খুঁজুন
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

ভারতের প্রতি অভিমানে, চীনের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
ভারতের প্রতি অভিমানে, চীনের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ

ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মোক্ষম সুযোগ নিয়েছে চীন। পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আরও কাছে টানতে সক্রিয় হয়েছে দেশটি।

হয়তো এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল চীন। বিএনপির নেতৃত্বে ২২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে ১০ দিনের সফরে চীন পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন তারা। প্রতিনিধি দলে রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের কর্মী, বুদ্ধিজীবীসহ সাংবাদিকরাও রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর চীন সফর নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

চীন সফররত প্রতিনিধি দলের এক নেতা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন, সফরকালে তারা চীনের সরকারি কর্মকর্তা এবং ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে কূটনৈতিক উত্তেজনা ও দূরত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে, যার সুযোগে চীন ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার চেষ্টা করছে।

হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অন্যতম বড় বিরোধের কারণ হচ্ছে গত বছরের ৫ আগস্টের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় গ্রহণ। তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অর্থপাচারের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করলেও, দিল্লি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিএনপির সিনিয়র নেতা এবং বেইজিং সফররত প্রতিনিধি দলের প্রধান আব্দুল মঈন খান সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, এটি মূলত একটি সৌজন্যমূলক সফর, যা চীনের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবার চীন এমন একটি দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে।

বিএনপি ও ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব

প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে বিএনপি এবং তাদের মিত্র দলগুলোর নেতাদের সংখ্যা বেশি। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন এই দল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি।

এ ছাড়া, প্রতিনিধি দলে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের বেশ কয়েকজন নেতা রয়েছেন, যারা গত বছর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ শুরু করেন এবং শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সক্ষম হন।

শেখ হাসিনা ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

বিগত ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার সময় শেখ হাসিনা ভারতবান্ধব পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সঙ্গে তিনি চীনের সঙ্গেও সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। তবে তার পতনের পর চীন বাংলাদেশে নিজেদের কূটনৈতিক প্রভাব আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের আরও গভীর হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে জানুয়ারির একটি সফরে, যখন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বেইজিং গিয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।

বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও সামরিক সহযোগিতা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার, যার বেশিরভাগই চীনা রপ্তানি।

এ ছাড়া, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীও ব্যাপকভাবে চীনা অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে বাংলাদেশের সামরিক সরঞ্জামের ৭০ শতাংশের বেশি আসে চীন থেকে।

ভারতের নিষ্ক্রিয়তা ও বাংলাদেশে প্রভাব হারানোর আশঙ্কা

গত ছয় মাসে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের যোগাযোগ অনেকটাই সীমিত ছিল। অন্যদিকে, চীন বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে চলেছে।

বিএনপি গত ডিসেম্বরে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে, তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে এবং শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে।

জবাবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ কী ধরনের সম্পর্ক চায়, তা তাদেরই নির্ধারণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি নেতাদের কিছু মন্তব্য একেবারেই অযৌক্তিক।

পাল্টা জবাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টাও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায়।

আরও মজবুত হবে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের এই টানাপোড়েন ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ককে আরও মজবুত করছে। শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও নেপালের মতো বাংলাদেশও এখন ভারত-চীন কৌশলগত প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে চলে এসেছে।

বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ফেলো চীনা বিশ্লেষক ঝো বো বিবিসিকে বলেন, ভারতের উচিত পুরো উপমহাদেশকে তাদের ‘বাড়ির উঠান’ মনে না করা। এই মনোভাব ভারতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান কূটনৈতিক দূরত্ব চীনকে বাংলাদেশের ওপর আরও বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে।

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

লামায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত: চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ

মোহাম্মদ আলমগীর লামা (বান্দরবান ) প্রতিনিধি

বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাইনঝিরিতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হইয়াছে। ফাইনাল ম্যাচে প্রতিপক্ষ দলকে পরাজিত করিয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করিয়াছে স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় স্থানীয় লাইনঝিরি মাঠে বহুল প্রতীক্ষিত এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। লাইনঝিরি ক্রীড়া ও সমাজ উন্নয়ন ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলাকে কেন্দ্র করিয়া স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, যুবসমাজ ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।

