খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

দোয়ারাবাজারে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা উপবৃত্তি নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
দোয়ারাবাজারে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা উপবৃত্তি নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

দোয়ারাবাজারে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা উপবৃত্তি নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে প্রতিবন্ধী শিশুদের সমাজের মূল স্রোতধারায় অন্তর্ভুক্তকরণ এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির তাৎপর্য শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে দোয়ারাবাজার উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় এই সেমিনারের আয়োজন করে।

 

 

 

 

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা(অ.দা.)শাহ মোঃ শফিউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম। আলোচনায় অংশ নেন সুনামগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিবাস রঞ্জন দাশ এবং দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরূপ রতন সিংহ।

 

সেমিনারে বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। তাদের অবহেলা না করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া গেলে তারা সমাজের বোঝা না হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত হবে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিক্ষা উপবৃত্তিসহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সহজে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

 

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জে এস আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোমিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সোলেমান মিয়া, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. আফজাল হোসেন, একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সালাম এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন।

 

এছাড়া দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এম এ মোতালিব ভূঁইয়াসহ স্থানীয় সাংবাদিক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা দপ্তরের অন্যান্য প্রতিনিধিরা সেমিনারে অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষভাগে সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা, সঠিক পুনর্বাসন এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

বান্দরবানে স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট না থাকায় সাঙ্গু-মাতামুহুরীতে প্রাণহানি: বাড়ছে স্বজনদের দুর্ভোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট না থাকায় সাঙ্গু-মাতামুহুরীতে প্রাণহানি: বাড়ছে স্বজনদের দুর্ভোগ

বান্দরবানে স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট না থাকায় সাঙ্গু-মাতামুহুরীতে প্রাণহানি: বাড়ছে স্বজনদের দুর্ভোগ

বান্দরবান প্রতিনিধি: সুকেল তঞ্চঙ্গ্যা

পাহাড়ি কন্যা হিসেবে খ্যাত পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পাহাড়ি নদীগুলোতে প্রায়ই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানি। বিশেষ করে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নেমে বা নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হওয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটলেও, বান্দরবানে নেই কোনো স্থায়ী ডুবুরি দল বা পানির নিচে অনুসন্ধানের আধুনিক সরঞ্জাম। দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দলের আসার অপেক্ষায় দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

 

পাহাড়ি নদীগুলোর ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় ও বিপজ্জনক। বান্দরবানের বুক চিরে বয়ে যাওয়া সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী পর্যটক ও স্থানীয়দের কাছে আকর্ষণীয় হলেও বর্ষাকাল কিংবা পাহাড়ি ঢলের সময় এটি ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। তীব্র স্রোত, অধিক গভীরতা এবং নদীর তলদেশের পাথুরে গঠনের কারণে এসব নদীতে সামান্য অসাবধানতাই ডেকে আনে বড় বিপদ।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে কেউ তলিয়ে গেলে বা নিখোঁজ হলে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করাটাই সবচেয়ে জরুরি। কিন্তু বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে কোনো স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট না থাকায় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ থেকে ডুবুরি দলের ওপর নির্ভর করতে হয়।

 

দূরত্ব ও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে উদ্ধার কার্যক্রমে বড় ধরনের বিলম্ব ঘটে। চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান এবং সেখান থেকে রুমা, থানচি কিংবা রেমাক্রির মতো দুর্গম এলাকায় ডুবুরি দল পৌঁছাতে অনেক সময় ৭ থেকে ১২ ঘণ্টা, এমনকি পুরো একদিন পর্যন্ত পেরিয়ে যায়। ততক্ষণে নদীর তীব্র স্রোতে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ বা অবস্থান অনেক দূরে চলে যায়, যা উদ্ধার অভিযানকে আরও দুরূহ করে তোলে।

 

এছাড়া, ডুবুরি দল পৌঁছাতে পৌঁছাতে রাত নেমে এলে অন্ধকার, তীব্র স্রোত এবং পাথুরে তলদেশের কারণে উদ্ধারকাজ চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ডুবুরি দলের অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় বা পরবর্তীতে মরদেহ পানিতে ভেসে উঠলেই কেবল তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এই দীর্ঘসূত্রিতা নিখোঁজদের স্বজনদের উদ্বেগ ও কষ্ট বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

 

এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, পাহাড়ি নদীগুলোতে উদ্ধার কাজের জটিলতা ও বাস্তব অবস্থা তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত অবহিত করে আসছেন।

 

