খুঁজুন
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

অবৈধ বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ: দোয়ারাবাজারে সাংবাদিককে হামলার চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
অবৈধ বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ: দোয়ারাবাজারে সাংবাদিককে হামলার চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি

অবৈধ বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশ: দোয়ারাবাজারে সাংবাদিককে হামলার চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ):

 

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশের জেরে মো. জহিরুল ইসলাম সানি নামে এক সাংবাদিককে মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক দোয়ারাবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

জহিরুল ইসলাম সানি জাতীয় দৈনিক ‘আজকের স্বদেশ’ পত্রিকার দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর দোয়ারাবাজার উপজেলার বাঘমারা এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। অভিযানে চারজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিক সানিসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করেন এবং পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই স্থানীয় একটি বালু উত্তোলনকারী চক্র তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়।

 

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ সেপ্টেম্বর বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে নানা’র কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলযোগে বাঘমারা যাওয়ার পথে ধরমপুর মসজিদের মোড়ে পৌঁছালে বাক্কার মিয়া (৩২) ও কুদ্দুছ মিয়া (৩০) দেশীয় অস্ত্র, রুইল ও লাঠিসোটা নিয়ে তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিক সানি।

 

এ সময় তাঁর চিৎকার-চেঁচামেচিতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। অভিযোগে আরও বলা হয়, যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা তাঁকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে—ভবিষ্যতে তাদের অবৈধ বালু ব্যবসা বা অন্য কোনো অপকর্ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে কিংবা আইনের আশ্রয় নিলে সুযোগ বুঝে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করা হবে।

 

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম সানি দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হন।

 

এ ঘটনায় দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক এম এ মোতালিব ভুইয়া সহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, সাংবাদিকরা সত্য ও জনস্বার্থের সংবাদ প্রকাশ করবেন—এটাই তাদের দায়িত্ব। সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে কোনো সাংবাদিককে হামলার চেষ্টা বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

 

ঘটনার বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান:

বান্দরবানের আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ই অক্টোবর (শনিবার) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজ ম্যা মা চিং-এর পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের সদস্য চ নু মং মার্মা।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সম্মানিত প্রতিনিধিরা এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক মানোন্নয়নে জেলা পরিষদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পরিষদের বক্তারা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং সামাজিক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের এ ধরণের সহায়ক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চনুমং মার্মা এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উদ্বোধন শেষে বিহারের সার্বিক সাফল্য এবং এলাকাবাসীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

মোহাম্মদ আলমগীর লামা (বান্দরবান ) প্রতিনিধি

বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাইনঝিরিতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হইয়াছে। ফাইনাল ম্যাচে প্রতিপক্ষ দলকে পরাজিত করিয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করিয়াছে স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় স্থানীয় লাইনঝিরি মাঠে বহুল প্রতীক্ষিত এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। লাইনঝিরি ক্রীড়া ও সমাজ উন্নয়ন ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলাকে কেন্দ্র করিয়া স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, যুবসমাজ ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।

 

ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আরিফ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউসুফ আলী।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ করিম এলএলবি, লামাসাধারণ সম্পাদক আমিনুর ইসলাম খন্দকার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক চান মিয়া, লামা পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুমন, সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. জামাল।

 

খেলার শুরু হইতেই উভয় দলের খেলোয়াড়েরা জয়ের লক্ষ্যে প্রাণপণ চেষ্টা চালান। মাঠজুড়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে ফাইনাল ম্যাচটি প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য হইয়া ওঠে। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে পরাজিত করিয়া স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ বিজয়ের মুকুট অর্জন করে।

 

আয়োজকেরা জানান, যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় হইতে দূরে রাখিয়া সুস্থ বিনোদন, শারীরিক সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়িয়া তুলিবার লক্ষ্যেই এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হইয়াছে।

 

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করেন, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করিবার পাশাপাশি এলাকায় সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় করিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখিবে।

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

নিউজ ডেস্ক

পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)। সংগঠনটির অভিযোগ, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে অনুমোদনহীনভাবে জমি কেনাবেচা ও প্লট বরাদ্দের ফলে সাধারণ ক্রেতারা আর্থিক ও আইনি ঝুঁকিতে পড়ছেন। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ।

 

গত ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বাচল ও এর আশপাশে পরিচালিত চারটি আবাসন প্রকল্পকে অনুমোদনহীন ও অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো—ওয়েল কেয়ার হাউজিং, লন্ডন হাউজিং, এলেস্ট টাউন ও আনন্দ হাউজিং।

 

বিএলডিএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যথাযথ অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই এসব এলাকায় কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রকল্পে নিয়মবহির্ভূতভাবে জমি কেনাবেচা, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।

 

সংগঠনটির মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী বৈধ ও নিবন্ধিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে এবং তাদের প্রতি ক্রেতাদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং প্রশাসনের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বিএলডিএ।

 

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধভাবে প্লট বিক্রি ও বরাদ্দ বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈধ আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি এবং পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আবাসন খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন মেনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ দুটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

 

বিএলডিএ জানায়, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা দিতে সংগঠনটি প্রস্তুত রয়েছে।