খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য খানখানাবাদ গড়ার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য খানখানাবাদ গড়ার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য খানখানাবাদ গড়ার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম:

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

 

অভিযানে খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সিকদার নেতৃত্ব দেন। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসাধারণকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করাই এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।

 

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সিকদার বলেন, “পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা শুধু একটি দিনের কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের সবার সামাজিক দায়িত্ব। একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য খানখানাবাদ গড়ে তুলতে ইউনিয়ন পরিষদের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এজন্য সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।”

 

স্থানীয়দের মতে, এমন উদ্যোগ নিয়মিত অব্যাহত থাকলে খানখানাবাদ ইউনিয়নের পরিবেশ আরও পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক হয়ে উঠবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

লামায় ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
লামায় ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ।

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

লামায় ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ।

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের ‘তথ্য সংগ্রহকারী’ ও ‘সুপারভাইজার’ পদের নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম, স্থগিত নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অগ্রাধিকার প্রদান এবং একই পরিবার থেকে একাধিক সদস্যকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করার অভিযোগ উঠেছে।

 

বুধবার(২৯ জুলাই) এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফল স্থগিতের দাবি জানিয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। লামা উপজেলার সাধারণ বাসিন্দাদের পক্ষে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তথ্য সংগ্রহকারী ও ছাত্রদল নেতা ইমন শরীফ এ অভিযোগপত্রটি জমা দেন।

 

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির আলোকে ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে উক্ত পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার পর ইউএনও কার্যালয় থেকে প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একাধিক নেতাকর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

প্রকাশিত তালিকায় অর্ধেকেরও বেশি সদস্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সাথে সরাসরি যুক্ত বা তাদের পরিবারের সদস্য।

চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া বিতর্কিত ব্যক্তিবর্গ বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি ও ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে অপপ্রচার চালিয়েছিল এবং বিরোধিতা করেছিল। এ ধরনের বিতর্কিত নিয়োগের খবরে লামার স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

 

অভিযোগকারী ইমন শরীফ প্রকাশিত বিতর্কিত নিয়োগ তালিকাটি অবিলম্বে স্থগিত করার জোর দাবি জানান। তিনি বলেন, “বিতর্কিত ও একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে বাদ দিয়ে মেধাবী ও ফ্যামিলি কার্ডের যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া জরুরি।”

উক্ত লিখিত অভিযোগ পত্রটির অনুলিপি প্রয়োজনীয় অবগতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা/মন্ত্রী, ৩০০ নং বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য জনাব সাচিং প্রু জেরী এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।

 

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)অতিরিক্ত দায়িত্ব মনজুর আলম জানান,অভিযোগের বিষয়ে আমি এখনো অবগত নই,অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে শুক নদীকে ঘিরে ভুমিহীন রবিউলের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে শুক নদীকে ঘিরে ভুমিহীন রবিউলের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন।

ঠাকুরগাঁওয়ে শুক নদীকে ঘিরে ভুমিহীন রবিউলের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন।

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার ৪নং ঢোলার হাট ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ‘শুক নদী’। নদীর বুকে সমন্বিত হাঁস ও সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন বুনছেন ভূমিহীন কৃষক রবিউল ইসলাম (৪৮)। রবিউল ইসলাম ৪নং ঢোলার হাট ইউনিয়নের উত্তর বোয়ালিয়া গ্রামের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রবিউল ইসলাম শুক নদীর কোল ঘেঁষে ২ বিঘা জমি বর্গা নিয়েছেন। সেখানে তিনি ধুন্দুল, বাঁধাকপি, ফুলকপি, করলা ও কলাসহ বিভিন্ন ধরণের সবজির চাষ করেছেন। পাশাপাশি নদীর তীরেই গড়ে তুলেছেন একটি হাঁসের খামার। জানা গেছে, নিজস্ব সঞ্চয় ও কিছু ধারদেনা মিলিয়ে এই উদ্যোগে রবিউলের সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা। তাঁর আশা, বছর শেষে এই হাঁসের খামার ও সবজি বাগান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা আয় হবে। নিজের এই উদ্যোগ সম্পর্কে রবিউল ইসলাম বলেন, “নদী শুকিয়ে গেলে অনেকেই হতাশ হন, কিন্তু আমি একে একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছি। ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে ২০০টি হাঁসের বাচ্চা নিয়ে আমার এই যাত্রা শুরু করি। নদীর স্বাভাবিক পানি ব্যবহার করায় হাঁস পালনের খরচ যেমন কম হয়, তেমনি পলিযুক্ত উর্বর বালুমাটিতে সবজির ফলনও মেলে চমৎকার।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা বা কৃষি বিভাগের পরামর্শ না পেলেও, ভবিষ্যতে নদীর ওপর ভাসমান শেড তৈরি করে বৃহৎ পরিসরে হাঁস পালনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, শুক নদীকে কাজে লাগিয়ে রবিউল যেভাবে নিজের ভাগ্য বদলানোর চেষ্টা করছেন, তা আশপাশের অনেক বেকার যুবকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। নদীর বুকে গড়ে তোলা এই সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ কেবল তাঁর নিজের সংসারেই সচ্ছলতা আনবে না, বরং স্থানীয় বাজারে শাকসবজির চাহিদাও অনেকাংশে মেটাবে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের টেকসই পরামর্শ পেলে রবিউল ইসলামের এই উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারবে বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন মহল। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাসিরুল আলম বলেন, “বর্তমানে অনেক বেকার যুবককে চাকরির পেছনে হন্যে হয়ে ঘুরতে দেখা যায়। আমরা তাঁদের চাকরির পেছনে সময় নষ্ট না করে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। এ ক্ষেত্রে রবিউল ইসলাম একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারেন। তাছাড়া আমাদের মাননীয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিবও এ বিষয়ে যুবকদের স্বাবলম্বী হতে নিরন্তর উৎসাহ জুগিয়ে যাচ্ছেন।

টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার।

টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান এবং পরোয়ানাভুক্ত পলাতক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে র‌্যাব অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

 

এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প)-এর একটি চৌকস দল কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানাধীন হ্নীলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডস্থ মোচনী বাজার এলাকায় গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৬:৪০ ঘটিকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১ জন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামি নুরুল হাকিম (৩৮)। সে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রংগীখালী গ্রামের বাসিন্দা আমির হোসেন এর ছেলে।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামি নুরুল হাকিম চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া থানার মাদকদ্রব্য মামলার এজাহারনামীয় আসামি। উক্ত অপরাধে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক তাকে ০৫ (পাঁচ) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। রায় ঘোষণার পর থেকেই সে আসামি দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিল।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

অপরাধ দমন ও এলাকাকে নিরাপদ রাখতে র‌্যাব-১৫ এর এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।