিএনপির তীব্র নিন্দা

বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল তিতারপাড়া এলাকায় জাফর আলম বাবুল (৫০) নামে এক কাঠ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তিতারপাড়া এলাকার দুমচাই মার্মা মেম্বারের পরিত্যক্ত কেয়াং মন্দিরের সামনে থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত জাফর আলম বাবুল বাইশারী ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা ওসমান গনির ছেলে। তিনি কাঠ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে পরিত্যক্ত কেয়াং মন্দিরের সামনে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেলেও হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং জড়িতদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

এদিকে উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকায় একজন বাঙালি ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। সংগঠনের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

পিসিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. শাহজালাল এক বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।