খুঁজুন
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহিতা চেয়ে সংস‌দে বক্তব্যের দুঃখপ্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহিতা চেয়ে সংস‌দে বক্তব্যের দুঃখপ্রকাশ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহিতা চেয়ে সংস‌দে বক্তব্যের দুঃখপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতি বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা, সিনেমা অনেকটা নিষিদ্ধের মতোই। এই বক্তব্যের মাধ‌্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার দায় আস‌লে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের উপর চা‌পি‌য়ে দি‌য়ে‌ছেন। সেখানকার আলেমওলা‌দের ওপর দি‌য়ে‌ছেন। তা‌দের ভাবমূ‌র্তি বি‌শ্বের সাম‌নে ক্ষুন্ন ক‌রে‌ছেন।

 

ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ায় পু‌লি‌শের কনসার্ট বন্ধ হওয়ার খবর মিডিয়ায় যেভা‌বে এসে‌ছিল, বাস্তব চিত্র তা থে‌কে আলাদা ছিল। গভীর রাতে উচ্চ শব্দের কার‌ণে মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী‌দের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘ‌টে। তাই শিক্ষার্থীরা সাউন্ড কমাতে বলে। এ নি‌য়ে পু‌লিশ ও শিক্ষর্থী‌দের কখা কাটাকা‌টি থে‌কে পরবর্তী ঘটনা ঘ‌টে। ক‌য়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন পু‌লি‌শের লাঠিপেটায়।

 

মি‌ডিয়া ভিন্নভাবে উপস্থাপন কর‌লেও, ঘটনাপ্রবাহ থে‌কে এটা স্পষ্ট মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা কনসা‌র্ট বন্ধ ক‌রে দেয়‌নি। তারা শুধু শব্দ কমা‌তে ব‌লে‌ছি‌লেন। এর মা‌নে ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ায় সাংস্কৃ‌তিক কার্যক্রম নি‌ষিদ্ধ নয়, যেমনটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লে‌ছি‌লেন। যার মাধ‌্যমে তি‌নি ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ার মানুষকে সম্প‌র্কে ভুল বার্তা দি‌য়ে‌ছি‌লেন, তা‌দের‌কে ছোট ক‌রে‌ছিলেন।

 

অন্যদিকে নৌকাবাইচের বিষয়টিতে স্থান নিয়ে আমার তথ্যগত ত্রুটি হয়েছে। সি‌লেটর জায়গায় ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়া ব‌লে ফে‌লি। এ ত্রুটিতে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছে, তা‌তে আমি বিব্রত। অনাক‌ঙ্খিত প‌রি‌স্থি‌তির জন‌্য দুঃখ প্রকাশ কর‌ছি।

 

যদিও পাশাপাশি মূল ঘটনা কী ছিল, মিডিয়া কী ফ্রেমিং করেছে, সেটা নিয়ে সংসদে কথা বলা আমার উচিত ছিলো; কিন্তু সম্পূরক প্রশ্নে সময় সীমাবদ্ধতার কারনে বিস্তারিত বলার সুযোগ ছিলো না।

 

সবশেষে একটি কথা আমি পুনর্ব্যক্ত করছি—আমি এবং আমার দল আমরা জুলাইয়ের আদর্শকে ধারণ করি এবং সকল নীতি, সিদ্ধান্ত সেই আদর্শের উপর নির্ভর করেই নিতে চাই।

 

জুলাই একটা সর্বজনীন সমাজের স্বপ্ন দেখায়, যেখানে সকল মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা হবে, এবং কেউ কারো মত বা দৃষ্টিভঙ্গি আরেকজনের উপর চাপিয়ে দেবে না। বিতর্ক থাকবে, দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য থাকবে, কিন্তু কেউ কাউকে জোর করবে না, তার মতামতকেই একমাত্র গ্রহণযোগ্য মতামত হিসেবে গ্রহণ করতে। জুলাই এই common minimum ground-এর ঐক্যের প্রতীক।

 

এই আদর্শের প্রতি আমি কমিটেড ছিলাম, আছি, থাকব। এবং তার ভিত্তিতেই আমি বিশ্বাস করি যে, যদি কোনও গ্রুপ বা ব্যক্তি যদি অন্যায়ভাবে কারও উপর জোর খাটান, কাউকে বাধ্য করেন নিজের মতামতকে চাপিয়ে দিতে, তাহলে সরকারের দায়িত্ব সেটাকে প্রতিহত করা, সকল মানুষের সমান অধিকারকে নিশ্চিত করা। সরকার যখন সেই দায়িত্ব পালনে দ্বিধা করে, অস্বীকৃতি জানায়, তখন দেশের আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ভেঙে পড়ে, সরকারের ব্যর্থতাই প্রমাণিত হয়।

 