তারা বলেন, “বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী অত্যন্ত খরস্রোতা এবং ভৌগোলিক দিক দিয়ে দুর্গম। আমাদের স্টেশনে বর্তমানে স্থায়ী কোনো ডুবুরি ইউনিট বা পানির নিচে অনুসন্ধানের আধুনিক স্কুবা ইকুইপমেন্ট নেই। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা আমাদের সাধ্যমতো উদ্ধারকর্মী পাঠিয়ে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ ও স্থানীয়দের সহায়তার ব্যবস্থা করি। তবে বিশেষায়িত ডুবুরি দলের প্রয়োজন হলে চট্টগ্রামের ওপর নির্ভর করতে হয়। বান্দরবানে একটি স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট এবং আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম সংযোজন করা হলে নিখোঁজ উদ্ধারের কাজ আরও দ্রুত ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। বিষয়টি আমরা যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব আকারে পাঠিয়েছি।”

 

সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীতে বারবার এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট গড়ে না ওঠায় ক্ষুব্ধ সচেতন মহল। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের জোরালো দাবি—দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান নিশ্চিত করতে বান্দরবানে অবিলম্বে একটি স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট, আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম এবং বিশেষায়িত নৌযানের ব্যবস্থা করা হোক।

 

নদীতে প্রাণহানি রোধে কেবল সচেতনতামূলক প্রচারণাই যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি প্রয়োজন দ্রুত ও কার্যকর উদ্ধার সক্ষমতা। আর কতগুলো তাজা প্রাণ ঝরলে বান্দরবানে স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট গড়ে উঠবে—এখন সেটাই বান্দরবানবাসীর বড় প্রশ্ন।

পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

‎পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

।শহিদুল ইসলাম পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ছয় পেশাদার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা নিজ উদ্যেগে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বাদী নুর হোসেন। ‎

 

রোববার (১ নভেম্বর) সকালে পটিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন তিনি। পরে আদালতের বিচারক আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

 

‎মামলার আসামিরা হলেন পটিয়ায় প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দৈনিক যুগান্তরের ও বাংলা টিভির প্রতিনিধি আবেদুজ্জমান আমিরী, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি রবিউল হোসেন, অর্থ সম্পাদক দৈনিক জনকণ্ঠ ও সুপ্রভাতের প্রতিনিধি বিকাশ চৌধুরী,

 

চট্টগ্রাম মঞ্চের প্রতিনিধি সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম কাদের,আপ্যায়ন সম্পাদক দেশ টিভির প্রতিনিধি মহিউদ্দিন চৌধুরী, সদস্য দৈনিক দেশ রূপান্তরের ও আনন্দ টিভির দক্ষিন জেলা প্রতিনিধি আ.ন.ম. সেলিম চৌধুরী।

 

‎জানা যায়, চলতি বছরের ১১ জুন সাংবাদিক নুর হোসেন বাদী হয়ে ১৭/২৬ নম্বর মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে কয়েকজনের প্ররোচনায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল বলে উপলব্ধি করেন তিনি। সাংবাদিকদের মধ্যে বিভেদ ও ঐক্যে ফাটল ধরানোর আশঙ্কা থেকে মামলাটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ‎ আদালতের মাধ্যমে মামলাটি প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অবসান ঘটল।

 

শুনানীতে অংশ নেয়া অ্যাডভোকেট শাহীনা আকতার জানান, মামলা প্রত্যাহারের আবেদন আদালত গ্রহণ করে পটিয়া থানা পুলিশকে বিনা মন্তব্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশনা দেন।

 

পটিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন জানান, পেশাগত ঐক্য ধরে রাখতে সবপক্ষ যেন দায়িত্বশীল আচরণ করেন সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। পটিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কমিটি ১জুন থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছে বলে জানান।

লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

লামায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা

মুহাম্মাদ আলমগীর লামা বান্দরবান প্রতিনিধি:

‘দক্ষ যুব গড়বো দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামা উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে যুব র‍্যালি, যুব ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

রোববার (১ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, লামার যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আলী হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা নাদিম এবং লামা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ করিম (এল.এল.বি)।

 

সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খন্দকার আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন আরো উপস্থিত ছিলেন অশ্বিনী কুমার নন্দী

 

দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথমে একটি বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক পরিবর্তনে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুবকদের শুধু শিক্ষিত করলেই হবে না, বরং সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ, কর্মমুখী ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

 

বক্তারা আরও বলেন, বেকারত্ব দূরীকরণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও ঋণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ সময় ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার করে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য যুবকদের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

 

আলোচনা সভা শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও উদ্যোগী যুবকদের মাঝে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় উন্নয়নে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়

 

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন এলাকার যুবক-যুবতীরা উপস্থিত ছিলেন।