 

ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আরিফ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউসুফ আলী।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ করিম এলএলবি, লামাসাধারণ সম্পাদক আমিনুর ইসলাম খন্দকার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক চান মিয়া, লামা পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুমন, সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. জামাল।

 

খেলার শুরু হইতেই উভয় দলের খেলোয়াড়েরা জয়ের লক্ষ্যে প্রাণপণ চেষ্টা চালান। মাঠজুড়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে ফাইনাল ম্যাচটি প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য হইয়া ওঠে। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে পরাজিত করিয়া স্বাগতিক লাইনঝিরি একাদশ বিজয়ের মুকুট অর্জন করে।

 

আয়োজকেরা জানান, যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় হইতে দূরে রাখিয়া সুস্থ বিনোদন, শারীরিক সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়িয়া তুলিবার লক্ষ্যেই এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হইয়াছে।

 

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করেন, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করিবার পাশাপাশি এলাকায় সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় করিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখিবে।

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

বৈধ আবাসন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে বিএলডিএর আহ্বান

নিউজ ডেস্ক

পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)। সংগঠনটির অভিযোগ, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে অনুমোদনহীনভাবে জমি কেনাবেচা ও প্লট বরাদ্দের ফলে সাধারণ ক্রেতারা আর্থিক ও আইনি ঝুঁকিতে পড়ছেন। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ।

 

গত ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বাচল ও এর আশপাশে পরিচালিত চারটি আবাসন প্রকল্পকে অনুমোদনহীন ও অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো—ওয়েল কেয়ার হাউজিং, লন্ডন হাউজিং, এলেস্ট টাউন ও আনন্দ হাউজিং।

 

বিএলডিএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যথাযথ অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই এসব এলাকায় কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রকল্পে নিয়মবহির্ভূতভাবে জমি কেনাবেচা, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।

 

সংগঠনটির মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী বৈধ ও নিবন্ধিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে এবং তাদের প্রতি ক্রেতাদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং প্রশাসনের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বিএলডিএ।

 

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধভাবে প্লট বিক্রি ও বরাদ্দ বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈধ আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি এবং পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আবাসন খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন মেনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ দুটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

 

বিএলডিএ জানায়, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা দিতে সংগঠনটি প্রস্তুত রয়েছে।

রুহিয়ায় এইচএসসি ফলাফলে শীর্ষে গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
রুহিয়ায় এইচএসসি ফলাফলে শীর্ষে গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়

রুহিয়ায় এইচএসসি ফলাফলে শীর্ষে গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁও

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি -২০২৬) ও সমমানের পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনে এবারও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে রুহিয়া গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, রুহিয়া গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাসের হার ৭৩.২৮ শতাংশ এবং সর্বমোট ৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। অঞ্চলের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ফলাফলে দেখা যায়, রুহিয়া টেকনিক্যাল বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজে পাসের হার ৫৪.৪১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ঢোলারহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজে পাসের হার ৪৭.৮৪ শতাংশ, রুহিয়া সালেহিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় পাসের হার ৩৬.৬৭ শতাংশ এবং রুহিয়া ডিগ্রি কলেজে পাসের হার ১৭.৪২ শতাংশ (যেখানে ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন)। এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রসঙ্গে রুহিয়া গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক পাঠদান, নিয়মিত তদারকি এবং শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকবৃন্দের সহযোগিতা ও সার্বিক শৃঙ্খলার কারণে প্রতিষ্ঠানটি রুহিয়া অঞ্চলে শীর্ষ স্থান বজায় রাখতে পেরেছে। আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে আমরা আশাবাদী। এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন বলেন, রুহিয়া গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা মহাবিদ্যালয়টি শুরু থেকেই শিক্ষার মান বজায় রেখে আসছে। প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করার জোরালো দাবি জানাচ্ছি।