আমি এই কথাটাই সংসদে বলতে চেয়েছি। এই বাংলাদেশ সবার—এই বাংলাদেশে মসজিদ থাকবে, মন্দির থাকবে, সঙ্গীত থাকবে, ওয়াজ থাকবে, মাজার থাকবে, কনসার্ট হবে, মাহফিল হবে, রথযাত্রা হবে, সিনেমা উৎসব হবে, আবার বিজ্ঞ আলেমদের আলোচনাও হবে। সকল ধর্মের, মতের মিলনস্থল আমার এই বাংলাদেশ। যার যেটা পছন্দ হবে, সে সেটায় যাবে, অংশ নেবে, যার যেটা পছন্দ হবে না, সে সেটায় যাবে না। আর সরকার এইটুকু নিশ্চিত করবে, কেউ যেন আরেকজনের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, এমন কিছু করতে না পারে।

 

আজকে সরকার সেই নিরাপত্তা দিতে পারছে না, এবং তার ফলে সমতার যে বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাচ্ছি, তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

জুলাই ছিলো ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে সকলের আন্দোলন। জুলাই ছিল মানুষকে তার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আন্দোলন, সর্বজনীন সমাজ গড়ে তোলার আন্দোলন, যা বাংলাদেশের বৈচিত্র্যকে সম্মান করবে। আমাদের চেষ্টা সেই বাংলাদেশ গড়বার জন্য, সে চেষ্টাই আমরা করছি এবং করে যাব।

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

বান্দরবানে আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান:

বান্দরবানের আন্তাহা পাড়া বৌদ্ধ বিহারের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ই অক্টোবর (শনিবার) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজ ম্যা মা চিং-এর পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের সদস্য চ নু মং মার্মা।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সম্মানিত প্রতিনিধিরা এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক মানোন্নয়নে জেলা পরিষদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পরিষদের বক্তারা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং সামাজিক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের এ ধরণের সহায়ক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চনুমং মার্মা এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উদ্বোধন শেষে বিহারের সার্বিক সাফল্য এবং এলাকাবাসীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

মোহাম্মদ আলমগীর লামা (বান্দরবান ) প্রতিনিধি

বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাইনঝিরিতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হইয়াছে। ফাইনাল ম্যাচে প্রতিপক্ষ দলকে পরাজিত করিয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করিয়াছে স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় স্থানীয় লাইনঝিরি মাঠে বহুল প্রতীক্ষিত এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। লাইনঝিরি ক্রীড়া ও সমাজ উন্নয়ন ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলাকে কেন্দ্র করিয়া স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, যুবসমাজ ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।

 

ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আরিফ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউসুফ আলী।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ করিম এলএলবি, লামাসাধারণ সম্পাদক আমিনুর ইসলাম খন্দকার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক চান মিয়া, লামা পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুমন, সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. জামাল।

 

খেলার শুরু হইতেই উভয় দলের খেলোয়াড়েরা জয়ের লক্ষ্যে প্রাণপণ চেষ্টা চালান। মাঠজুড়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে ফাইনাল ম্যাচটি প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য হইয়া ওঠে। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে পরাজিত করিয়া স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ বিজয়ের মুকুট অর্জন করে।

 

আয়োজকেরা জানান, যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় হইতে দূরে রাখিয়া সুস্থ বিনোদন, শারীরিক সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়িয়া তুলিবার লক্ষ্যেই এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হইয়াছে।

 

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করেন, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করিবার পাশাপাশি এলাকায় সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় করিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখিবে।

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

নিউজ ডেস্ক

পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)। সংগঠনটির অভিযোগ, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে অনুমোদনহীনভাবে জমি কেনাবেচা ও প্লট বরাদ্দের ফলে সাধারণ ক্রেতারা আর্থিক ও আইনি ঝুঁকিতে পড়ছেন। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ।

 

গত ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বাচল ও এর আশপাশে পরিচালিত চারটি আবাসন প্রকল্পকে অনুমোদনহীন ও অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো—ওয়েল কেয়ার হাউজিং, লন্ডন হাউজিং, এলেস্ট টাউন ও আনন্দ হাউজিং।

 

বিএলডিএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যথাযথ অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই এসব এলাকায় কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রকল্পে নিয়মবহির্ভূতভাবে জমি কেনাবেচা, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।

 

সংগঠনটির মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী বৈধ ও নিবন্ধিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে এবং তাদের প্রতি ক্রেতাদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং প্রশাসনের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বিএলডিএ।

 

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধভাবে প্লট বিক্রি ও বরাদ্দ বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈধ আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি এবং পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আবাসন খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন মেনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ দুটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

 

বিএলডিএ জানায়, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা দিতে সংগঠনটি প্রস্তুত রয়েছে।